নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: একাধিক দাবিতে লাগাতার রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, আন্দোলন চালাচ্ছে তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতি। মঙ্গলবার ও বুধবার দু’দিনই সেই কর্মসূচি জারি ছিল। অভিযোগ, রাতভর ঘেরাও থাকার পর বুধবার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়েন উপাচার্য দীপককুমার রায়। দ্রুত তাঁকে রায়গঞ্জ মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়। এরপরই উপাচার্যকে হেনস্তার অভিযোগ করে পাল্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদে সামিল হন রাজবংশী শিক্ষক সংগঠনের সদস্যরা। উপাচার্যের পক্ষ নিয়ে শহরের রাস্তায় একটি মিছিলও করেন তাঁরা।
Advertisement
সংগঠনটির দাবি, রাজবংশী সমাজের একজন শিক্ষকে যেভাবে বারবার হেনস্তার মুখে পড়তে হচ্ছে, তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন। যাঁরা উপাচার্যকে আটকে রেখে বিক্ষোভ করেছেন এবং ধাক্কা দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি ক্ষোভ জানাতেই এই আন্দোলন। সংগঠনের দাবি, বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীও উপাচার্যকে ফোনে হুমকি দিয়েছেন। অবসর নেওয়ার কথা বলেছেন তাঁকে। এসব সংগঠন মেনে নেবে না বলে এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন অন্যতম সদস্য নারদ বর্মন।
এদিকে রাজবংশী শিক্ষকদের বিক্ষোভের খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটে আসেন রায়গঞ্জ থানার আইসি সহ পুলিসের দল। তাঁরাই বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেন। পুলিস সূত্রে দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে এদিনও বিক্ষোভ প্রতিবাদ চলেছে। এমন সময় শিক্ষক সংগঠনটি মিছিল করে গিয়ে জমায়েত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে। অশান্তি রুখতে গেটের বাইরে থাকা বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়।
যদিও বিক্ষোভকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন কৃষ্ণ কল্যাণী। তিনি বলেন, উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে ইচ্ছেমতো রাজনীতি করছেন। যাঁরা তৃণমূল করেন, তাঁদের টার্গেট করে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এরকম চলতে থাকলে বিক্ষোভ হতেই থাকবে। যদিও উপাচার্যকে আটকে রাখার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে বলে দাবি করেছেন তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির সদস্যরা। সংগঠনের সদস্য বিজয় দাস বলেন, তপন নাগের সাসপেনশন নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করতে হবে। সেই দাবিতেই আমরা উপাচার্যের ঘরের সামনে অবস্থানে বসেছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকি আধিকারিকরা সকালে বেরিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু উপাচার্য আমাদের সঙ্গে কথাও বলেননি এবং বেরিয়ে যেতেও চাননি। তাই তাঁকে আটকে রাখার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
এদিন বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দুর্লভ সরকার বলেন, উপাচার্যের রক্তচাপ ওঠানামা করছিল। মাথা ঘুরছিল। সেজন্য তাঁকে রায়গঞ্জ মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে রাজবংশী শিক্ষকদের বিক্ষোভের খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটে আসেন রায়গঞ্জ থানার আইসি সহ পুলিসের দল। তাঁরাই বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেন। পুলিস সূত্রে দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে এদিনও বিক্ষোভ প্রতিবাদ চলেছে। এমন সময় শিক্ষক সংগঠনটি মিছিল করে গিয়ে জমায়েত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে। অশান্তি রুখতে গেটের বাইরে থাকা বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়।
যদিও বিক্ষোভকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন কৃষ্ণ কল্যাণী। তিনি বলেন, উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে ইচ্ছেমতো রাজনীতি করছেন। যাঁরা তৃণমূল করেন, তাঁদের টার্গেট করে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এরকম চলতে থাকলে বিক্ষোভ হতেই থাকবে। যদিও উপাচার্যকে আটকে রাখার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে বলে দাবি করেছেন তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির সদস্যরা। সংগঠনের সদস্য বিজয় দাস বলেন, তপন নাগের সাসপেনশন নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করতে হবে। সেই দাবিতেই আমরা উপাচার্যের ঘরের সামনে অবস্থানে বসেছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকি আধিকারিকরা সকালে বেরিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু উপাচার্য আমাদের সঙ্গে কথাও বলেননি এবং বেরিয়ে যেতেও চাননি। তাই তাঁকে আটকে রাখার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
এদিন বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দুর্লভ সরকার বলেন, উপাচার্যের রক্তচাপ ওঠানামা করছিল। মাথা ঘুরছিল। সেজন্য তাঁকে রায়গঞ্জ মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।



