নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকু্ড়া: ইন্দপুরে কংক্রিটের রাস্তা তৈরিতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুললেন খোদ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। বিডিও অফিস চত্বরেই ওই রাস্তাটি তৈরি হচ্ছিল। ঘটনায় সভাপতির সঙ্গে বিডিও-র টানাপোড়েন শুরু হয়। ব্লক প্রশাসনের একাংশের সঙ্গে গোপন আঁতাত থাকার জন্যই ঠিকাদাররা প্রকল্প রূপায়ণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের সাহস পাচ্ছে বলে সভাপতি অভিযোগ তুলেছেন।
Advertisement
ইন্দপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শর্মিষ্ঠা বাউরি বলেন, এদিন বিডিও অফিসের সামনে কংক্রিটের রাস্তা তৈরি হচ্ছিল। ওই কাজ নিয়ম মেনে হচ্ছিল না। প্রকল্পটির ওয়ার্ক অর্ডার আমি জারি করেছিলাম। ফলে সেই অনুযায়ী পাথর, বালি যে আনা হয়নি, তা আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বুঝতে পারি। ঢালাইয়ের মশলা তৈরির সময় নিম্নমানের বালি ও পাথর ব্যবহার করা হয়। আপত্তি জানালেও কেউ আমার কথায় কর্ণপাত করেনি। ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদার আমার আপত্তি গ্রাহ্য করেননি। কাজ বন্ধের জন্য আমি চেয়ার পেতে রাস্তার মাঝে বসে পড়েছিলাম। ওইসময় ঠিকাদারের লোকজন আমার পায়ের উপর ঢালাইয়ের মশলা ঢেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। তা সত্ত্বেও আমি কাজ বন্ধ রাখি। পরে বিডিও গিয়ে ফের কাজ চালুর নির্দেশ দেন। ব্লক প্রশাসনের একাংশের সঙ্গে ঠিকদারের আঁতাত রয়েছে। তা না হলে তারা এদিন আমাকে হেনস্তা করার সাহস পেত না। বিষয়টি নিয়ে বাঁকুড়া জেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানাব।
ইন্দপুরের বিডিও সুমন্ত ভৌমিক বলেন, কাজের গুণগত মানের সঙ্গে আমরা আপস করি না। এদিন অফিসের সামনে রাস্তার নির্মাণকাজ চলার সময় ভারপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বালি সহ নির্মাণসামগ্রীর মান যাচাই করার ক্ষেত্রে উনিই উপযুক্ত ব্যক্তি। তাছাড়া কোনও কাজ নিম্নমানের প্রমাণিত হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সরকারের বদনাম হয় এমন কোনও কাজ আমরা বরদাস্ত করি না। ঠিকাদারের সঙ্গে প্রশাসনের আঁতাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন।
উল্লেখ্য, এর আগেও ইন্দপুর ব্লক একটা সময় সঙ্গে সভাপতির দ্বৈরথ নিয়ে জেলার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে চর্চা হয়। নিজের চেম্বারের বেহাল দশা নিয়ে সভাপতি ব্লক প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। চেম্বারের সিলিং ধসে পড়ায় তিনি এক কর্মাধ্যক্ষকে নিয়ে গাছতলায় বেঞ্চ পেতে অফিসিয়াল কাজকর্ম সারেন। বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয়। তারপরেও যে ওই পঞ্চায়ত সমিতির সভাপতি ও নির্বাহী সহায়ক তথা বিডিও-র মধ্যে সম্পর্কের শৈত্য কাটেনি তা এদিনের ঘটনা থেকে পরিষ্কার হয়েছে।
ইন্দপুরের বিডিও সুমন্ত ভৌমিক বলেন, কাজের গুণগত মানের সঙ্গে আমরা আপস করি না। এদিন অফিসের সামনে রাস্তার নির্মাণকাজ চলার সময় ভারপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বালি সহ নির্মাণসামগ্রীর মান যাচাই করার ক্ষেত্রে উনিই উপযুক্ত ব্যক্তি। তাছাড়া কোনও কাজ নিম্নমানের প্রমাণিত হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সরকারের বদনাম হয় এমন কোনও কাজ আমরা বরদাস্ত করি না। ঠিকাদারের সঙ্গে প্রশাসনের আঁতাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন।
উল্লেখ্য, এর আগেও ইন্দপুর ব্লক একটা সময় সঙ্গে সভাপতির দ্বৈরথ নিয়ে জেলার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে চর্চা হয়। নিজের চেম্বারের বেহাল দশা নিয়ে সভাপতি ব্লক প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। চেম্বারের সিলিং ধসে পড়ায় তিনি এক কর্মাধ্যক্ষকে নিয়ে গাছতলায় বেঞ্চ পেতে অফিসিয়াল কাজকর্ম সারেন। বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয়। তারপরেও যে ওই পঞ্চায়ত সমিতির সভাপতি ও নির্বাহী সহায়ক তথা বিডিও-র মধ্যে সম্পর্কের শৈত্য কাটেনি তা এদিনের ঘটনা থেকে পরিষ্কার হয়েছে।



