নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: আগামী শীতের মরশুমেই কোচবিহারের রসিকবিল মিনি জু’র সাত মাসের চিতাবাঘ শাবকদের পর্যায়ক্রমে পর্যটকদের সামনে নিয়ে আসা হবে। বর্তমানে এখানে জন্ম হওয়া সাতটি চিতাবাঘের শাবকই সুস্থ ও সবল রয়েছে। তারা প্রতিদিনই এক কেজি করে মাংস খাচ্ছে। এই চিতাবাঘ শাবকদের পর্যটকদের সামনে আনার বিষয়ে বনদপ্তর সাবধানী পদক্ষেপ নিচ্ছে। একসঙ্গে দু’টি পুরুষ চিতাবাঘ থাকলে অনেক সময় নিজেদের মধ্যে মারপিট করে। সেই কারণে প্রথম দিকে পর্যায়ক্রমে তাদের সামনে নিয়ে আসা হবে। রসিকবিলে শুধু চিতাবাঘ শাবকই নয়, সুন্দর সুন্দর দেশি ও বিদেশি পাখিকেও পর্যটকদের সামনে তুলে ধরার জন্য আলাদা এনক্লোজার তৈরি করা হচ্ছে। রসিকবিলে নানা ধরণের দেশি পাখি রাখার জন্যও উদ্যোগ শুরু হয়েছে। এরমধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির টিয়া, ময়না রয়েছে।
Advertisement
কোচবিহার বনদপ্তরের ডিএফও অসিতাভ চট্টোপাধ্যায় বলেন, রসিকবিলে যে সাতটি চিতাবাঘ শাবকের জন্ম হয়েছে তাদের পর্যায়ক্রমে পর্যটকদের সামনে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমরা বেশকিছু পাখিকেও পর্যটকদের সামনে নিয়ে আসব। রসিকবিলে একটি ভেষজ উদ্ভিদের ডেমনেস্ট্রেশন স্পট তৈরি করা হচ্ছে। সেখানে নানা ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ থাকবে। ছাত্রছাত্রী ও উৎসাহীরা এলে সেটি দেখতে পাবেন। রসিকবিল মিনি জু’য়ে আগে থেকেই রিমঝিম ও গরিমা ছিল। পরবর্তীতে ঝাড়গ্রাম থেকে এখানে সুলতান, শাহাজাদা ও সোহেল নামে তিনিটি পুরুষ চিতাবাঘ নিয়ে আসা হয়েছিল। এর কিছুদিন পর রিমঝিম ও গরিমা মোট সাতটি শাবকের জন্ম দেয়। গত এপ্রিলে তাদের জন্ম হয়। এখন তাদের বয়স হয়েছে সাত মাস। মায়ের দুধের পাশাপাশি তারা বেশকিছু দিন ধরেই মাংসের স্বাদ নিচ্ছিল। এখন এরা সকলেই মাংস খাচ্ছে। তাই মাংস দেওয়ার পরিমাণও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এবার সেই চিতাবাঘ শাবকদেরই পর্যটকদের সামনে নিয়ে আসা হবে।
এদিকে, রসিকবিলে আলেকজান্দ্রিস প্যারাকিট, রোজরিং প্যারাকিট ও ব্লোজম হেড প্যারাকিট প্রজাতির দেশি টিয়া ও কয়েক প্রজাতির ময়না পর্যটকদের সামনে নিয়ে আসা হবে।
এদিকে, রসিকবিলে আলেকজান্দ্রিস প্যারাকিট, রোজরিং প্যারাকিট ও ব্লোজম হেড প্যারাকিট প্রজাতির দেশি টিয়া ও কয়েক প্রজাতির ময়না পর্যটকদের সামনে নিয়ে আসা হবে।



