সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: রাস্তা না থাকায় চরম সমস্যায় হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দারা। বর্ষায় রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় গ্রামে অ্যাম্বুলেন্স ও দমকলের গাড়ি ঢোকে না। বৃহস্পতিবার রাস্তার দাবিতে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা।
ফুলহার নদী সংলগ্ন বন্যা কবলিত এলাকা চাঁদপুর গ্রাম। ১০ বছর আগে পঞ্চায়েত থেকে মধ্য ও দক্ষিণ চাঁদপুর এলাকায় খাঁড়ির দু’পাশে কংক্রিটের ঢালাই রাস্তা নির্মাণ হয়। ২০১৭ সালের বন্যায় সেই ঢালাই রাস্তা ভেঙে খাঁড়িতে ধ্বসে পড়ে। এতে চরম সমস্যায় পড়েছেন বাসিন্দারা। মাঠের ফসল নিয়ে আসতে পারছেন না তাঁরা। গ্রামে অ্যাম্বুলেন্স ঢোকে না। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে এক কিমি ঘুরে বাঁধ রোডে উঠে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। সমস্যায় পড়েন গর্ভবতী, প্রসূতিরা।
স্থানীয় বাসিন্দা মহম্মদ ইউনুস আলি ও মকবুল হোসেনরা বলেন, এই এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ বসবাস করে। পঞ্চায়েত থেকে কিছুটা রাস্তা হলেও ভেঙে খাঁড়িতে পড়ে গিয়েছে। অন্যের গলি ও উঠোন দিয়ে পারাপার করতে হয়। পঞ্চায়েত প্রধান থেকে শুরু করে নেতাদের একাধিকবার জানিয়েছি। কিন্তু রাস্তা হয়নি। রাস্তা না থাকায় ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিতে সমস্যা হয়। কেউ সম্পর্ক নিয়ে আসে না। তাই রাস্তার দাবিতে আমাদের আন্দোলন।
স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য মাসুদ আলম বলেন, আমি একাধিকবার রাস্তার দাবিতে পঞ্চায়েত প্রধান ও বিডিওকে লিখিত আবেদন করেছি। কাজ হয়নি। পঞ্চায়েত প্রধান লুৎফুন্নেসা বলেন, রাস্তাটি পথশ্রী প্রকল্পে ধরা হয়েছে। মাস তিনেক আগে জেলা থেকে ইঞ্জিনিয়ার এসে রাস্তাটি মাপজোখ করে গিয়েছেন। আমি বিডিও ও মন্ত্রীকে বিষয়টি জানিয়েছি।