সংবাদদাতা, মানকর: গলসির ডিভিসি মোড় থেকে পুরষা হাসপাতাল যাওয়ার রাস্তায় ধুলো উড়ছে। হাওয়ায় রাস্তার পাশে মজুত করে রাখা ধুলো, বালি উড়ে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ কিছুদিন আগে জল দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছিল। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে জল না দেওয়ায় ফের ধুলোয় ঢাকছে চারদিক। ব্যাপক সমস্যায় পড়ছেন হাসপাতালের রোগীর পরিজন থেকে পথচারীরা। ধুলোর জন্য দৃশ্যমানতাও কমছে। যে কোনও সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা।
Advertisement
গলসিতে দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ চলছে। কয়েকটি জায়গায় ফ্লাইওভারের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। কয়েকটি জায়গায় রাস্তার কাজ চলছে। স্থানীয় পথচারীদের একাংশের অভিযোগ, প্রতিদিনই ধুলো ওড়ে। এলাকার সমস্যার কথা প্রকাশের পর কয়েকদিন জল দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছিল। তখন ধুলো ওড়েনি বললেই চলে।
কিন্তু এখন জল না দেওয়ার ফলে ফের সমস্যা হচ্ছে। এক সাইকেল আরোহী বলেন, মাঝে কয়েকদিন ধুলোয় জল দেওয়ায় কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু এখন একটু হাওয়া দিলেই ব্যাপকভাবে ধুলো উড়ছে। চোখে পড়লে জ্বালা করছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, দিনে অন্তত বার দশেক ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। ধুলোর জেরে শ্বাস নিতেও রীতিমতো কষ্ট হয়। স্কুলের পড়ুয়ারাও ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। এভাবে চলতে থাকলে এলাকাবাসীর মধ্যে ফুসফুসের রোগ বাড়বে।
ওই রাস্তা দিয়ে পুরষা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন রাজীব বিশ্বাস। তিনি বলেন, দ্রুত রাস্তার কাজ শেষ করুক জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। যে অংশে রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ করা হচ্ছে সেখানে বালি, ধুলো মজুত করা বন্ধ হোক। স্থানীয় বাসিন্দা সায়ন রহমান জানান, জাতীয় সড়কের ওই অংশে যতটা সম্ভব নাক, মুখ ঢেকে চলি। বাড়ি ফিরেও ভালো করে জল দিয়ে মুখ ধুই। তবু যেন অস্বস্তি রয়ে যায়।
জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে আর সমস্যা হবে না।
কিন্তু এখন জল না দেওয়ার ফলে ফের সমস্যা হচ্ছে। এক সাইকেল আরোহী বলেন, মাঝে কয়েকদিন ধুলোয় জল দেওয়ায় কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু এখন একটু হাওয়া দিলেই ব্যাপকভাবে ধুলো উড়ছে। চোখে পড়লে জ্বালা করছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, দিনে অন্তত বার দশেক ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। ধুলোর জেরে শ্বাস নিতেও রীতিমতো কষ্ট হয়। স্কুলের পড়ুয়ারাও ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। এভাবে চলতে থাকলে এলাকাবাসীর মধ্যে ফুসফুসের রোগ বাড়বে।
ওই রাস্তা দিয়ে পুরষা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন রাজীব বিশ্বাস। তিনি বলেন, দ্রুত রাস্তার কাজ শেষ করুক জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। যে অংশে রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ করা হচ্ছে সেখানে বালি, ধুলো মজুত করা বন্ধ হোক। স্থানীয় বাসিন্দা সায়ন রহমান জানান, জাতীয় সড়কের ওই অংশে যতটা সম্ভব নাক, মুখ ঢেকে চলি। বাড়ি ফিরেও ভালো করে জল দিয়ে মুখ ধুই। তবু যেন অস্বস্তি রয়ে যায়।
জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে আর সমস্যা হবে না।



