সংবাদদাতা,মেদিনীপুর: মেদিনীপুর শহরের জুগনুতলা থেকে আগুনভাঙা চক, পাটনানবাজার কাঠগোলা হয়ে বক্সিবাজার গড়ান পর্যন্ত রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে গিয়েছে। ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে পথ চলতে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে স্থানীয় বসিন্দা ও পথচলিত মানুষকে। ভাঙাচোরা রাস্তার ধারে আবার স্তুপীকৃত আবর্জনা। ভেঙে পড়েছে নিকাশি ব্যবস্থাও। বাসিন্দারা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা সংস্কারের কোনও উদ্যোগই নিচ্ছে না পুরসভা। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ক্রমশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। স্কুল, কলেজের ছাত্র ছাত্রী থেকে শুরু করে পথচারীদের প্রতিনিয়ত সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
Advertisement
এই রাস্তাটি পুরসভার ১৯, ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। তবে বেশিরভাগ অংশটাই ১৯ নম্বরে। শহরের বাসিন্দারা ছাড়াও কাঁসাই নদী পার হয়ে গ্রামাঞ্চলের একটা বড় অংশের বাসিন্দারাও এই পথ ধরে শহরে যাতায়াত করেন। বিভিন্ন কাজে তাদের প্রতিদিনই শহরে আসতে হয়। এমনকী ওই সব এলাকা থেকে শহরের স্কুলে পড়ুয়াদের এই পথ দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীকেও এই পথ ধরেই আসতে হয়। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে বাসিন্দাদের।
রাস্তার বেশির ভাগ অংশই ভেঙে গিয়েছে। পিচ উঠে চারদিকে চিপস ছড়িয়ে আছে। মাঝে মাঝে গর্ত হয়ে গিয়েছে। অনেক জায়গায় রাস্তার পরিসরও ছোট হয়ে গিয়েছে। মাঝে মধ্যে জখমও হতে হচ্ছে পথারীদের। পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, দ্রুত এই রাস্তা সংস্কার করা হবে। পুরসভা সূত্রে খবর অর্থ বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে। যেখানে যেমন প্রয়োজন সেইমতো রাস্তা সংস্কার করা হবে।
১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার তথা শহর সভাপতি বিশ্বনাথ পাণ্ডব বলেন, এই রাস্তায় এখন আম্রুত প্রকল্পের জলের সংযোগের কাজ হচ্ছে। এরজন্য রাস্তা কাটতে হচ্ছে। তার উপর এই রাস্তা দিয়ে বহু মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী বিভিন্ন স্কুলে পরীক্ষা দিতে যায়। তাই এখনই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। পরীক্ষা শেষ হলেই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হবে।
২১ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলার মহম্মদ সইফুল বলেন, এটা তিনটি ওয়ার্ডের রাস্তা। নর্দমা ও রাস্তা নির্মাণের জন্য পুরসভায় প্রস্তাব দেওয়া আছে। যেহেতু তিনটি ওয়ার্ডের রাস্তা তাই কেন্দ্রীয় ফান্ড থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে। এবার কবে কাজ হবে তা চেয়ারম্যানই বলতে পারবেন।
রাস্তার বেশির ভাগ অংশই ভেঙে গিয়েছে। পিচ উঠে চারদিকে চিপস ছড়িয়ে আছে। মাঝে মাঝে গর্ত হয়ে গিয়েছে। অনেক জায়গায় রাস্তার পরিসরও ছোট হয়ে গিয়েছে। মাঝে মধ্যে জখমও হতে হচ্ছে পথারীদের। পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, দ্রুত এই রাস্তা সংস্কার করা হবে। পুরসভা সূত্রে খবর অর্থ বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে। যেখানে যেমন প্রয়োজন সেইমতো রাস্তা সংস্কার করা হবে।
১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার তথা শহর সভাপতি বিশ্বনাথ পাণ্ডব বলেন, এই রাস্তায় এখন আম্রুত প্রকল্পের জলের সংযোগের কাজ হচ্ছে। এরজন্য রাস্তা কাটতে হচ্ছে। তার উপর এই রাস্তা দিয়ে বহু মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী বিভিন্ন স্কুলে পরীক্ষা দিতে যায়। তাই এখনই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। পরীক্ষা শেষ হলেই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হবে।
২১ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলার মহম্মদ সইফুল বলেন, এটা তিনটি ওয়ার্ডের রাস্তা। নর্দমা ও রাস্তা নির্মাণের জন্য পুরসভায় প্রস্তাব দেওয়া আছে। যেহেতু তিনটি ওয়ার্ডের রাস্তা তাই কেন্দ্রীয় ফান্ড থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে। এবার কবে কাজ হবে তা চেয়ারম্যানই বলতে পারবেন।



