সংবাদদাতা, ডোমকল: জলঙ্গিতে রাস্তার পাশের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠল পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ বাবুলাল মণ্ডল ও বিডিও অফিসের এক ক্যাজুয়াল স্টাফের বিরুদ্ধে। বিরোধীরা নয়, এই অভিযোগে সরব হয়েছেন খোদ তৃণমূলের জলঙ্গি দক্ষিণ সাংগঠনিক ব্লক তৃণমূল সভাপতি মাসুম আলি আহমেদ, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য রাকিবুল ইসলাম রকি সহ তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার নাম করে জলঙ্গির সাহেবরামপুরের দিক থেকে জলঙ্গি বাজারের দিকে যাওয়া রাস্তার ধারের মোটা গাছগুলি কেটে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। বনদপ্তর কিংবা পূর্তদপ্তরের অনুমতি না নিয়েই গাছ কেটে স্থানীয় কাঠের মিলে বিক্রি করা হচ্ছে। বাবুলাল মণ্ডল ও জলঙ্গি বিডিও অফিসের এক ক্যাজুয়াল কর্মী ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই কারবার চালাচ্ছে বলে তাঁরা অভিযোগ তুলেছেন। ব্লক তৃণমূল সভাপতি মাসুম আলি আহমেদ বলেন, কয়েকদিন ধরেই লক্ষ্য করছি, রাস্তার ধারের বড় বড় গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। আমরা বিডিওকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এবিষয়ে কিছু জানেন না। আমরা যতটুকু জানি, বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার উদ্যোগে কিছু ডাল কাটার কথা। কিন্তু সেই জায়গায় বড় বড় গাছ কেটে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। বনদপ্তর, পূর্তদপ্তরের আধিকারিকরা জানালেন, এর কোনও অনুমতি নেই। জলঙ্গি পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ ও বিডিও অফিসের এক ক্যাজুয়াল স্টাফ এর সঙ্গে জড়িত। জলঙ্গি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য রকিবুল ইসলাম রকি বলেন, সম্পূর্ণ অবৈধভাবে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে গাছ চুরি চলছে। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাবুলাল মণ্ডল। তিনি বলেন, পুরোপুরি ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমি কাউকে গাছ কাটার অনুমতি দিইনি। বিডিও অফিসে এনিয়ে মিটিং হয়েছিল বলে শুনেছিলাম। বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, কিছু গাছের ডাল ছাঁটার দরকার পড়েছিল। আমরা তার জন্য বনদপ্তরের অনুমতিও নিয়েছি। তবে অন্য কেউ গাছ কেটেছে কিনা জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি। জলঙ্গির বিডিও সুব্রত মল্লিক বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে কোনও খবর নেই। বনদপ্তর বিষয়টি বলতে পারবে।



