সংবাদদাতা, কালনা: নবদ্বীপের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাস উৎসবে মেতেছে পূর্বস্থলী-১ ব্লকের শ্রীরামপুর, জাহান্ননগর, বিদ্যানগর, সমুদ্রগড় প্রভৃতি অঞ্চলের মানুষ। শুধু এলাকা নয়, বাইরের জেলার মানুষেরও ঢল নামে মণ্ডপে মণ্ডপে। বৃহস্পতিবারও বেশ কয়েকটি পুজোর উদ্বোধন হয়। নবদ্বীপের রাস উৎসবের সঙ্গে টক্কর দিতে সুদৃশ্য মণ্ডপ, সুন্দর প্রতিমা ও আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠেছে এলাকা। বৃহস্পতিবার থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় উপচে পড়ছে। নাদনঘাট থানার পুলিশ-প্রশাসন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছে। পুজোগুলি এসটিকেকে রোড সংলগ্ন এলাকায় হওয়ায় রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণেও কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। পুলিসি অনুমতিপ্রাপ্ত ৮২টি পুজো কমিটিকে কেন্দ্রীয় রাস উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে বলেও মন্ত্রী জানান। পূর্বস্থলীতে ছোট বড় মিলিয়ে শতাধিক পুজো হচ্ছে। কথিত আছে, নবদ্বীপ সংলগ্ন পূর্বস্থলী-১ ব্লকজুড়ে ছিল সাতশো ঘর পণ্ডিতের বসবাস। ছিল বহু সংস্কৃতি শিক্ষার টোল বা গুরুকুল। টোলগুলির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল বহুদূর। এই নিয়ে নবদ্বীপ পণ্ডিত সমাজ ও পূর্বস্থলী-১ ব্লকের পণ্ডিত সমাজের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়। আর তাতেই পূর্বস্থলী-১ ব্লকের পণ্ডিতগণ এলাকায় রাস উৎসবের আয়োজন শুরু করেন। এখানের উল্লেখ্যযোগ্য পুজোগুলি হল, দক্ষিণ শ্রীরামপুর বারোয়ারি, শ্রীরামপুরের ঘোষপাড়ার অন্নপূর্ণাদেবী, শ্রীরামপুর মোড় ফ্রেন্ডশিপ ক্লাবের রণচণ্ডীমাতা।



