সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: গোপন স্বেচ্ছাসেবক রাখতে চলেছে নবদ্বীপ পুরসভা। রাস পূর্ণিমার ভিড়ে যাতে শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত না হয়, কোথাও গন্ডগোল হলে যাতে দ্রুত খবর মেলে সেই কারণেই এই গোপন স্বেচ্ছাসেবক রাখার উদ্যোগ পুরসভার। সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে থাকবেন এইসব স্বেচ্ছাসেবকরা। পুজোর আগের দিন, পুজোর দিন, শোভাযাত্রা (আড়ং) এবং কার্নিভাল এই চারদিন পুরসভা শান্তিপূর্ণভাবে রাস পূর্ণিমা সম্পন্ন করতে পুরসভার শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক সক্রিয় থাকবে বলে জানা গিয়েছে। বিশেষ করে অশান্তিপ্রবণ জায়গাগুলিতে গোপনে স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করা হবে। এমনটাই জানালেন নবদ্বীপ কেন্দ্রীয় রাস উৎসব কমিটির সভাপতি তথা নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা।
Advertisement
এবারই প্রথম পুরসভার পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক রাখা হচ্ছে। পুজোর আগের দিন থেকে কার্নিভাল পর্যন্ত, এই চারদিন নবদ্বীপ শহরের বিভিন্ন এলাকায় নজরদারির কাজে প্রায় শতাধিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মহিলা ও পুরুষ স্বেচ্ছাসেবক নিযুক্ত থাকবে।
আগামী ১৫ নভেম্বর, শুক্রবার নবদ্বীপের রাসযাত্রা উৎসব। পরের দিন ১৬ নভেম্বর প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রা অর্থাৎ স্থানীয় ভাষায় আড়ং। আর ১৮ নভেম্বর কার্নিভাল। এই শহরে প্রায় সাড়ে তিনশোর বেশি বিভিন্ন দেবদেবীর পুজো হয়। তবে পুরসভার অনুমোদিত পুজোর সংখ্যা ২৪১। একই সঙ্গে বাবলারি অঞ্চলেও রাস পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ১৬ নভেম্বর কার্তিক পুজো। সেই পুজো উপলক্ষ্যে নবদ্বীপের ইদ্রাকপুর ও গঞ্জডাঙায় কার্তিক পুজো হয়ে থাকে।
পুজো কমিটিগুলির সদস্যদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিমার লাইসেন্স নম্বর প্রতিমার সামনে ও পেছনে লাগিয়ে রাখতে হবে। গ্রিন বেঞ্চের শব্দবিধি নিয়ন্ত্রণ আইন মেনে রাত ১০টার পর মাইক বাজানো যাবে না। ডিজে, জেবিএল ব্যবহার করা যাবে না। যেসব বারোয়ারিতে অত্যাধিক ভিড় হয় সেই সব বারোয়ারিকে মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা বসানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া আড়ং অর্থাৎ শোভাযাত্রায় মদ্যপ অবস্থায় অংশগ্রহণ করা যাবে না। এছাড়া কেউ পুজোমণ্ডপে মদ্যপ অবস্থায় বিশৃঙ্খলা করলে তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এইসব বিশৃঙ্খলার খবর দ্রুত প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দেবেন গোপন স্বেচ্ছাসেবকরা। খবর পেলেই পরিস্থিতি সামলাতে সক্রিয় হয়ে উঠবে পুরসভার কন্ট্রোলরুম।
নবদ্বীপ কেন্দ্রীয় রাস উৎসব কমিটির কার্যকরী সভাপতি দিলীপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা চাইছি একটা নিয়মের মধ্যে আসতে। অতীতের রাসের সঙ্গে বর্তমানে রাসের আকাশপাতাল তফাৎ। এই উৎসবে অনেকেই মদ্যপান করেন। কেউ কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। তাতে নবদ্বীপের সুনাম নষ্ট হয়। মানুষের কাছে যেন খারাপ বার্তা না পৌঁছায়। যাঁরা সুশৃংখলভাবে পুজো করবেন তাঁদের কেন্দ্রীয় রাস উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে থেকে পুরস্কৃত করা হবে।
নবদ্বীপ থানার আইসি জলেশ্বর তেওয়ারি বলেন, গ্রিন বেঞ্চের নির্দেশ মতো রাত দশটার পরে মাইক ও বাজনা বাজানো যাবে না। শব্দবাজির ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। নিরাপত্তার কারণে নবদ্বীপ জুড়ে ৮৭টি সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে। রাসের আগে আরও সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে।
আগামী ১৫ নভেম্বর, শুক্রবার নবদ্বীপের রাসযাত্রা উৎসব। পরের দিন ১৬ নভেম্বর প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রা অর্থাৎ স্থানীয় ভাষায় আড়ং। আর ১৮ নভেম্বর কার্নিভাল। এই শহরে প্রায় সাড়ে তিনশোর বেশি বিভিন্ন দেবদেবীর পুজো হয়। তবে পুরসভার অনুমোদিত পুজোর সংখ্যা ২৪১। একই সঙ্গে বাবলারি অঞ্চলেও রাস পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ১৬ নভেম্বর কার্তিক পুজো। সেই পুজো উপলক্ষ্যে নবদ্বীপের ইদ্রাকপুর ও গঞ্জডাঙায় কার্তিক পুজো হয়ে থাকে।
পুজো কমিটিগুলির সদস্যদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিমার লাইসেন্স নম্বর প্রতিমার সামনে ও পেছনে লাগিয়ে রাখতে হবে। গ্রিন বেঞ্চের শব্দবিধি নিয়ন্ত্রণ আইন মেনে রাত ১০টার পর মাইক বাজানো যাবে না। ডিজে, জেবিএল ব্যবহার করা যাবে না। যেসব বারোয়ারিতে অত্যাধিক ভিড় হয় সেই সব বারোয়ারিকে মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা বসানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া আড়ং অর্থাৎ শোভাযাত্রায় মদ্যপ অবস্থায় অংশগ্রহণ করা যাবে না। এছাড়া কেউ পুজোমণ্ডপে মদ্যপ অবস্থায় বিশৃঙ্খলা করলে তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এইসব বিশৃঙ্খলার খবর দ্রুত প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দেবেন গোপন স্বেচ্ছাসেবকরা। খবর পেলেই পরিস্থিতি সামলাতে সক্রিয় হয়ে উঠবে পুরসভার কন্ট্রোলরুম।
নবদ্বীপ কেন্দ্রীয় রাস উৎসব কমিটির কার্যকরী সভাপতি দিলীপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা চাইছি একটা নিয়মের মধ্যে আসতে। অতীতের রাসের সঙ্গে বর্তমানে রাসের আকাশপাতাল তফাৎ। এই উৎসবে অনেকেই মদ্যপান করেন। কেউ কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। তাতে নবদ্বীপের সুনাম নষ্ট হয়। মানুষের কাছে যেন খারাপ বার্তা না পৌঁছায়। যাঁরা সুশৃংখলভাবে পুজো করবেন তাঁদের কেন্দ্রীয় রাস উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে থেকে পুরস্কৃত করা হবে।
নবদ্বীপ থানার আইসি জলেশ্বর তেওয়ারি বলেন, গ্রিন বেঞ্চের নির্দেশ মতো রাত দশটার পরে মাইক ও বাজনা বাজানো যাবে না। শব্দবাজির ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। নিরাপত্তার কারণে নবদ্বীপ জুড়ে ৮৭টি সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে। রাসের আগে আরও সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে।



