সংবাদদাতা বেলদা: দাঁতন ২ ব্লকের একাধিক রাস্তার বেহাল অবস্থা। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি রাস্তা তৈরির কাজ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। সোমবার সেই সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দাঁতন ২ ব্লকের একাধিক এলাকায় পরিদর্শনে গেলেন জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নির্মল ঘোষ। সঙ্গে ছিলেন জেলা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ তপন প্রধান ও দাঁতন ২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ইফতেখার আলি সহ পূর্তদপ্তরের আধিকারিকরা।
Advertisement
সম্প্রতি দাঁতন ব্লকের ধনেশ্বরপুর থেকে জেনকাপুর পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার রাস্তার জন্য রাজ্যের পক্ষ থেকে বরাদ্দ করা হয়েছে ১৪ কোটি টাকা।
শীঘ্রই টেন্ডার ডেকে এই রাস্তার কাজ শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি ব্লকের বাস্তুপুর থেকে বেতারুই পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়েছিল। বারবার এলাকার বাসিন্দারা প্রশাসনের কাছে এই রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি তিন কোটি টাকা ব্যয়ে সেই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়। কিন্তু সেই রাস্তার নির্মাণ কাজ নিয়ে জেলা পরিষদের কাছে অভিযোগ জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এই রাস্তায় যেভাবে পিচ অর্থাৎ বিটুমিনাস দেওয়া হচ্ছে, তা যথেষ্ট কম। ফলে সদ্য নির্মিত রাস্তাও দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে। পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সোমবার সেই রাস্তার কাজ খতিয়ে দেখে বলেন, রাস্তাটি নির্মাণ নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ আসছিল। তাই সরেজমিনে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এসেছিলাম। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে বিষয়টি দ্রুত সমাধান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নারায়ণগড় ব্লকের খাকুড়দা থেকে রানিসরাই পর্যন্ত যে ১৪ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে, তা অত্যন্ত নিম্নমানের। যে ঠিকাদার সংস্থা এই কাজটি করছে, শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিন খাকুড়দা থেকে কেদার যাওয়ার পথে জেলা পরিষদের একটি রাস্তা সোজা করার বিষয়েও পরিদর্শন করেন জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ ও বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ। পরিদর্শন শেষে এই রাস্তাটি সোজা করার বিষয় জেলা পরিষদে পূর্তদপ্তরকে রিপোর্ট পেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ভূমি কর্মাধ্যক্ষ।
প্রায় ১০১ কোটি ব্যয়ে নির্মাণ হচ্ছে জাহালদা থেকে বেলদা পর্যন্ত রাস্তা। পরিদর্শক দলটি এদিন কথা বলেন উপস্থিত পূর্তদপ্তরের আধিকারিক শিবু বিশ্বাসের সঙ্গে। সেপ্টেম্বর মাসে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও এই রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ সম্পূর্ণ করে উঠতে পারেনি পূর্তদপ্তর। এদিন সে বিষয়ে দপ্তরের আধিকারিকের সাথে কথা হয়। আগামী বছরে মার্চ মাসের মধ্যে এই রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পূর্তদপ্তরের আধিকারিক।
শীঘ্রই টেন্ডার ডেকে এই রাস্তার কাজ শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি ব্লকের বাস্তুপুর থেকে বেতারুই পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়েছিল। বারবার এলাকার বাসিন্দারা প্রশাসনের কাছে এই রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি তিন কোটি টাকা ব্যয়ে সেই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়। কিন্তু সেই রাস্তার নির্মাণ কাজ নিয়ে জেলা পরিষদের কাছে অভিযোগ জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এই রাস্তায় যেভাবে পিচ অর্থাৎ বিটুমিনাস দেওয়া হচ্ছে, তা যথেষ্ট কম। ফলে সদ্য নির্মিত রাস্তাও দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে। পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সোমবার সেই রাস্তার কাজ খতিয়ে দেখে বলেন, রাস্তাটি নির্মাণ নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ আসছিল। তাই সরেজমিনে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এসেছিলাম। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে বিষয়টি দ্রুত সমাধান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নারায়ণগড় ব্লকের খাকুড়দা থেকে রানিসরাই পর্যন্ত যে ১৪ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে, তা অত্যন্ত নিম্নমানের। যে ঠিকাদার সংস্থা এই কাজটি করছে, শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিন খাকুড়দা থেকে কেদার যাওয়ার পথে জেলা পরিষদের একটি রাস্তা সোজা করার বিষয়েও পরিদর্শন করেন জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ ও বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ। পরিদর্শন শেষে এই রাস্তাটি সোজা করার বিষয় জেলা পরিষদে পূর্তদপ্তরকে রিপোর্ট পেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ভূমি কর্মাধ্যক্ষ।
প্রায় ১০১ কোটি ব্যয়ে নির্মাণ হচ্ছে জাহালদা থেকে বেলদা পর্যন্ত রাস্তা। পরিদর্শক দলটি এদিন কথা বলেন উপস্থিত পূর্তদপ্তরের আধিকারিক শিবু বিশ্বাসের সঙ্গে। সেপ্টেম্বর মাসে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও এই রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ সম্পূর্ণ করে উঠতে পারেনি পূর্তদপ্তর। এদিন সে বিষয়ে দপ্তরের আধিকারিকের সাথে কথা হয়। আগামী বছরে মার্চ মাসের মধ্যে এই রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পূর্তদপ্তরের আধিকারিক।



