সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ঝাঁপ বন্ধ ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানের। রোগীদের সুবিধার্থে বেসরকারি ওষুধের দোকানের নম্বর বিলি করছে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষই। তিনদিন হল রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতালগুলিকে নির্দিষ্ট একটি সংস্থার তৈরি রিঙ্গার ল্যাকটেট সহ মোট ১৪ ধরনের ওষুধ ও স্যালাইনের ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। কিন্তু রামপুরহাট মেডিক্যালে অন্য কোম্পানির ওষুধ এখনও এসে না পৌঁছনোয় রোগীর পরিবারকে বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। কিন্তু রাতের দিকে মেডিক্যালের বাইরে বেসরকারি ওষুধের দোকানগুলি বন্ধ থাকে। ফলে নাজেহাল অবস্থা হচ্ছে রোগীর পরিজনদের। এমত অবস্থায় মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষই বেসরকারি চারটি দোকানের নম্বর বিলি করছেন। এমএসভিপি পলাশ দাস বলেন, কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছি। এমন পরিস্থিতি আগে হয়নি। বিসিডিএর সম্পাদকের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি চারটি ওষুধের দোকানের নাম ও নম্বর দিয়েছেন, যাদের রাতে ফোন করলেই ওষুধ দিয়ে দেবে। সেই দোকানের নাম ও নম্বর রোগীর পরিবারদের মধ্যে বিলি করছি।
Advertisement
মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এক প্রসূতি মৃত্যুর পরেই শোরগোল পড়ে যায় রাজ্যজুড়ে। প্রসূতিদের শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার জন্যে ‘রিঙ্গার ল্যাকটেট’ (স্যালাইন) দায়ী, এমনটাই জানা যায়। এরপরই স্বাস্থ্যভবন থেকে ওই সংস্থার রিঙ্গার ল্যাকটেট সহ মোট ১৪ ধরনের ওষুধ ব্যবহার অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য রাজ্যের সমস্ত মেডিক্যালের পাশাপাশি হাসপাতালগুলির কাছে নির্দেশ দেয়। সেই মতো সর্বত্র রোগীদের ওই সংস্থার ওষুধ দেওয়া বন্ধ রয়েছে। ফলে রোগীর পরিজনদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে বলা হচ্ছে। এতে আর্থিকভাবে দুর্বল রোগীর পরিজনদের ক্ষেত্রে তা সমস্যার সৃষ্টি করেছে। ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান থেকে ৫০ শতাংশের বেশি ছাড়ে ওষুধ কিনবেন, তারও উপায় নেই। তিনমাস হতে চলল সেই দোকানেরও ঝাঁপ বন্ধ। এদিকে অর্ডার দেওয়া হলেও অন্য কোম্পানির ওষুধ এসে পৌঁছয়নি মেডিক্যালে। সব থেকে সমস্যা হচ্ছে রাতের দিকে। কারণ, রাতে বাইরের ওষুধের দোকানগুলি বন্ধ থাকে। ফলে এই পরিস্থিতিতে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে রোগীর পরিজনদের। ওষুধের খোঁজে হন্যে হয়ে ঘুরতে হচ্ছে তাঁদের।
সমাধানে বুধবার বেঙ্গল কেমিস্ট এণ্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের রামপুরহাট জোনের সম্পাদক সুদীপ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেন এমএসভিপি। সংগঠনের পক্ষ থেকে চারটি দোকানের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়। রাতে ফোন করলে এখান থেকে ওষুধ মিলবে। মেডিক্যাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি মাসে প্রায় ১৪ লক্ষ টাকার ওষুধ লাগে। এতদিন নির্দিষ্ট ওই কোম্পানি সেটা সরবরাহ করত। স্বাস্থ্যভবনে অন্য কোম্পানির অর্ডার দেওয়া হলেও তা এখনও এসে পৌঁছয়নি। যদিও এমত অবস্থায় রোগীদের সুবিধার্থে স্থানীয় পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে ওষুধ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ। অধ্যক্ষ করবী বড়াল বলেন, স্থানীয়ভাবে ওষুধ কিনতে সরকারি অনুমতি মিলেছে। সেই মতো টেন্ডার করা হবে। আশা করি, দু’একদিনের মধ্যেই পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে।
সমাধানে বুধবার বেঙ্গল কেমিস্ট এণ্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের রামপুরহাট জোনের সম্পাদক সুদীপ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেন এমএসভিপি। সংগঠনের পক্ষ থেকে চারটি দোকানের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়। রাতে ফোন করলে এখান থেকে ওষুধ মিলবে। মেডিক্যাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি মাসে প্রায় ১৪ লক্ষ টাকার ওষুধ লাগে। এতদিন নির্দিষ্ট ওই কোম্পানি সেটা সরবরাহ করত। স্বাস্থ্যভবনে অন্য কোম্পানির অর্ডার দেওয়া হলেও তা এখনও এসে পৌঁছয়নি। যদিও এমত অবস্থায় রোগীদের সুবিধার্থে স্থানীয় পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে ওষুধ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ। অধ্যক্ষ করবী বড়াল বলেন, স্থানীয়ভাবে ওষুধ কিনতে সরকারি অনুমতি মিলেছে। সেই মতো টেন্ডার করা হবে। আশা করি, দু’একদিনের মধ্যেই পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে।



