Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রূপশ্রীর টাকা পাইয়ে দিতে কাটমানি দাবি, সুরুন ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের অস্থায়ী কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

রূপশ্রীর টাকা পাইয়ে দিতে কাটমানি দাবি, সুরুন ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের অস্থায়ী কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, ইটাহার: প্রধান ও উপপ্রধানের মদতে রূপশ্রী প্রকল্পের তদন্তে গিয়ে ৫ হাজার কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইটাহারের সুরুন ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের এক অস্থায়ী কর্মীর বিরুদ্ধে। প্রধান, উপপ্রধান ও অস্থায়ী কর্মীর বিরুদ্ধে থানা ও বিডিও অফিসে লিখিত অভিযোগ করেছে যুবতীর পরিবার। পাল্টা যুবতীর পরিজনের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছেন ওই অস্থায়ী কর্মী। ভিত্তিহীন অভিযোগ, দাবি প্রধানের। তবে অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বিডিও দিব্যেন্দু সরকার। 
Advertisement
জানা গিয়েছে, বাড়িওল গ্রামের মহসিনা বিবির মেয়ে মাসুমা খাতুন রূপশ্রী প্রকল্পে আবেদন করেন। গত বছর ১০ অক্টোবর মহসিনা বিবির বাড়িতে তদন্তে যান পঞ্চায়েতের অস্থায়ী কর্মী নাজেরুল ইসলাম। অভিযোগ, রূপশ্রীর ২৫ হাজার টাকা পাইয়ে দেওয়ার জন্য নাজেরুল ৫ হাজার টাকা কাটমানি চান। মাসুমার পরিবার ৫ হাজার টাকা দেন নাজেরুলকে। মহসিনার কথায়, বিয়ের দিন নাজেরুল বাড়ি এসে বলেন পাঁচ হাজার টাকা না দিলে রূপশ্রীর ২৫ হাজার টাকা পাওয়া যাবে না। কথামতো দিয়েও দিই। কিন্তু ৪ মাস পেরিয়ে গেলেও রূপশ্রীর টাকা পাইনি।
এরপর ২৩ ফেব্রুয়ারি মহসিনার দাদা মানিয়া শেখের মেয়ে রুবি পারভিনের বিয়ের দিন ফের ওই অস্থায়ী কর্মী তদন্তে রুবির বাড়িতে যান। সেখানেও নাজেরুল পাঁচ হাজার টাকা দাবি করে। মানিয়া পঞ্চায়েত প্রধান ও উপপ্রধানকে বিষয়টি জানান। কিন্তু প্রধান ও উপপ্রধান নাজেরুলের কথায় সহমত জানান বলে অভিযোগ। এরপর স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে নাজেরুলকে মারধর করে বলে অভিযোগ। জখম হয়ে নাজেরুল রায়গঞ্জ মেডিক্যালে ভর্তি হন। মানিয়া জানান, সরকারি সুবিধা পেতেও কাটমানি দিতে হচ্ছে। প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন নাজেরুল। তাঁর সাফাই, মাসুমার নথিতে কিছু ভুল ছিল। তাই তার আবেদন বাতিল হয়েছে। উল্টে মানিয়ার আত্মীয়রা আমাকে বাঁশ, রড দিয়ে মারধর করেছে। এবিষয়ে পঞ্চায়েত প্রধান ঊষারানি দাস ও উপপ্রধান মুজাহিদ আলম জানান, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে কোনও টাকা লাগে না। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। নথিতে ভুল থাকার জন্য হয়তো প্রকল্পের টাকা পাননি। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ