সংবাদদাতা, পতিরাম: প্রথমবার বাংলার হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে খেলার সুযোগ পেয়েই দাপট দেখিয়েছিলেন বালুরঘাটের পেসার সুমিত মহন্ত। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে দুই ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়ে জাত চিনিয়েছিলেন তিনি। সোমবার এই ক্রিকেটার ঘরে ফিরতেই উচ্ছ্বাস বালুরঘাট শহরে। ট্রেন থেকে নামতেই ঢাক পিটিয়ে হুডখোলা গাড়িতে চাপিয়ে শহর ঘোরানোর পর তাঁকে বাড়িতে পৌঁছে দিল জনতা। সুমিতের ইচ্ছে, আগামীতে আইপিএল এবং জাতীয় দলের হয়ে খেলা।
Advertisement
সুমিত এদিন বলেন, পাড়ার ক্রিকেট মাঠ থেকে একেবারে জাতীয় স্তরে খেলার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। আইপিএল এবং জাতীয় দলে সুযোগ পেতে আরও খাটতে হবে। পাড়াতেই প্রথম খেলা শুরু করেছিলাম। এবার রঞ্জি ট্রফিতে খেলে খুব ভালো লাগছে।
সুমিতের বাবা শিবেশ মহন্ত ও মা সঞ্চিতা মহন্তের কথায়, ছোট থেকেই আমাদের ছেলে খেলার ভক্ত ছিল। প্রত্যেক বাবা, মায়ের স্বপ্ন থাকে ছেলেমেয়েদের বড় জায়গায় দেখার। আজ আমাদের খুব আনন্দের দিন।
সুমিতকে প্রতিনিয়ত ভরসা দিয়েছেন স্ত্রী পাপিয়া মণ্ডল। বললেন, ও খুবই পরিশ্রমী। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। প্রথমবার সুযোগ পেয়ে এত ভালো পারফরম্যান্স করেছে, তাতে আমরা খুবই খুশি।
রবিবার রাতে কলকাতায় সুমিতের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র, তৃণমূলের বালুরঘাট টাউন সভাপতি প্রীতম রাম মণ্ডল সহ অন্যরা। সেখানেই তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এদিন সকালে সুমিতকে সংবর্ধনা দেন ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল ফর স্কুল গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস এর ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজ নারায়ণ গোস্বামী।
৩২ বছর বয়সী সুমিতের বাড়ি বালুরঘাট শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের স্টেট গ্যারেজ এলাকায়। প্রথম দিকে সুমিত বালুরঘাট শহরের টাউন ক্লাব, এরপর জেলা ক্রীড়া সংস্থার হয়ে খেলতেন। পরবর্তীতে কলকাতায় ডালহৌসি, এরিয়ান্স, মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের হয়েও খেলেছেন। গত ৩০ জানুয়ারি রঞ্জি ট্রফিতে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে বাংলা এক ইনিংস ও ১৩ রানে জয় পেয়েছে। ওই ম্যাচে সুমিত দুই ইনিংস মিলিয়ে সাত উইকেট নিয়েছিলেন। সেই সাফল্য প্রসঙ্গে সুমিতের স্থানীয় মিলন তীর্থ ক্লাবের এক সদস্য সমীর তালুকদার বলেন, এই প্রথম ক্রিকেটের বড় আসরে বালুরঘাটের কেউ খেলল। তাই আমরা সুমিতকে না জানিয়েই এই বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করেছিলাম।
সুমিতের বাবা শিবেশ মহন্ত ও মা সঞ্চিতা মহন্তের কথায়, ছোট থেকেই আমাদের ছেলে খেলার ভক্ত ছিল। প্রত্যেক বাবা, মায়ের স্বপ্ন থাকে ছেলেমেয়েদের বড় জায়গায় দেখার। আজ আমাদের খুব আনন্দের দিন।
সুমিতকে প্রতিনিয়ত ভরসা দিয়েছেন স্ত্রী পাপিয়া মণ্ডল। বললেন, ও খুবই পরিশ্রমী। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। প্রথমবার সুযোগ পেয়ে এত ভালো পারফরম্যান্স করেছে, তাতে আমরা খুবই খুশি।
রবিবার রাতে কলকাতায় সুমিতের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র, তৃণমূলের বালুরঘাট টাউন সভাপতি প্রীতম রাম মণ্ডল সহ অন্যরা। সেখানেই তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এদিন সকালে সুমিতকে সংবর্ধনা দেন ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল ফর স্কুল গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস এর ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজ নারায়ণ গোস্বামী।
৩২ বছর বয়সী সুমিতের বাড়ি বালুরঘাট শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের স্টেট গ্যারেজ এলাকায়। প্রথম দিকে সুমিত বালুরঘাট শহরের টাউন ক্লাব, এরপর জেলা ক্রীড়া সংস্থার হয়ে খেলতেন। পরবর্তীতে কলকাতায় ডালহৌসি, এরিয়ান্স, মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের হয়েও খেলেছেন। গত ৩০ জানুয়ারি রঞ্জি ট্রফিতে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে বাংলা এক ইনিংস ও ১৩ রানে জয় পেয়েছে। ওই ম্যাচে সুমিত দুই ইনিংস মিলিয়ে সাত উইকেট নিয়েছিলেন। সেই সাফল্য প্রসঙ্গে সুমিতের স্থানীয় মিলন তীর্থ ক্লাবের এক সদস্য সমীর তালুকদার বলেন, এই প্রথম ক্রিকেটের বড় আসরে বালুরঘাটের কেউ খেলল। তাই আমরা সুমিতকে না জানিয়েই এই বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করেছিলাম।



