সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কোচবিহার রাসমেলা। আর রাসমেলা মানেই জিলিপির সম্ভার। ২০০ বছরের পুরানো রাসমেলায় এসে ভেটাগুড়ির বিখ্যাত জিলিপি মুখে তোলেননি, এমন মানুষ নেই বললে চলে। আমজনতা থেকে প্রশাসনিক কর্তা, জনপ্রতিনিধিরা মুখিয়ে থাকেন মুচমুচে জিলিপি খেতে। সেই সাধ পূরণ হবে এবারও।
Advertisement
ভেটাগুড়ির জিলিপি,বাবুরহাটের জিলিপি, পুণ্ডিবাড়ির জিলিপি, দেওয়ানহাটের জিলিপি একে অপরকে টক্কর দেয়। এবছরও চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন ভেটাগুড়ির জিলিপির ব্যবসায়ীরা। এবছরও মেলায় ১৪টি উনুনে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জিলিপি ভাজা হবে। ৪০জন কর্মী দোকানে থাকবেন। মাটি, ইট, লোহার রড দিয়ে উনুনগুলি তৈরির কাজও প্রায় শেষ। প্রাক্তন মন্ত্রী ও কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, রাসমেলার বিখ্যাত খাবার ভেটাগুরির জিলিপি। মেলায় যাব আর জিলিপি খাব না, তাই হয় নাকি। চিকিৎসকরা যাই বলুন, মেলায় গিয়ে সব জিলিপির নমুনাই চেখে দেখি। এবারও ব্যাতিক্রম হবে না।
মেলার আসা দর্শনার্থীদের কাছে ভেটাগুড়ির জিলিপির বিশেষ কদর আছে। সেজন্য রীতিমত লাইন দিয়ে দাঁড়ানোর পর মেলে সেই মুচমুচে রসালো জিলিপি। মেলার শুরুতে প্রতিদিন ৮/৯ কুইন্টাল জিলিপি বিক্রি হলেও শেষের দিকে প্রতিদিন ২৫/২৭ কুইন্টাল পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
কয়েকপুরুষ ধরে বিশেষ রেসিপিতে তৈরি জিলিপির দোকান করে আসছেন ভেটাগুড়ির নন্দী পরিবার। এখন পরিবারের সদস্যরা সবাই অন্য পেশায় থাকলেও বংশ পরম্পরায় চলে আসা সেই রীতিকে ধরে রাসমেলায় জিলিপির দোকান দিয়েছেন নন্দী পরিবারের সদস্যরা।
জিলিপি ব্যবসায়ী অসিত নন্দী বলেন, অন্য বছরের থেকে এবছর মেলা আরও বড় আকারে হচ্ছে। আশা করছি, এবার চাহিদা আরও বাড়বে। সেজন্য আগে থেকে সব প্রস্তুতি সেরেছি। উনুনের সংখ্যা বাড়ানো হয়নি। তবে প্রয়োজন হলে সে ব্যবস্থা করে রাখা হবে।
মেলার আসা দর্শনার্থীদের কাছে ভেটাগুড়ির জিলিপির বিশেষ কদর আছে। সেজন্য রীতিমত লাইন দিয়ে দাঁড়ানোর পর মেলে সেই মুচমুচে রসালো জিলিপি। মেলার শুরুতে প্রতিদিন ৮/৯ কুইন্টাল জিলিপি বিক্রি হলেও শেষের দিকে প্রতিদিন ২৫/২৭ কুইন্টাল পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
কয়েকপুরুষ ধরে বিশেষ রেসিপিতে তৈরি জিলিপির দোকান করে আসছেন ভেটাগুড়ির নন্দী পরিবার। এখন পরিবারের সদস্যরা সবাই অন্য পেশায় থাকলেও বংশ পরম্পরায় চলে আসা সেই রীতিকে ধরে রাসমেলায় জিলিপির দোকান দিয়েছেন নন্দী পরিবারের সদস্যরা।
জিলিপি ব্যবসায়ী অসিত নন্দী বলেন, অন্য বছরের থেকে এবছর মেলা আরও বড় আকারে হচ্ছে। আশা করছি, এবার চাহিদা আরও বাড়বে। সেজন্য আগে থেকে সব প্রস্তুতি সেরেছি। উনুনের সংখ্যা বাড়ানো হয়নি। তবে প্রয়োজন হলে সে ব্যবস্থা করে রাখা হবে।



