সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: ঐতিহ্যপূর্ণ রাস উৎসবের আগে নবদ্বীপে যান নিয়ন্ত্রণে তৎপর প্রশাসন। প্রয়োজনে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে পুলিস ও জেলা প্রশাসন। নবদ্বীপ পুরসভা এলাকায় এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সমস্য বেআইনি টোটোর দাপট ও যত্রতত্র পার্কিং ও দ্রুতগতির মোটরবাইক ও নেশাগ্রস্ত চালকরা। নবদ্বীপ থানার আইসি জলেশ্বর তেওয়ারি বলেন, ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসবের আগে মদ্যপ অবস্থায় যারা বাইক ও টোটো চালাচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। ইতিমধ্যে সাতজনকে ধরাও হয়েছে। পথচারীদের অসুবিধা সৃষ্টি করে রাস্তাজুড়ে যাঁরা স্কুটি ও মোটরসাইকেল রেখে আড্ডা দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Advertisement
কেন্দ্রীয় রাস উৎসব কমিটির সম্পাদক সুব্রত পাল জানান, হেরিটেজ তকমাপ্রাপ্ত নবদ্বীপে রাস উৎসবে দেশ-বিদেশের অগণিত পুণ্যার্থীর সমাগম হয়। চৈতন্যভূমি নবদ্বীপের সংকীর্ণ রাস্তায় স্থানীয় বাসিন্দা বাইরের দর্শনার্থীদের কথা মাথায় রেখে প্রশাসনিক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আগামী ১৪ থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন রাস্তায় যানজট এড়াতে নো এন্টি থাকবে। এছাড়াও প্রশাসনিক স্তরে বার্তা দেওয়া হয়েছে রাস্তায় যত্রতত্র বাইক ও টোটো দাঁড় করানো যাবে না।
উল্লেখ্য, নবদ্বীপে শুধু পুর এলাকার টোটো নয়, পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন পঞ্চায়েতের টোটো ভিড় করছে। একশ্রেণির টোটো চালক তাঁদের ইচ্ছামতো রাস্তার উপর যেখানে সেখানে টোটো দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠাচ্ছে নামাচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যায় রাস্তার ওপরে বাইক দাঁড় করিয়ে বেশকিছু অল্পবয়সির আড্ডা চলছে। এর ফলে ওইসব রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষের যাতায়াত করা দুষ্কর হয়ে উঠেছে। অতিরিক্ত প্যাসেঞ্জার নিয়ে বিপজ্জনক গতিতে ছুটছে টোটো। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পুণ্যার্থী ও পর্যটকরাও। এমনিতেই প্রাচীন এই শহরে রাস্তাঘাট সংকীর্ণ, তার মধ্যে রাস্তাজুড়ে রাখা থাকছে যানবাহন।
প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে, নবদ্বীপের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিশেষ করে পোড়ামাতলা, বাজার রোড সোনাপট্টি, বউবাজার, ঢপওয়ালির মোড়, হরিসভা পাড়া, রাধাবাজার, আগমেশ্বরী পাড়া, মালঞ্চপাড়া রোড, পিরতলা, ফেরিঘাট, প্রতাপনগর বাজার সহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় মোটর সাইকেল রাস্তার পাশে রেখে কেউ আড্ডা দিচ্ছেন, কেউ বা দোকানে কেনাকাটা সারছেন। এদিকে পূর্ব বর্ধমান জেলার হেমায়েতপুর, নাদনঘাট, শ্রীরামপুর, বিদ্যানগর সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বাইক নিয়ে চলে আসছেন বেশ কিছু যুবক যুবতী। প্রতিদিনই বিকেলের পর থেকে নবদ্বীপ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সহ অলিগলি বাইক নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ওইসব অল্পবয়সি ছেলেমেয়েরা। অবস্থা এতটাই সঙ্গীন যে, প্রবীণরা রাস্তায় বের হতে ভয় পাচ্ছেন। বিশেষ করে স্কুলের সময়ে সমস্যায় পড়তে হয় পড়ুয়াদের। এর উপরে বেশ কিছু বাইক ও টোটো চালক নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছেন।
ব্যবসায়ী বিশ্বনাথ শিকদার জানান, বিজয় দশমী পরের দিন রাত আটটা নাগাদ বড়ালঘাটের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। সেই সময় একটা টোটোর ধাক্কায় আমি বাইক থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়ি। ডান কাঁধের কলার বোনে চিড় ধরেছে। বাগচি পাড়ার এক বাসিন্দা জানান, ১৫ দিন আগে আমার স্ত্রী প্রতাপনগর রাস্তা দিয়ে সাইকেল করে বাড়ি ফিরছিল। সেই সময় দ্রুতগতিতে একটি মোটরসাইকেল এসে তাঁকে ধাক্কা মারে। রাস্তায় ছিটকে পড়ে মারাত্মক ভাবে জখম হন। এখনও তিনি রাস্তায় বের হতে ভয় পাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, নবদ্বীপে শুধু পুর এলাকার টোটো নয়, পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন পঞ্চায়েতের টোটো ভিড় করছে। একশ্রেণির টোটো চালক তাঁদের ইচ্ছামতো রাস্তার উপর যেখানে সেখানে টোটো দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠাচ্ছে নামাচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যায় রাস্তার ওপরে বাইক দাঁড় করিয়ে বেশকিছু অল্পবয়সির আড্ডা চলছে। এর ফলে ওইসব রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষের যাতায়াত করা দুষ্কর হয়ে উঠেছে। অতিরিক্ত প্যাসেঞ্জার নিয়ে বিপজ্জনক গতিতে ছুটছে টোটো। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পুণ্যার্থী ও পর্যটকরাও। এমনিতেই প্রাচীন এই শহরে রাস্তাঘাট সংকীর্ণ, তার মধ্যে রাস্তাজুড়ে রাখা থাকছে যানবাহন।
প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে, নবদ্বীপের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিশেষ করে পোড়ামাতলা, বাজার রোড সোনাপট্টি, বউবাজার, ঢপওয়ালির মোড়, হরিসভা পাড়া, রাধাবাজার, আগমেশ্বরী পাড়া, মালঞ্চপাড়া রোড, পিরতলা, ফেরিঘাট, প্রতাপনগর বাজার সহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় মোটর সাইকেল রাস্তার পাশে রেখে কেউ আড্ডা দিচ্ছেন, কেউ বা দোকানে কেনাকাটা সারছেন। এদিকে পূর্ব বর্ধমান জেলার হেমায়েতপুর, নাদনঘাট, শ্রীরামপুর, বিদ্যানগর সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বাইক নিয়ে চলে আসছেন বেশ কিছু যুবক যুবতী। প্রতিদিনই বিকেলের পর থেকে নবদ্বীপ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সহ অলিগলি বাইক নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ওইসব অল্পবয়সি ছেলেমেয়েরা। অবস্থা এতটাই সঙ্গীন যে, প্রবীণরা রাস্তায় বের হতে ভয় পাচ্ছেন। বিশেষ করে স্কুলের সময়ে সমস্যায় পড়তে হয় পড়ুয়াদের। এর উপরে বেশ কিছু বাইক ও টোটো চালক নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছেন।
ব্যবসায়ী বিশ্বনাথ শিকদার জানান, বিজয় দশমী পরের দিন রাত আটটা নাগাদ বড়ালঘাটের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। সেই সময় একটা টোটোর ধাক্কায় আমি বাইক থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়ি। ডান কাঁধের কলার বোনে চিড় ধরেছে। বাগচি পাড়ার এক বাসিন্দা জানান, ১৫ দিন আগে আমার স্ত্রী প্রতাপনগর রাস্তা দিয়ে সাইকেল করে বাড়ি ফিরছিল। সেই সময় দ্রুতগতিতে একটি মোটরসাইকেল এসে তাঁকে ধাক্কা মারে। রাস্তায় ছিটকে পড়ে মারাত্মক ভাবে জখম হন। এখনও তিনি রাস্তায় বের হতে ভয় পাচ্ছেন।



