Bartaman Logo
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রোটেশন মেনে লেবার রুমে ডিউটি করতে বাধা

হাসপাতাল সুপারের কথা মানছেন না ঠিকাদারের মাধ্যমে নিযুক্ত অস্থায়ী কর্মীরা। লেবার রুমে ডিউটির দাবি নিয়ে এই অস্থায়ী কর্মীদের বিবাদের মুখে নিজের অসহায়তার কথা অকপটে স্বীকার করলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক।

রোটেশন মেনে লেবার রুমে ডিউটি করতে বাধা
  • ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: হাসপাতাল সুপারের কথা মানছেন না ঠিকাদারের মাধ্যমে নিযুক্ত অস্থায়ী কর্মীরা। লেবার রুমে ডিউটির দাবি নিয়ে এই অস্থায়ী কর্মীদের বিবাদের মুখে নিজের অসহায়তার কথা অকপটে স্বীকার করলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক। লেবার রুমে ডিউটির ক্ষেত্রে সুপার রোটেশনে নির্দেশ দেওয়ার পরও সেই নির্দেশ এজেন্সির অস্থায়ী কর্মীরা মানছেন না বলে অভিযোগ। 
Advertisement
মঙ্গলবার সুপার একথা স্বীকার করায় প্রশ্ন উঠেছে, সুপারের নির্দেশ অমান্য করার সাহস কোথা থেকে পাচ্ছেন এই অস্থায়ী কর্মীরা? অভিযোগ, দিনের পর দিন মাত্র কয়েকজন ব্যক্তি লেবার রুমে কাজ করার ফলে নানা অনৈতিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। তাই লেবার রুমে কর্মীদের রোটেশনে কাজ করার সুযোগের দাবিতে এদিন সুপারের কাছে স্মারকলিপি দেন চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের একটি অংশ। এই দাবির প্রেক্ষিতে সুপার বলেন, অনেক দিন আগেই রোটেশনের নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশ মতো সকলে কাজ করছেন না। লেবার রুম সহ অন্যান্য বিভাগেও যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন তাঁরা রোটেশনে সেখানে অন্যদের কাজ করতে দিচ্ছেন না। 
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লেবার রুমে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর একদল অস্থায়ী কর্মীর বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে জুলুমবাজি অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এদিন আন্দোলনকারীদের তরফে প্রতিমা চক্রবর্তী বলেন, দিনের পর দিন কয়েকজন মিলে লেবার রুমে ডিউটি করে যাচ্ছেন। অন্যদের রোটেশন অনুযায়ী কাজ করতে দিচ্ছেন না। কারণ এখানে এরা দীর্ঘদিন কাজ করার ফলে অনৈতিক কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। সেকারণে এরা কেউ জায়গা ছাড়তে চাইছে না। 
এদিকে, তাঁদের বিরুদ্ধেও কিছু চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী কর্মীর পাল্টা অভিযোগ, সম্প্রতি ইউনিয়ন গঠন করে কেউ কেউ নেতা-নেত্রী হয়ে প্রভাব খাটিয়ে অনৈতিক কাজ করছেন। তাঁদেরই কেউ কেউ সেই প্রভাব খাটিয়ে লেবার রুমে কাজ করতে চাইছেন অনৈতিক কার্যকলাপ করতে। 
যদিও আন্দোলনকারীরা এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, কয়েকজন ব্যক্তি লেবার রুমে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। এদের পিছনে হাসপাতালের একটি অংশের মদত রয়েছে। তাই রোটেশন মানতে চাইছে না। সুপারের নির্দেশ মতো অন্য কর্মীদের তাঁরা কাজ করতে দিচ্ছেন না। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতাল সুপার বলেন, গোটা বিষয়টি এজেন্সিকে জানাব। তাদের কর্মীরা যদি হাসপাতালের নির্দেশমতো কাজ করতে না চান তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ