Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মোট ১৭ লক্ষ ৪৭ হাজার ৭৫০ কেজি বর্জ্য জমা পড়ল শিবিরে, সংগৃহীত প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হবে রাস্তা, চেয়ার-টেবিলও

অপর্যাপ্ত হারে প্লাস্টিক ব্যবহারের ফলে পরিবেশের বিপদ বাড়ছে। যত্রতত্র প্লাস্টিক ফেলার ফলে ছড়াচ্ছে দূষণ। প্লাস্টিক কোথাও নালার মুখ আটকে দিচ্ছে, কোথাও আবার প্লাস্টিক খেয়ে মারা যাচ্ছে নিরীহ গবাদি পশু।

মোট ১৭ লক্ষ ৪৭ হাজার ৭৫০ কেজি বর্জ্য জমা পড়ল শিবিরে, সংগৃহীত প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হবে রাস্তা, চেয়ার-টেবিলও
  • ১৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: অপর্যাপ্ত হারে প্লাস্টিক ব্যবহারের ফলে পরিবেশের বিপদ বাড়ছে। যত্রতত্র প্লাস্টিক ফেলার ফলে ছড়াচ্ছে দূষণ। প্লাস্টিক কোথাও নালার মুখ আটকে দিচ্ছে, কোথাও আবার প্লাস্টিক খেয়ে মারা যাচ্ছে নিরীহ গবাদি পশু। তাই এর বিপদ নিয়ে গ্রামেগঞ্জে লাগাতার প্রচার চালিয়েছে প্রশাসন। সেই সঙ্গে শিবির করে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছিল পঞ্চায়েত দপ্তর। ১-৩ জুলাই গ্রামীণ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলি, যেমন মন্দির, পর্যটন কেন্দ্র, হাট-বাজার ইত্যাদি জায়গায় ‘প্লাস্টিক ডোনেশন ক্যাম্প’-এর মাধ্যমে বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। দপ্তরের দাবি, এই উদ্যোগে মানুষের ভালোই সাড়া মিলেছে। এই তিনদিনে গোটা রাজ্যে সংগৃহীত হয়েছে মোট ১৭ লক্ষ ৪৭ হাজার ৭৫০ কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য। সাধারণ মানুষ যেভাবে সচেতনতার পরিচয় দিয়ে প্লাস্টিকের বোতল, প্যাকেট, ক্যারি ব্যাগ ইত্যাদি জমা দিয়ে গিয়েছেন, তা যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক বলেই মনে করছেন সরকারি কর্তারা। তাই আগামী দিনে এমন উদ্যোগ আরও নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

এই বিপুল বর্জ্য রাস্তা তৈরি ও প্লাস্টিকের বিভিন্ন সামগ্রী (চেয়ার-টেবিল, জলের গ্লাসের ঢাকনা ইত্যাদি) তৈরির কাজে ব্যবহৃত হবে। জানা গিয়েছে, সংগৃহীত প্লাস্টিকের অর্ধেক দিয়ে প্রথমে ‘গ্র্যানিউল’ তৈরি করা হবে। তা থেকেই তৈরি হবে প্লাস্টিকের বিভিন্ন সামগ্রী ও আসবাব। বাকি প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবহার করা হবে রাস্তা তৈরিতে। এখনই যে পরিমাণ বর্জ্য রয়েছে, তা দিয়ে অন্তত ২০০টি রাস্তা তৈরি হতে পারে। দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ‘প্লাস্টিক জমা দিতে মানুষের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। সূত্রের খবর, নদীয়া জেলায় (১ লক্ষ কেজির বেশি)  সব থেকে বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য জমা পড়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে রয়েছে জলপাইগুড়ি (৫৮ হাজার কেজি) এবং পশ্চিম মেদিনীপুর (৫২ হাজার কেজি)। বিশেষজ্ঞদের একাংশের অবশ্য বক্তব্য, সার্বিকভাবে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর প্রচারের পরও যে খুব একটা কাজের কাজ হয়নি, এই তথ্যে তা আরও স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ