Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পুরসভা এমকেডিএ’র টানাপোড়েনে মেদিনীপুর শহরে রাস্তার কাজ থমকে

পুরসভা এমকেডিএ’র টানাপোড়েনে মেদিনীপুর শহরে রাস্তার কাজ থমকে
  • ১৭ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

 সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: প্রায় এক বছর আগে এক কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু মেদিনীপুর পুরসভা ও মেদিনীপুর খড়্গপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির(এমকেডিএ) টানাপোড়েনে মেদিনীপুর শহরে রাস্তার কাজ থমকে গিয়েছে। দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে হাজার হাজার বাসিন্দাকে। কবে কাজ শুরু হবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না এমকেডিএ। শহরের সিপাইবাজার থেকে খাপ্রেলবাজার, লালবাহাদূর শাস্ত্রী মোড়, রাজাবাজার হয়ে পঞ্চুরচক পর্যন্ত রাস্তাটি নতুন করে তৈরি করার কথা। এই কাজের জন্য এক বছর আগে এমকেডিএ প্রায় এক কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। দপ্তর সূত্রে খবর টেন্ডার করে ঠিকাদার সংস্থাকে কাজের বরাতও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

এটি শহরের খুবই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। প্রতিদিন বহু মানুষ এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। শহরের খাপ্রেলবাজার, কোতবাজার, রাজাবাজার, হবিবপুর, বড়আস্তানা সহ বেশ কয়েকটি এলাকার বাসিন্দাদের বিভিন্ন স্কুল কলেজ ছাড়াও সব্জী বাজার, পোস্ট অফিস, থানায়  এই রাস্তা দিয়েই যেতে হয়। দীর্ঘ সংস্কারের অভাবে রাস্তাটির জরাজীর্ণ অবস্থা। রাস্তার বুকে বড় বড় গর্ত হয়ে গিয়েছে। পিচ উঠে পাথর বেরিয়ে গিয়েছে। বহু জায়গায় রাস্তার পরিসর ছোট হয়ে গিয়েছে। পথ চলতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে বাসিন্দাদের। এমকেডিএ’র চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক দীনেন রায় বলেন, এই রাস্তাটি নতুন করে তৈরি করার জন্য এক কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। টেন্ডার করে কাজের বরাতও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পুরসভা অবজেকশন দিয়ে রাখায় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। ওরা বলছে রাস্তায় পানীয় জলের পাইপ লাইন পাতার কাজ চলছে। এদিকে দেরি হয়ে গেলে ঠিকাদর সংস্থা ছেড়ে দিলে সমস্যা দেখা দেবে। পুরসভা নো অবজেকশন দিলেই কাজ শুরু হয়ে যাবে। পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, এক বছর ধরে এমকেডিএ বলছে রাস্তার কাজ হবে। কিন্তু শুরুই হচ্ছে না। আমরা করব বলেছিলাম আমাদেরও করতে দেওয়া হল না। তিনি বলেন, জলের পাইপ লাইন পাতার কাজ অনেক দিন আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। আমারা তিনমাস আগে এমকেডিএ’র ইঞ্জিনিয়ারদের তা জানিয়েও দিয়েছি। কিন্তু তারা এখনও কাজ শুরু করছেনা কেন জানি না।  বাসিন্দারা বলেন, এক বছর ধরে বলা হচ্ছে রাস্তার কাজ হবে। হচ্ছে আর কোথায়। রাস্তার এমন অবস্থা হয়েছে পথ চলা দায় হয়ে উঠেছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ