নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: দিনের পর দিন ঠিকমতো রেশন না পেয়ে ডিলারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। শনিবার সকালে জলপাইগুড়ি শহরের রায়কতপাড়া শনিমন্দির এলাকার ঘটনা। বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ ওই রেশন ডিলারের দোকানের সামনে গিয়ে দেখা যায়, অন্তত জনা পঞ্চাশেক গ্রাহক অপেক্ষা করছেন। কিন্তু তখনও রেশন দোকান খোলেনি। ডিলারের বাড়ির সঙ্গেই রেশন দোকান।
Advertisement
অভিযোগ, মায়া রায়কত নামে এক মহিলার নামে লাইসেন্স। তাঁর ছেলে গ্রাহকদের রেশন দেন। কিন্তু তিনি কোনওমাসেই ঠিকমতো রেশন দেন না। বেশিরভাগ দিন দোকান বন্ধ থাকে। কখনও রেশন সামগ্রীর অর্ধেক দিয়ে বাকিটা পরে এসে নিয়ে যেতে বলা হয়। এর প্রতিবাদে রেশন ডিলারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান গ্রাহকরা। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে ডিলারের ছেলে মিলন রায়কত বলেন, আমি বেশিরভাগ দিন দুয়ারে রেশনে থাকি। সেকারণে সবসময় দোকান খোলা সম্ভব হয় না। তবে রেশন দেওয়া নিয়ে অহেতুক হয়রানির অভিযোগ মিথ্যে।
বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন জেলা খাদ্য নিয়ামক দাওয়া ওয়াঙ্গেল লামা। তিনি বলেন, বিষয়টি খোঁজ করে দেখা হবে। অনিয়ম পেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় তদন্ত নেওয়া হবে।
ডিলারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে জগন্নাথ রায় নামে এক বাসিন্দা বলেন, কখনওই নিয়ম মেনে রায়কতপাড়ার ওই রেশন দোকান খোলা হয় না। উপভোক্তারা এলে বেশিরভাগ সময় হাতে কুপন ধরিয়ে দিয়ে বলা হয়, পরে এসে রেশন নিয়ে যাবেন। কিন্তু দিনের পর দিন ঘুরেও রেশন মেলে না। ইন্দিরা কলোনি থেকে রেশন নিতে এসেছিলেন ভবেনচন্দ্র দাস। তাঁর অভিযোগ, দুয়ারে রেশনেও ওই ডিলারের কাছ থেকে ঠিকমতো চাল-আটা মেলে না। বলা হয়, দোকানে এসে রেশন নিয়ে যেতে হবে। রীতা রায় নামে এক বাসিন্দার বক্তব্য, এর আগে আমাকে শুধু চাল দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বলা হয়, পরে এসে আটা নিয়ে যেতে হবে। এদিন আবার আটা নিতে এসেছি। কিন্তু দোকান খোলা না থাকায় লোকজন বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।
বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন জেলা খাদ্য নিয়ামক দাওয়া ওয়াঙ্গেল লামা। তিনি বলেন, বিষয়টি খোঁজ করে দেখা হবে। অনিয়ম পেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় তদন্ত নেওয়া হবে।
ডিলারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে জগন্নাথ রায় নামে এক বাসিন্দা বলেন, কখনওই নিয়ম মেনে রায়কতপাড়ার ওই রেশন দোকান খোলা হয় না। উপভোক্তারা এলে বেশিরভাগ সময় হাতে কুপন ধরিয়ে দিয়ে বলা হয়, পরে এসে রেশন নিয়ে যাবেন। কিন্তু দিনের পর দিন ঘুরেও রেশন মেলে না। ইন্দিরা কলোনি থেকে রেশন নিতে এসেছিলেন ভবেনচন্দ্র দাস। তাঁর অভিযোগ, দুয়ারে রেশনেও ওই ডিলারের কাছ থেকে ঠিকমতো চাল-আটা মেলে না। বলা হয়, দোকানে এসে রেশন নিয়ে যেতে হবে। রীতা রায় নামে এক বাসিন্দার বক্তব্য, এর আগে আমাকে শুধু চাল দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বলা হয়, পরে এসে আটা নিয়ে যেতে হবে। এদিন আবার আটা নিতে এসেছি। কিন্তু দোকান খোলা না থাকায় লোকজন বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।



