


মুম্বই: সংঘর্ষবিরতি নিয়ে ইরান-আমেরিকা টানাপোড়েন চলছে। এরমধ্যে ইরানকে আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ধাক্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে ফের চড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। সোমবার বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ছিল প্রতি ব্যারেল ১১০ ডলারেরও বেশি। যার ধাক্কা সরাসরি এসে পড়েছে ভারতীয় অর্থনীতিতে। বিদেশি সংস্থাগুলির শেয়ার বেচে লগ্নি সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা অব্যাহত। এর প্রভাব পড়ছে টাকার দরে। ফলে থামানো যাচ্ছে না ভারতীয় মুদ্রার রক্তক্ষরণ। সোমবার সপ্তাহের প্রথম দিন লেনদেনের শেষে মার্কিন ডলারের নিরিখে ভারতীয় মুদ্রার দর দাঁড়াল ৯৬ টাকা ৩৫ পয়সা (প্রভিশনাল)। অন্যদিকে এদিন শেয়ার বাজারে ধস না নামলেও সেনসেক্স বা নিফটি কোনও সূচকেরই উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেনি।
সোমবার সকালে টাকার দর ছিল ৯৬ টাকা ১৯ পয়সা। এক পর্যায়ে তা নেমে যায় ৯৬ টাকা ৩৯ পয়সায়। তবে দিনের শেষে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে ডলারের তুলনায় ভারতীয় মুদ্রার বিনিময় মূল্য হয় ৯৬ টাকা ৩৫ পয়সা (প্রভিশনাল)। গত শুক্রবার টাকার দর ছিল ৯৫ টাকা ৮১ পয়সা। তার তুলনায় এদিন প্রায় ৫৪ পয়সা কমেছে ভারতীয় মুদ্রার দাম। অন্যদিকে এদিন সেনসেক্স বেড়েছে মাত্র ৭৭.০৫ পয়েন্ট বা ০.১০ শতাংশ। অন্যদিকে ০.০৩ শতাংশ বা ৬.৪৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি হয়েছে নিফটির। প্রসঙ্গত, শুক্রবার ১৬০.৭৩ শতাংশ পতন হয়েছিল সেনসেক্সের। আরেক সূচক নিফটি পড়েছিল ৪৬.১০ পয়েন্ট।