Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

কৃষ্ণসাগরে সংঘাত অবসানে সম্মত রাশিয়া-ইউক্রেন

পেরিয়ে গিয়েছে তিনটি বছর। এবার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান নিয়ে আশায় বুক বাঁধছে গোটা বিশ্ব। দীর্ঘ আলোচনার পর কৃষ্ণসাগরে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।

কৃষ্ণসাগরে সংঘাত অবসানে সম্মত রাশিয়া-ইউক্রেন
  • ২৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

রিয়াধ: পেরিয়ে গিয়েছে তিনটি বছর। এবার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান নিয়ে আশায় বুক বাঁধছে গোটা বিশ্ব। দীর্ঘ আলোচনার পর কৃষ্ণসাগরে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। একে অপরের পণ্যবাহী জাহাজ ও জ্বালানি পরিকাঠামোর উপর হামলা না চালানো এবং নৌচলাচল স্বাভাবিক রাখার  ব্যাপারে রাজি হয়েছে তারা। বাণিজ্যিক জাহাজকে সামরিক কাজে ব্যবহার করতে পারবে না কোনও পক্ষই। চুক্তি স্বাক্ষরের নেপথ্যে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সৌদি আরবের রিয়াধে তিনদিনের দীর্ঘ আলোচনার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এব্যাপারে ঐক্যমতে পৌঁছায় মস্কো-কিয়েভ। হোয়াইট হাউসের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংঘর্ষবিরতি চুক্তির ফলে বিশ্বের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথটি পুনরায় খুলে যাবে। সেইসঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে দু’দেশ। মস্কোর উপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন। ট্রাম্প বলেন, শান্তি ফেরাতে আমি রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেছি। ইতিবাচক দিকেই সবকিছু এগচ্ছে। 

Advertisement

বুধবার কিয়েভে সাংবাদিকদের ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়া যদি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে, তাহলে আমি আমেরিকার কাছে মস্কোর উপর নিষেধাজ্ঞা বৃদ্ধির অনুরোধ করব। অপরদিকে, রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন, জেলেনস্কি যাতে চুক্তি মেনে চলেন, সেজন্য ওয়াশিংটনকে নির্দেশ দিতে বলব। উল্লেখ্য, গোটা বিশ্বে নৌবাণিজ্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে কৃষ্ণসাগরের। রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে ২০২২ সাল থেকে এই বাণিজ্যপথ অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে। যার জেরে খাদ্যপণ্যের দামও বেড়েছে। এশিয়া, আফ্রিকার দেশগুলিতে খাদ্য সরবরাহে দেখা দিয়েছে ঘাটতি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ