সংবাদদাতা, পতিরাম: সরস্বতী পুজোর দিন ঝামেলা থেকে পরিবারের সদস্যদের বাঁচাতে গিয়ে মার খেতে হল বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ীর আপ্তসহায়ক তথা বিজেপি নেতা অমিত খটিককে। তাঁকে বেধড়ক মারধর করে একদল যুবক। অভিযুক্তরা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য বলে অভিযোগ। সোমবার রাতে পুজো দেখে বাড়ি ফিরছিলেন অমিতবাবুর পরিবারের লোকজন। অভিযোগ, সেই সময় বালুরঘাটের বিশ্বাসপাড়া রেনেসাঁ ক্লাবের কাছেই একদল যুবক তাঁর বোনকে কটূক্তি করে। বোনজামাই কটূক্তির প্রতিবাদ করলে ওই যুবকরা তাদের মারধর করে। বিজেপি নেতা তথা বিধায়কের আপ্ত সহায়ক ঘটনাস্থলে এলে তাঁকেও মারধর করে ওই যুবকরা। গুরুতর জখম অমিতবাবুকে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছন বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাস। জখম নেতাকে দেখতে বালুরঘাট হাসপাতালে পৌঁছে যান বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ অন্যরা। যদিও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
Advertisement
এবিষয়ে বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ীর আপ্তসহায়ক অমিত খটিক বলেন, সোমবার রাতে আমার ভাই, বোন এবং জামাইকে মারধর করা হচ্ছিল। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সেই সময় একদল কলেজ পড়ুয়া আমাকে মারধর করে। জখমের বোন পায়েল খটিক থানায় অভিযোগ দায়ের করে বলেন, আমরা বাড়ি ফিরছিলাম। সেই সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে একদল যুবক আমাকে কটুক্তি করে। প্রতিবাদ করলে আমাদের মারধর করতে আসে। দাদা এলে তাকেও মারধর করে। আমরা সবাই হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছি।
হাসপাতালে নেতাকে দেখতে এসে বিজেপি জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, জেলায় লোকসভা ভোটে পরাজয়ের পর থেকে অসহায় হয়ে সন্ত্রাস করছে তৃণমূল। বিধায়কের আপ্তসহায়ককে মারধর করা হয়েছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিস অবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।
এব্যাপারে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি অমরনাথ ঘোষ বলেন, এই ঘটনায় সংগঠনর কোনও যোগ নেই। এটা ওদের পারিবারিক ব্যাপার। গণ্ডগোল ওই বিজেপি নেতার পাড়াতেই হয়েছে। হতে পারে এটা বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল। সোমবার রাতে শহরের নানা জায়গায় ছোটবড় ঝামেলা বাধে। সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে মদ্যপদের অত্যাচার ছিল। তার সঙ্গে নানা জায়গায় গণ্ডগোল হয়। মঙ্গলবার দুপুরে বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
হাসপাতালে নেতাকে দেখতে এসে বিজেপি জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, জেলায় লোকসভা ভোটে পরাজয়ের পর থেকে অসহায় হয়ে সন্ত্রাস করছে তৃণমূল। বিধায়কের আপ্তসহায়ককে মারধর করা হয়েছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিস অবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।
এব্যাপারে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি অমরনাথ ঘোষ বলেন, এই ঘটনায় সংগঠনর কোনও যোগ নেই। এটা ওদের পারিবারিক ব্যাপার। গণ্ডগোল ওই বিজেপি নেতার পাড়াতেই হয়েছে। হতে পারে এটা বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল। সোমবার রাতে শহরের নানা জায়গায় ছোটবড় ঝামেলা বাধে। সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে মদ্যপদের অত্যাচার ছিল। তার সঙ্গে নানা জায়গায় গণ্ডগোল হয়। মঙ্গলবার দুপুরে বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।



