নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: বুধবার দুপুরে পানাগড়ে পরিত্যক্ত গাড়িতে খেলার সময়ে চার শিশুর অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঝলসে যাওয়ার ঘটনায় গাড়ি নিয়ে রহস্য বেড়েই চলেছে। ঘটনার চারদিন পরও পুলিস গাড়িটি কার তা জানতে পারল না। কীভাবে গাড়িটি জনবহুল রাইসমিলের রাস্তায় এল তার খোঁজ মিলছে না। গাড়িতে আগুনে পুড়ে যাওয়া চার শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ এখনও কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে পরিত্যক্ত গাড়ির কারবারের উপর লাগাম টানতে চাইছে পুলিস ও প্রশাসন।
Advertisement
পানাগড়ে বড় কাবাড়িপট্টি রয়েছে। যেখানে পুরনো গাড়ি কাটিংয়ের কারবার করেন বহু ব্যবসায়ী। আগে একটি নির্দিষ্ট এলাকায় এই কারবার হলেও এখন সর্বত্রই ঝুঁকিপূর্ণ এই কারবার চলছে। এবার রাশ টানা শুরু হচ্ছে। ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে এবার রাস্তা ও জনবহুল এলাকা থেকে এই কারবার গুটিয়ে নেওয়ার নির্দেশ জারি হতে চলেছে। পুলিসের পক্ষ থেকেও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে পুরো বিষয়টিকে একটি নিয়মে বাঁধার চেষ্টা হচ্ছে। কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভবানী ভট্টাচার্য বলেন, শিশুদের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। বিডিওর সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা জনবসতি এলাকা ও রাস্তার উপর যত্রতত্র এই গাড়ি কাটিং, পরিত্যক্ত গাড়ি ফেলে রাখতে দেব না। ব্লক প্রশাসন পদক্ষেপ নেবে। ডিসি অভিষেক গুপ্তা বলেন, আমরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করব। পুরো বিষয়টি নিয়েই তদন্ত করা হচ্ছে।
বুধবার দুপুরে একটি পরিত্যক্ত গাড়ির ভিতর খেলার সময় আচমকা আগুন লেগে যায়। গাড়ির ভিতরই দগ্ধ হয়ে যায় চার শিশু। বন্ধ গাড়িতে আগুনে দীর্ঘক্ষণ পোড়ার ফলে চার শিশুর অবস্থা উদ্বেগজনক ছিল। তাদের মধ্যে দু’জনকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ও দু’জন দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। চারদিন হয়ে গেলেও শিশুরা হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবার, আত্মীয়-পরিজন ও প্রতিবেশীরা। এলাকাবাসীর দাবি, যত্রতত্র গাড়ি ফেলে রাখা হয়। শিশুদের গাড়িতে খেলার প্রতি বাড়তি আগ্রহ থাকে। তাই খেলনা গাড়ির বদলে পরিত্যক্ত গাড়িতেই খেলতে শুরু করে। ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটলেও এত বড় ঘটনা ঘটেনি। যেভাবে কোনও নিরাপত্তা ছাড়াই পুরনো গাড়িগুলি ফেলে রাখা হয় তাতে আরও বড় ঘটনাও ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
সেই উদ্বেগ আরও বেড়েছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ির মালিকের হদিশ না মেলায়। যার জমিতে গাড়িটি পড়েছিল তার হদিশ পাওয়া গেলেও গাড়ি মালিক অধরাই। কী উদ্দেশ্যে গাড়িটি ফেলে দিয়ে যাওয়া হল সেই প্রশ্ন উঠছে। কোনও নথিপত্র ছাড়া যত্রতত্র রেখে কোটি কোটি টাকার গাড়ি কাটিংয়ের কারবার কীভাবে চলছে সেই প্রশ্নও তুলছেন এলাকার মানুষ।
এলাকার বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কারবারে মুনাফা অনেক। তাই কারবার বাড়ছে। চাষিদের জমি লিজে নিয়ে জনবহুল এলাকাতেও গ্যাসকাটার দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি কাটা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সংকীর্ণ রাস্তায় এই কারবার চলছে। কোথাও আবার বড় রাস্তায় গাড়ির যন্ত্রাংশ রেখে সংকীর্ণ করে দেওয়া হচ্ছে। বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটলে দমকলের গাড়ি ঢুকবে না।
বুধবার দুপুরে একটি পরিত্যক্ত গাড়ির ভিতর খেলার সময় আচমকা আগুন লেগে যায়। গাড়ির ভিতরই দগ্ধ হয়ে যায় চার শিশু। বন্ধ গাড়িতে আগুনে দীর্ঘক্ষণ পোড়ার ফলে চার শিশুর অবস্থা উদ্বেগজনক ছিল। তাদের মধ্যে দু’জনকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ও দু’জন দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। চারদিন হয়ে গেলেও শিশুরা হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবার, আত্মীয়-পরিজন ও প্রতিবেশীরা। এলাকাবাসীর দাবি, যত্রতত্র গাড়ি ফেলে রাখা হয়। শিশুদের গাড়িতে খেলার প্রতি বাড়তি আগ্রহ থাকে। তাই খেলনা গাড়ির বদলে পরিত্যক্ত গাড়িতেই খেলতে শুরু করে। ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটলেও এত বড় ঘটনা ঘটেনি। যেভাবে কোনও নিরাপত্তা ছাড়াই পুরনো গাড়িগুলি ফেলে রাখা হয় তাতে আরও বড় ঘটনাও ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
সেই উদ্বেগ আরও বেড়েছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ির মালিকের হদিশ না মেলায়। যার জমিতে গাড়িটি পড়েছিল তার হদিশ পাওয়া গেলেও গাড়ি মালিক অধরাই। কী উদ্দেশ্যে গাড়িটি ফেলে দিয়ে যাওয়া হল সেই প্রশ্ন উঠছে। কোনও নথিপত্র ছাড়া যত্রতত্র রেখে কোটি কোটি টাকার গাড়ি কাটিংয়ের কারবার কীভাবে চলছে সেই প্রশ্নও তুলছেন এলাকার মানুষ।
এলাকার বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কারবারে মুনাফা অনেক। তাই কারবার বাড়ছে। চাষিদের জমি লিজে নিয়ে জনবহুল এলাকাতেও গ্যাসকাটার দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি কাটা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সংকীর্ণ রাস্তায় এই কারবার চলছে। কোথাও আবার বড় রাস্তায় গাড়ির যন্ত্রাংশ রেখে সংকীর্ণ করে দেওয়া হচ্ছে। বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটলে দমকলের গাড়ি ঢুকবে না।



