সংবাদদাতা, বাগডোগরা: হাতির লোকালয়ে প্রবেশ নিয়ে বার বার বনদপ্তর সতর্ক করলেও ভিন্নচিত্র উঠে এসেছে আপার বাগডোগরায়। সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের কমলপুর চা বাগানের সামনে রাজ্য সড়কের ধারে দীর্ঘদিন ধরে ফেলা হচ্ছে বর্জ্য। বাড়িতে রান্নায় ব্যবহারের পর শাক-সব্জির অবশিষ্ট অংশ থেকে অনুষ্ঠান বাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবার, প্লেট, প্লাস্টিক ফেলে দেওয়া হচ্ছে রাস্তার ধারে। আর সেই খাবারের লোভে চলে আসছে হাতি। সেখান থেকে পা রাখছে লোকালয়ে।
Advertisement
রাজ্য সড়কের দু’পাশে আছে চা বাগান। পাশেই বাগডোগরা বনাঞ্চল। একেই শীতের মরশুমে হাতির আনাগোনা লেগেই রয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। রসদের সন্ধানে জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে হাতি। মাঝেমধ্যে হাতি চলে আসায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী। চলতি সপ্তাহেই রাজগঞ্জ ব্লকের আমবাড়ির জঙ্গল থেকে বাগডোগরায় চলে আসে একটি দাঁতাল হাতি। সেই হাতিকে জঙ্গলে ফেরাতে কালঘাম ছুটেছিল বনদপ্তরের।
বাগডোগরা বনদপ্তরের দাবি, রাস্তার ধারে এভাবে বর্জ্য না ফেলে দেওয়ার ব্যাপারে সচেতন করা হচ্ছে জনগণকে। কারণ আবর্জনার মাঝে খাবারের সন্ধানে হাতি ঢুকে পড়ছে। বনবিভাগের বাগডোগরা অফিসের পাশে বেশকিছু জায়গা সম্প্রতি সাফাই করা হয়েছে। এখন দেখা যাচ্ছে আপার বাগডোগরার কমলপুর চা বাগানের সামনে রাস্তার ধারে বর্জ্যের স্তূপ জমেছে। বর্জ্য না ফেলার জন্য সেখানে বোর্ডও লাগানো হয়েছে। তারপরেও উপেক্ষা করে প্রতিদিনই লোকজন আবর্জনা ফেলছে।
উত্তম পাল নামের এক বাসিন্দা বলেন, প্রশাসনকে এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে, বর্জ্য ফেলায় হাতি গ্রামে চলে আসার বিষয়টি জানাতে হবে। এ ব্যাপারে বাগডোগরার রেঞ্জার সোনম ভুটিয়া জানান, বার বার মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। কিন্তু কেউ সচেতন হচ্ছেন না। আবর্জনার দিকে আকৃষ্ট হয়েই হাতি জঙ্গল ছেড়ে এদিকে চলে আসছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকেও পদক্ষেপ করা উচিত।
এ ব্যাপারে আপার বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সঞ্জীব সিনহা বলেন, বহুবার সাফাই করার পরেও লোকজন বর্জ্য ফেলছে। বনবিভাগের সঙ্গে বৈঠক করে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে।
বাগডোগরা বনদপ্তরের দাবি, রাস্তার ধারে এভাবে বর্জ্য না ফেলে দেওয়ার ব্যাপারে সচেতন করা হচ্ছে জনগণকে। কারণ আবর্জনার মাঝে খাবারের সন্ধানে হাতি ঢুকে পড়ছে। বনবিভাগের বাগডোগরা অফিসের পাশে বেশকিছু জায়গা সম্প্রতি সাফাই করা হয়েছে। এখন দেখা যাচ্ছে আপার বাগডোগরার কমলপুর চা বাগানের সামনে রাস্তার ধারে বর্জ্যের স্তূপ জমেছে। বর্জ্য না ফেলার জন্য সেখানে বোর্ডও লাগানো হয়েছে। তারপরেও উপেক্ষা করে প্রতিদিনই লোকজন আবর্জনা ফেলছে।
উত্তম পাল নামের এক বাসিন্দা বলেন, প্রশাসনকে এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে, বর্জ্য ফেলায় হাতি গ্রামে চলে আসার বিষয়টি জানাতে হবে। এ ব্যাপারে বাগডোগরার রেঞ্জার সোনম ভুটিয়া জানান, বার বার মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। কিন্তু কেউ সচেতন হচ্ছেন না। আবর্জনার দিকে আকৃষ্ট হয়েই হাতি জঙ্গল ছেড়ে এদিকে চলে আসছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকেও পদক্ষেপ করা উচিত।
এ ব্যাপারে আপার বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সঞ্জীব সিনহা বলেন, বহুবার সাফাই করার পরেও লোকজন বর্জ্য ফেলছে। বনবিভাগের সঙ্গে বৈঠক করে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে।



