নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: রেশন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার কথা মাথায় রেখে উপভোক্তাদের মোবাইল লিঙ্ক করার নির্দেশ দিল জেলা প্রশাসনের। ইতিমধ্যেই জেলার ৬৫ শতাংশ উপভোক্তা মোবাইল লিঙ্ক করেছেন। এর মাধ্যমে উপভোক্তারা রেশনে বরাদ্দের পরিমাণ জানতে পারবেন। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, রেশন ডিলারের সাহায্যেই মোবাইল লিঙ্কেজ করা সম্ভব। লিঙ্কেজের মাধ্যমে উপভোক্তাদের নানা ভ্রান্ত ধারণার অবসান ঘটবে। একইসঙ্গে প্রশাসনিক স্তরে রেশন বরাদ্দ হওয়া মাত্রই রেশনের পরিমাণ মোবাইল ফোনে জানতে পারবেন উপভোক্তারা।
Advertisement
জেলার খাদ্য নিয়ামক অরবিন্দ সরকার বলেন, মোবাইল লিঙ্কেজ করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এতে উপভোক্তারা বরাদ্দের পরিমাণ জানতে পারবেন। এখনও পর্যন্ত বহু মানুষ মোবাইল লিঙ্কেজ করিয়েছেন। আমাদের লক্ষ্য একশো শতাংশ মানুষকে মোবাইল লিঙ্কেজের আওতায় নিয়ে আসা।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের পর রেশন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন ঘটে। বর্তমানে রেশন ব্যবস্থায় কারচুপি কমেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দুয়ারে রেশন চালু হওয়ায় স্বচ্ছতাও ফিরেছে। একইসঙ্গে চালু হয়েছে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা। জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ৪৭ লক্ষ ৫৭ হাজার মানুষ রেশন পাচ্ছেন। তবে রেশন ব্যবস্থায় বরাদ্দ নিয়ে মানুষের মনে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। অনেকেই মনে করেন বরাদ্দ থেকে কম দেওয়া হয় রেশন। সেই ভ্রান্ত ধারণা দূর করতেই মোবাইল লিঙ্কেজ ব্যবস্থা শুরু হয়। কিন্তু কীভাবে করবেন মোবাইল লিঙ্কেজ। জানা গিয়েছে, স্থানীয় ডিলারের কাছে মোবাইল ফোন নিয়ে যেতে হবে। সেই মোবাইলেই আসবে ভেরিফিকেশন কোড (ওটিপি)। সেই কোডের মাধ্যমেই হবে লিঙ্কেজ। এরপর প্রশাসনিকস্তরে রেশন বরাদ্দ হলেই চলে আসবে এসএমএস। সেই এসএমএসে মানুষ জানতে পারবেন রেশন বরাদ্দের পরিমাণ। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, অনেক সময় দেখা যায় কোনও কারণে একটি পরিবার রেশন তুলতে পারেনি। ধরা যাক সেই পরিবারের জন্য রেশন বরাদ্দ ছিল ২০ কেজি চাল। পরে ওই পরিবার ভাবতে শুরু করে তাঁদের ভাগের রেশন অন্য কেউ নিয়ে নিয়েছে। কিন্তু সেক্ষেত্রে পরের মাসে রেশন বরাদ্দের সময় সেই ২০ কেজি চাল বাদ দিয়েই ডিলারের কাছে রেশন পাঠানো হয়। মোবাইল লিঙ্কেজ করিয়েছেন শালবনীর বাসিন্দা সুতপা সরকার। তিনি বলেন, আমার নামে রেশন বরাদ্দ হলেই এসএমএস চলে আসে। সকলেরই উচিত মোবাইল লিঙ্কেজ করান।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের পর রেশন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন ঘটে। বর্তমানে রেশন ব্যবস্থায় কারচুপি কমেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দুয়ারে রেশন চালু হওয়ায় স্বচ্ছতাও ফিরেছে। একইসঙ্গে চালু হয়েছে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা। জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ৪৭ লক্ষ ৫৭ হাজার মানুষ রেশন পাচ্ছেন। তবে রেশন ব্যবস্থায় বরাদ্দ নিয়ে মানুষের মনে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। অনেকেই মনে করেন বরাদ্দ থেকে কম দেওয়া হয় রেশন। সেই ভ্রান্ত ধারণা দূর করতেই মোবাইল লিঙ্কেজ ব্যবস্থা শুরু হয়। কিন্তু কীভাবে করবেন মোবাইল লিঙ্কেজ। জানা গিয়েছে, স্থানীয় ডিলারের কাছে মোবাইল ফোন নিয়ে যেতে হবে। সেই মোবাইলেই আসবে ভেরিফিকেশন কোড (ওটিপি)। সেই কোডের মাধ্যমেই হবে লিঙ্কেজ। এরপর প্রশাসনিকস্তরে রেশন বরাদ্দ হলেই চলে আসবে এসএমএস। সেই এসএমএসে মানুষ জানতে পারবেন রেশন বরাদ্দের পরিমাণ। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, অনেক সময় দেখা যায় কোনও কারণে একটি পরিবার রেশন তুলতে পারেনি। ধরা যাক সেই পরিবারের জন্য রেশন বরাদ্দ ছিল ২০ কেজি চাল। পরে ওই পরিবার ভাবতে শুরু করে তাঁদের ভাগের রেশন অন্য কেউ নিয়ে নিয়েছে। কিন্তু সেক্ষেত্রে পরের মাসে রেশন বরাদ্দের সময় সেই ২০ কেজি চাল বাদ দিয়েই ডিলারের কাছে রেশন পাঠানো হয়। মোবাইল লিঙ্কেজ করিয়েছেন শালবনীর বাসিন্দা সুতপা সরকার। তিনি বলেন, আমার নামে রেশন বরাদ্দ হলেই এসএমএস চলে আসে। সকলেরই উচিত মোবাইল লিঙ্কেজ করান।



