নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি ও সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: বোনের বিয়েতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু দিদির। গুরুতর জখম মৃতার স্বামী। বুধবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটে ময়নাগুড়ির অসম মোড় এলাকায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতার নাম রেশমিতা পারভীন (২১)। তাঁর স্বামী মহবুব আলম (৩৫) আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিলিগুড়িতে চিকিৎসাধীন। তাঁদের বাড়ি জলপাইগুড়ির পাহাড়পুরের জালিয়াপাড়া এলাকায়।
Advertisement
বাইকে করে তাঁরা ফালাকাটার দেউগাঁও এলাকায় যাচ্ছিলেন। জলপাইগুড়ির দিক থেকে ময়নাগুড়ির দিকে যাওয়া একটি ডাম্পার তাঁদের বাইকটিকে পিছন থেকে সজোরে ধাক্কা মারে। এতেই রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর জখম হন ওই দম্পতি। স্থানীয়দের সহযোগিতায় দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই কর্তব্যরত চিকিৎসক রেশমিতাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। রেফার করা হয় মহবুবকে। প্রথমে তাঁকে জলপাইগুড়ির একটি নার্সিংহোমে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় শিলিগুড়িতে। এদিন দুপুরে জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের মর্গে রেশমিতার দেহের ময়নাতদন্ত হয়। সেখানে কান্নায় ভেঙে পড়ে মৃতার পরিবার। এদিকে, ফালাকাটায় রেশমিতার বাপেরবাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানের মাঝে নেমে আসে বিষাদের ছায়া। পুলিস জানিয়েছে, ঘাতক ডাম্পারটিকে আটক করা হয়েছে।
এদিন মর্গ চত্বরে দাঁড়িয়ে জখম মহবুব আলমের বাবা মহম্মদ আবিরুদ্দিন বলেন, ছেলের শ্যালিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে আমাদের পরিবারের সবার নিমন্ত্রণ ছিল। সকালে ছেলে আমাকে জিজ্ঞাসা করে, আমি যাব কি না। আমি না বলে দিই। এরপরই বউমাকে নিয়ে ছেলে বাইকে চেপে রওনা দেয়। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ওরা বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। কিছুক্ষণ পরই দুর্ঘটনার খবর আসে। একটা খুশির দিনে যে এরকম ঘটনা কখনও ঘটবে ভাবতে পারিনি। ছেলের অবস্থাও ভালো নয়। জানি না শেষপর্যন্ত কী হবে।
ফালাকাটা থেকে মর্গে এসেছিলেন মহবুবের দিদি মহসিনা বেগম। তাঁর শ্বশুরবাড়ির কাছেই বিয়ে হয়েছে মহবুবের। তিনি বলেন, ভাইয়ের শ্যালিকার বিয়েতে আমাদেরও নিমন্ত্রণ ছিল। এদিন সকালে বাড়ি থেকে বেরনোর সময় ভাই আমাকে ফোন করেছিল। জানতে চাইছিল, আমরা বিয়েবাড়িতে কখন যাব। ভেবেছিলাম বিয়েবাড়িতে ভাই এবং ভাইয়ের বউয়ের সঙ্গে অনেকদিন পর দেখা হবে। অনেক আনন্দ করব। কিন্তু এভাবে যে সবটা শেষ হয়ে যাবে, ভাবতে পারিনি।
রেশমিতার সঙ্গে বছর তিনেক আগে বিয়ে হয় মহবুবের। চাষাবাদের পাশাপাশি মহবুব রাজমিস্ত্রির কাজও করেন। মহবুবের পরিবার সূত্রে খবর, বোনের বিয়ে নিয়ে বেশ খুশিতে ছিলেন রেশমিতা। বিয়েতে কী উপহার দেওয়া যায়, তা নিয়ে মঙ্গলবার স্বামীর সঙ্গে অনেক আলোচনাও করেন। তারপর এদিন চা, জলখাবার খেয়ে সাতসকালেই স্বামীর সঙ্গে বাইকে বিয়েবাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। ঠিক হয়েছিল, ফালাকাটায় পৌঁছে উপহার কিনে বিয়েবাড়িতে ঢুকবেন তাঁরা। কিন্তু তার আগেই দুর্ঘটনা প্রাণ কাড়ল রেশমিতার।
এদিন মর্গ চত্বরে দাঁড়িয়ে জখম মহবুব আলমের বাবা মহম্মদ আবিরুদ্দিন বলেন, ছেলের শ্যালিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে আমাদের পরিবারের সবার নিমন্ত্রণ ছিল। সকালে ছেলে আমাকে জিজ্ঞাসা করে, আমি যাব কি না। আমি না বলে দিই। এরপরই বউমাকে নিয়ে ছেলে বাইকে চেপে রওনা দেয়। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ওরা বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। কিছুক্ষণ পরই দুর্ঘটনার খবর আসে। একটা খুশির দিনে যে এরকম ঘটনা কখনও ঘটবে ভাবতে পারিনি। ছেলের অবস্থাও ভালো নয়। জানি না শেষপর্যন্ত কী হবে।
ফালাকাটা থেকে মর্গে এসেছিলেন মহবুবের দিদি মহসিনা বেগম। তাঁর শ্বশুরবাড়ির কাছেই বিয়ে হয়েছে মহবুবের। তিনি বলেন, ভাইয়ের শ্যালিকার বিয়েতে আমাদেরও নিমন্ত্রণ ছিল। এদিন সকালে বাড়ি থেকে বেরনোর সময় ভাই আমাকে ফোন করেছিল। জানতে চাইছিল, আমরা বিয়েবাড়িতে কখন যাব। ভেবেছিলাম বিয়েবাড়িতে ভাই এবং ভাইয়ের বউয়ের সঙ্গে অনেকদিন পর দেখা হবে। অনেক আনন্দ করব। কিন্তু এভাবে যে সবটা শেষ হয়ে যাবে, ভাবতে পারিনি।
রেশমিতার সঙ্গে বছর তিনেক আগে বিয়ে হয় মহবুবের। চাষাবাদের পাশাপাশি মহবুব রাজমিস্ত্রির কাজও করেন। মহবুবের পরিবার সূত্রে খবর, বোনের বিয়ে নিয়ে বেশ খুশিতে ছিলেন রেশমিতা। বিয়েতে কী উপহার দেওয়া যায়, তা নিয়ে মঙ্গলবার স্বামীর সঙ্গে অনেক আলোচনাও করেন। তারপর এদিন চা, জলখাবার খেয়ে সাতসকালেই স্বামীর সঙ্গে বাইকে বিয়েবাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। ঠিক হয়েছিল, ফালাকাটায় পৌঁছে উপহার কিনে বিয়েবাড়িতে ঢুকবেন তাঁরা। কিন্তু তার আগেই দুর্ঘটনা প্রাণ কাড়ল রেশমিতার।



