Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রাস্তা নেই, দাঁড়িয়ে দু’টি কালভার্ট, ফসল নিয়ে ভোগান্তি চাষিদের

রাস্তা নেই, দাঁড়িয়ে দু’টি কালভার্ট, ফসল নিয়ে ভোগান্তি চাষিদের
  • ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, মানিকচক: মানিকচকের বাঙালগ্রামে শতাধিক চাষিদের সুবিধার্থে শুরু হওয়া রাস্তার কাজ আজও শেষ হল না। আটবছর ধরে জমির মাঝে ফাঁকা মাঠে আজও দাঁড়িয়ে রয়েছে দুটি কালভার্ট। হয়নি সংযোগকারী রাস্তা। চরম ভোগান্তির মধ্যেই অন্যের জমির উপর দিয়ে ফসল ঘরে আনতে হচ্ছে চাষিদের। মানিকচকের এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাঙালগ্রামের প্রতিটি পরিবারই কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। এনায়েতপুর অঞ্চলের বাসিন্দারাও এই গ্রামের জমিতে চাষাবাদ করেন। এলাকায় চারশো বিঘারও বেশি চাষের জমি রয়েছে। যার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন শতাধিক চাষি। জমির ফসল ঘরে আনার জন্য কোনও রাস্তা না থাকায় সমস্যায় পড়তে হয় চাষিদের। স্থানীয়রা জানান, ২০১৬ সালে মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতি রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নেয়। চাষিদের কাছ থেকে কিছুটা করে জমি নিয়ে রাস্তা ও কালভার্টের কাজ শুরু হয়। প্রায় আট লক্ষে দুটি কালভার্ট তৈরি হয়। তবে কালভার্টই সার। রাস্তা আর হয়নি। প্রশাসনের উদাসীনতাতেই আর কাজ এগয়নি বলে দাবি  স্থানীয় চাষিদের। এনায়েতপুরের বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন বলেন, কালভার্ট হওয়ায় আমরা রাস্তার আশা করেছিলাম। কিন্তু এত বছরেও না হওয়ায় আমরা হাল ছেড়ে দিয়েছি। কালভার্টের সংযোগকারী রাস্তাও হয়নি। বর্ষায় একবুক জল পেরিয়ে ফসল ঘরে আনতে হয়। 
Advertisement
এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তপতী মজুমদারের বক্তব্য, সিপিএম পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতি কোনওরকম পরিকল্পনা ছাড়াই কালভার্টটি করেছে। রাস্তায় মাটি ফেলা হয়নি। 
একশো দিনের কাজের মাধ্যমে রাস্তাটি করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। যদিও বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন,আমি বিষয়টি শুনেছি, কয়েকবছর আগে একশো দিনের প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ ধরা হয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার একশো দিনের কাজ বন্ধ করে দেওয়ায় রাস্তার কাজ করা সম্ভব হয়নি। তবে আগামীতে রাস্তার কাজটি সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়ক। 
সম্পর্কিত সংবাদ