Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

কলা খাওয়াতেই বছরে খরচ ৩৫ লক্ষ টাকা! উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থায় পুকুর চুরি

নজিরবিহীন দুর্নীতি! চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার মতোই কারচুপি। খেলোয়াড়দের জন্য কলা কিনতে নাকি খরচ হয়েছে ‘মাত্র’ ৩৫ লক্ষ টাকা! অন্তত উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থা এমনই জানিয়েছে।

কলা খাওয়াতেই বছরে খরচ ৩৫ লক্ষ টাকা! উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থায় পুকুর চুরি
  • ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

দেরাদুন: নজিরবিহীন দুর্নীতি! চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার মতোই কারচুপি। খেলোয়াড়দের জন্য কলা কিনতে নাকি খরচ হয়েছে ‘মাত্র’ ৩৫ লক্ষ টাকা! অন্তত উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থা এমনই জানিয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের অডিট রিপোর্টে এহেন চমকে দেওয়ার মতো ব্যয় দেখিয়েছে তারা। এই বিষয়ে সঞ্জয় রাওয়াত নামে দেরাদুনের এক বাসিন্দা উত্তরাখণ্ড হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে বিসিসিআই’কে নোটিশ পাঠিয়েছেন বিচারপতি মনোজ কুমার তিওয়ারি। কলা-কাণ্ডে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে দেখতে বলা হয়েছে বোর্ডকে। সত্যি বলতে কী, কোনও হিসেবেই খেলোয়াড়দের কলা কিনতে এক বছরে এত খরচ হওয়ার কথা নয়।

Advertisement

শুধু কলা-কেলেঙ্কারিই নয়, প্রকাশ্যে এসেছে উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থার আরও বেশ কিছু আর্থিক অনিয়মও। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট গ্রুপকে ৬.৪ কোটি টাকা দেওয়া, প্রতিযোগিতা ও ট্রায়ালের জন্য ২৬.৩ কোটি টাকা ব্যয়— সবকিছুই রয়েছে সন্দেহের তালিকায়। উল্লেখ্য, তার আগের অর্থবর্ষে প্রতিযোগিতা ও ট্রায়ালের জন্য খরচা হয়েছিল ২২.৩ কোটি টাকা। পরেরবার একধাক্কায় চার কোটি টাকা খরচ বেড়েছে। ভাবা যায়! অভিযোগ, এর সবটাই পকেটে গিয়েছে উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থার কর্তাদের। ফলে, অবহেলিত হয়েছেন খোদ ক্রিকেটাররা। শুক্রবার হাইকোর্টে পরের শুনানি।
আসন্ন উত্তরাখণ্ড প্রিমিয়ার লিগে টেন্ডার ডাকার ক্ষেত্রেও দুর্নীতির আঁশটে গন্ধ। ২৩ সেপ্টেম্বর শুরু হতে চলেছে এই লিগ। উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থার প্রাক্তন সহ-সভাপতি সুরেন্দ্র ভাণ্ডারীর অভিযোগ, প্রিমিয়ার লিগের টেন্ডার ডাকার পদ্ধতি ঠিক ছিল না। মাত্র একটা কোম্পানিকে টেন্ডার দেওয়াই ছিল উদ্দেশ্য। সেজন্য কোনও পদ্ধতিই মানা হয়নি। উত্তরাখণ্ড হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জি নরেন্দর এবং বিচারপতি সুভাষ উপাধ্যায়ের বেঞ্চ এজন্য নোটিশ পাঠিয়েছে বিসিসিআই, উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থা এবং তার কর্তাদের। উত্থিত অভিযোগের দ্রুত জবাব চেয়েছে আদালত। ২০১৯ সালে বিসিসিআই স্বীকৃতি দিয়েছিল এই সংস্থাকে। এখনও পর্যন্ত বোর্ড তাদের দিয়েছে মোট ২২ কোটি টাকা। কিন্তু পরিকাঠামোর উন্নতি এবং প্রতিভা অন্বেষণের কাজে সেই টাকা যথাযথ ব্যয় করা হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে। পদাধিকারীরা নাকি ব্যক্তিগত স্বার্থে সেই অর্থ ব্যবহার করেছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ