সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: ফের বিতর্কে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগ। অভিযোগ, প্রসূতি বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে রাতে কোনও সাফাই কর্মী থাকে না। প্রসূতির মৃত্যু নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজ্য সরকার বিশেষভাবে সজাগ রয়েছে। প্রসূতি মৃত্যু কমাতে নানা কর্মসূচি নিয়ে কাজ চলেছে। সেখানে প্রসূতি বিভাগে রাতে কোনও সাফাই কর্মী না থাকায় বিস্মিত চিকিৎসক মহল।
Advertisement
রাতে সাফাই কর্মী না থাকায় সন্ধ্যা থেকে পরের দিন সকাল পর্যন্ত ওয়ার্ড পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকছে না। এতে প্রসূতিদের চিকিৎসায় নানা ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালে চিকিৎসকদের একাংশ। শুক্রবার প্রসূতি ওয়ার্ডের থেকে নার্সরা এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। অ্যাডিশনাল সুপার ডাঃ নন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ পেয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। প্রসূতি বিভাগের এক চিকিৎসকের কাছে থেকে ডাঃ নন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় জানতে পারেন এই অভিযোগ সত্যি। প্রায় ছ’মাস ধরে রাতে প্রসূতি বিভাগে কোনও সাফাই কর্মী থাকে না।
বিস্ময়ের সঙ্গে অ্যাডিশনাল সুপার বলেন, রাজ্য সরকার প্রসূতি মৃত্যু নিয়ন্ত্রণে আনতে সবরকম ব্যবস্থা নিয়েছে। চিকিৎসার প্রতিটি ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি রেখেছে। সেখানে এভাবে দিনের পর দিন রাতে প্রসূতি ওয়ার্ডে সাফাই কর্মী না থাকাটা বড় গাফিলতি এবং ঝুঁকির। এতে যেকোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
এ ব্যাপারে তিনি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। তাতে জানা যায়, চুক্তিতে সাফাই কর্মী দেওয়ার বরাত যে সংস্থা পেয়েছে এটা তাদের দায়িত্ব। তারপর তিনি ওই এজেন্সির স্থানীয় প্রতিনিধিকে ডেকে পাঠান। সেই এজেন্সির প্রতিনিধি মিঠু সাহা বলেন, তাদের যে সংখ্যক কর্মী দেওয়া রয়েছে তার থেকে বেশি পরিমাণে কাজ করানো হচ্ছে। কাজের চাপে তারা প্রসূতি ওয়ার্ড থেকে রাতের সাফাই কর্মী তুলে অন্য জায়গায় দিয়েছে। তাই নতুন করে কর্মীর অনুমোদন না পেলে তাদের পক্ষে প্রসূতি বিভাগে রাতে সাফাই কর্মী দেওয়া সম্ভব নয়।
একথা শুনে রুষ্ট হন অ্যাডিশনাল সুপার। তিনি মিঠু সাহাকে নির্দেশ দেন, অবিলম্বে রাতে প্রসূতি বিভাগে সাফাই কর্মী নিযুক্ত করতে হবে। তাতে মিঠু সাহা তাঁকে আশ্বস্ত করেন, বিষয়টি সমাধানের। কিন্তু প্রশ্ন, প্রসূতি বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে রাতে সাফাই কর্মী থাকছে না বিষয়টি এতদিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের নজর এড়াল কী করে।
বিস্ময়ের সঙ্গে অ্যাডিশনাল সুপার বলেন, রাজ্য সরকার প্রসূতি মৃত্যু নিয়ন্ত্রণে আনতে সবরকম ব্যবস্থা নিয়েছে। চিকিৎসার প্রতিটি ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি রেখেছে। সেখানে এভাবে দিনের পর দিন রাতে প্রসূতি ওয়ার্ডে সাফাই কর্মী না থাকাটা বড় গাফিলতি এবং ঝুঁকির। এতে যেকোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
এ ব্যাপারে তিনি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। তাতে জানা যায়, চুক্তিতে সাফাই কর্মী দেওয়ার বরাত যে সংস্থা পেয়েছে এটা তাদের দায়িত্ব। তারপর তিনি ওই এজেন্সির স্থানীয় প্রতিনিধিকে ডেকে পাঠান। সেই এজেন্সির প্রতিনিধি মিঠু সাহা বলেন, তাদের যে সংখ্যক কর্মী দেওয়া রয়েছে তার থেকে বেশি পরিমাণে কাজ করানো হচ্ছে। কাজের চাপে তারা প্রসূতি ওয়ার্ড থেকে রাতের সাফাই কর্মী তুলে অন্য জায়গায় দিয়েছে। তাই নতুন করে কর্মীর অনুমোদন না পেলে তাদের পক্ষে প্রসূতি বিভাগে রাতে সাফাই কর্মী দেওয়া সম্ভব নয়।
একথা শুনে রুষ্ট হন অ্যাডিশনাল সুপার। তিনি মিঠু সাহাকে নির্দেশ দেন, অবিলম্বে রাতে প্রসূতি বিভাগে সাফাই কর্মী নিযুক্ত করতে হবে। তাতে মিঠু সাহা তাঁকে আশ্বস্ত করেন, বিষয়টি সমাধানের। কিন্তু প্রশ্ন, প্রসূতি বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে রাতে সাফাই কর্মী থাকছে না বিষয়টি এতদিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের নজর এড়াল কী করে।



