নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: অপরাধ দমনে বীরভূম জেলা পুলিস এবার বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে। বাংলা-ঝাড়খণ্ড আন্তঃরাজ্য সীমানায় নজরদারি বাড়াতে অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্য নেওয়া হবে। সীমানা এলাকায় এবার যানবাহনের উপর নজরদারি চালাতে এএনপিআর(অটোমেটিক নম্বর প্লেট রিডার) বসতে চলেছে। ইতিমধ্যে জেলা পুলিসের তরফে অত্যাধুনিক এই যন্ত্রের ট্রায়াল রান শুরু হয়েছে। ট্রায়াল রান সফল হলেই প্রথম ধাপে ঝাড়খণ্ড সীমানায় তা বসানো হবে। এছাড়াও পৃথক দু’টি আন্তঃজেলা সীমানাতেও অত্যাধুনিক ওই যন্ত্রের ব্যবহার করা হবে। পুলিস কর্তাদের আশা, এই অত্যাধুনিক যন্ত্রের ব্যবহারে অপরাধমূলক কাজে সহজেই রাশ টানা সম্ভব হবে।
Advertisement
এএনপিআর মূলত নির্দিষ্ট এলাকা দিয়ে চলাচল করা যানবাহনের নম্বর ক্যামেরার মাধ্যমে সহজেই সংগ্রহ করতে সক্ষম। সেই তথ্য যন্ত্রে সুরক্ষিত থাকে। সেক্ষেত্রে চোরাচালানের কাজে কোনও গাড়ি জড়িত থাকার খবর থাকলে পুলিস দ্রুত সেটিকে বাগে আনতে পারবে। এছাড়াও ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই যন্ত্র বিশেষ সহায়ক হবে। জেলা পুলিসের তরফে একটি এএনপিআর বসানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সেটি দিয়েই ট্রায়াল চলছে। ট্রায়াল পর্বে আশানুরূপ ফলও মিলছে। যদিও পুলিসকর্তাদের বক্তব্য, সফল ট্রায়াল রান শেষেই তা আগামীতে অন্যত্র বসানো হবে। সেক্ষেত্রে অবশ্য প্রাথমিকভাবে ঝাড়খণ্ড সীমানা পুলিসের নজরে রয়েছে।
ভৌগোলিক অবস্থানের নিরিখে বীরভূম জেলার চতুর্দিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই। এই জেলার তিনদিকে রাজ্যের মুর্শিদাবাদ সহ পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা রয়েছে। জেলার পশ্চিমে বেশ কিছুটা এলাকাজুড়ে প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের অবস্থান। সেই আন্তঃরাজ্য সীমানা পুলিসের মাথাব্যথার কারণ। একসময় বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানা মাওবাদীদের মুক্তাঞ্চল হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিল। সেখানে মাওবাদীদের তরফে একাধিক নাশকতার ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে পুলিসের কড়া নজরদারি রয়েছে। যদিও বিস্তীর্ণ ওই সীমানা দিয়ে কয়লা থেকে শুরু করে গোরু, বালি, আগ্নেয়াস্ত্র সহ মাদক পাচারের কাজ চলে বলে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠেছে। সেক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় পাচারকারীরা জঙ্গল লাগোয়া সীমানা এলাকা বেছে নিচ্ছে। সম্প্রতি রাজনগর থানার পুলিস এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। জঙ্গল লাগয়ো এলাকা হয়ে চোলাই নিয়ে সে সীমানা পার করেছিল। জেলা পুলিসের তরফে আগেই আন্তঃরাজ্য সীমানায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জেলাজুড়ে পুলিসের তরফে সারপ্রাইজ নাকা চেকিংও শুরু করা হয়েছে। এবার সীমানা এলাকায় নিরাপত্তা আরও সুনিশ্চিত করতে এএনপিআরের সাহায্য নেওয়া হবে।
জেলার পুলিস সুপার আমনদীপ বলেন, জেলায় ট্রায়াল রান চলছে। এরপর তা ঝাড়খণ্ড সীমানা এলাকা সহ জেলার সীমানা এলাকাতেও বসানো হবে।
ভৌগোলিক অবস্থানের নিরিখে বীরভূম জেলার চতুর্দিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই। এই জেলার তিনদিকে রাজ্যের মুর্শিদাবাদ সহ পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা রয়েছে। জেলার পশ্চিমে বেশ কিছুটা এলাকাজুড়ে প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের অবস্থান। সেই আন্তঃরাজ্য সীমানা পুলিসের মাথাব্যথার কারণ। একসময় বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানা মাওবাদীদের মুক্তাঞ্চল হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিল। সেখানে মাওবাদীদের তরফে একাধিক নাশকতার ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে পুলিসের কড়া নজরদারি রয়েছে। যদিও বিস্তীর্ণ ওই সীমানা দিয়ে কয়লা থেকে শুরু করে গোরু, বালি, আগ্নেয়াস্ত্র সহ মাদক পাচারের কাজ চলে বলে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠেছে। সেক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় পাচারকারীরা জঙ্গল লাগোয়া সীমানা এলাকা বেছে নিচ্ছে। সম্প্রতি রাজনগর থানার পুলিস এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। জঙ্গল লাগয়ো এলাকা হয়ে চোলাই নিয়ে সে সীমানা পার করেছিল। জেলা পুলিসের তরফে আগেই আন্তঃরাজ্য সীমানায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জেলাজুড়ে পুলিসের তরফে সারপ্রাইজ নাকা চেকিংও শুরু করা হয়েছে। এবার সীমানা এলাকায় নিরাপত্তা আরও সুনিশ্চিত করতে এএনপিআরের সাহায্য নেওয়া হবে।
জেলার পুলিস সুপার আমনদীপ বলেন, জেলায় ট্রায়াল রান চলছে। এরপর তা ঝাড়খণ্ড সীমানা এলাকা সহ জেলার সীমানা এলাকাতেও বসানো হবে।



