Bartaman Logo
২৪ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মানসিক ভারসাম্যহীন যুবতীকে ধর্ষণের দায়ে ১৪ বছর কারাদণ্ড

মানসিক ভারসাম্যহীন যুবতীকে ধর্ষণের দায়ে এক প্রৌঢ়কে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। এছাড়াও সাজাপ্রাপ্তকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা অনাদায়ে আরও এক বছর সাজা খাটতে হবে

মানসিক ভারসাম্যহীন যুবতীকে ধর্ষণের দায়ে ১৪ বছর কারাদণ্ড
  • ৯ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বর্ধমান: মানসিক ভারসাম্যহীন যুবতীকে ধর্ষণের দায়ে এক প্রৌঢ়কে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। এছাড়াও সাজাপ্রাপ্তকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা অনাদায়ে আরও এক বছর সাজা খাটতে হবে। পাশাপাশি নির্যাতিতাকে এক লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নির্যাতিতার কাছে ক্ষতিপূরণের টাকা পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শুক্রবার বর্ধমানের দ্বিতীয় ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারক অরবিন্দ মিশ্র এই রায় ঘোষণা করেছেন। সাজাপ্রাপ্তের নাম মির সামসুদ্দিন আলি ওরফে কেংলু। আউশগ্রাম থানার সোমাইপুরে তার বাড়ি। যদিও সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন সাজাপ্রাপ্তের আইনজীবী। 

Advertisement

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, আউশগ্রাম থানা এলাকায় ওই যুবতীর বাড়ি। ২০২০ সালের ৮ জুন সকালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া যাওয়া হলে তিনি আলট্রা সোনোগ্রাফি করার পরামর্শ দেন। তা করার পর জানা ওই যুবতী দু’মাসের গর্ভবতী। পরিবারের লোকজনকে যুবতী জানান, সামসুদ্দিন তাঁর সঙ্গে সহবাস করায় তিনি অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়েছেন। এরপরই পরিবারের তরফে ১৩ জুন থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিবারের সম্মতিতে তাঁর গর্ভপাত করানো হয়। তদন্তে নেমে পুলিস সেই বছরেরই ১৭ জুন সামসুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। 
এই কেসের সরকারি আইনজীবী মানস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অভিযুক্তের আইনজীবী সহমতের ভিত্তিতে সহবাসের তত্ত্ব খাড়া করেন। কিন্তু, মানসিক ভারসাম্যহীনের সহবাসের সম্মতির কোনও মূল্য নেই, এই সওয়াল বিচারক মেনে নিয়েছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ