সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: ধানকাটার মরশুম শুরু হতেই গ্রামীণ পাকা রাস্তাগুলির ধারে শুকোতে দেওয়া হচ্ছে ধান, খড় সহ ফসলের অংশ। বিভিন্ন রাস্তায় ফসল শুকোতে দেওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন চালক সহ পথচারীরা। কালিয়াগঞ্জ ব্লকের মালগা, সাহেবঘাটা, ডালিমগাঁও, দরিমানপুর, তুড়িবন, রাধিকাপুর, হেমতাবাদ ব্লকের নওদা, কলুয়া, রসনপুর গ্রামে একই চিত্র। রাস্তায় শুকোতে দেওয়া ফসলে চাকা স্লিপ করে দুর্ঘটনায় এক আধিকারিকেরও মৃত্যু হয়েছে কয়েকবছর আগে। তবুও মানুষ সচেতন হননি। বরং রাস্তায় ফসল শুকোতে দেওয়ার প্রবণতা আরও বেড়েছে। যদিও বিষয়টির উপর নজর রাখছে কালিয়াগঞ্জ থানা। সেখানকার ট্রাফিক ওসি বিপুল দত্তের কথায়, গ্রামের রাস্তায় ফসল শুকোনোর বিষয়টি আমারও নজরে এসেছে। আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। বাসিন্দাদেরও এবিষয়ে সচেতন হতে হবে।
Advertisement
কালিয়াগঞ্জের বাসিন্দা জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ নিতাই বৈশ্যও বলেন, গ্রামে রাস্তা দখল করে ফসল শুকোতে দেখলেই প্রতিবাদ করি। রাস্তা পরিষ্কারও করিয়েছি। সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে।
অভিযোগ, প্রায়দিনই ছোটবড় দুর্ঘটনার পাশাপাশি কৃষকদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা ও গাড়িচালকদের বিবাদ হচ্ছে রাস্তায় ফসল রাখা নিয়ে। রাস্তায় বিছিয়ে রাখা খড় ও ধানের মধ্যে দিয়ে অটো, টোটো, ছোট গাড়ি চালাতে সমস্যা হচ্ছে। টোটোচালক সুবীর বর্মন বলেন, রাস্তায় কোথাও বড় গর্ত থাকলে বোঝা যায় না। ফলে টোটো উল্টে যায়।
অভিযোগ, প্রায়দিনই ছোটবড় দুর্ঘটনার পাশাপাশি কৃষকদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা ও গাড়িচালকদের বিবাদ হচ্ছে রাস্তায় ফসল রাখা নিয়ে। রাস্তায় বিছিয়ে রাখা খড় ও ধানের মধ্যে দিয়ে অটো, টোটো, ছোট গাড়ি চালাতে সমস্যা হচ্ছে। টোটোচালক সুবীর বর্মন বলেন, রাস্তায় কোথাও বড় গর্ত থাকলে বোঝা যায় না। ফলে টোটো উল্টে যায়।



