Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রান্নার গ্যাসের সংযোগের জন্য যত্রতত্র খোঁড়াখুঁড়ি, থমকে ৭ কোটি টাকার রাস্তার কাজ

রান্নার গ্যাসের সংযোগের জন্য যত্রতত্র খোঁড়াখুঁড়ি, থমকে ৭ কোটি টাকার রাস্তার কাজ
  • ২৫ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: রান্নার গ্যাসের সংযোগ দেওয়ার জন্য বাঁকুড়া শহরের রাস্তাঘাট কার্যত এবেলা-ওবেলা যত্রতত্র খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। সেই কারণে ‘ওয়ার্ক অর্ডার’ দেওয়ার পরেও পুর এলাকায় সাত কোটি টাকার রাস্তার কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। পুজোর পরেই ওই কাজ শুরুর কথা ছিল। সেইমতো টেন্ডার সহ অন্যান্য প্রক্রিয়া সারা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু, ফের রাস্তা খননের আশঙ্কায় ঠিকাদাররা কাজ শুরু করতে ভয় পাচ্ছেন। পুরসভার আধিকারিকরাও বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। বারবার ডাকা সত্ত্বেও গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার লোকজন পুরসভায় না যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ আলোচনাও শুরু করতে পারছে না। 
Advertisement
বাঁকুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান অলকা সেনমজুমদার বলেন, শহরকে আরও গতিশীল করতে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো করা প্রয়োজন। তারজন্য পরিকাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি। সেই লক্ষ্যে আমরা শহরের ১৪ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার অথবা নতুন তৈরির সিদ্ধান্ত নিই। তারমধ্যে পিচ ও কংক্রিট উভয় প্রকার রাস্তা রয়েছে। সেইমতো রাজ্য পুরদপ্তরের ডিপিআর সহ প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। শহরের ২৪টি ওয়ার্ডেই কমবেশি রাস্তা ওই তালিকায় রয়েছে। সেইমতো পুরদপ্তর সাত কোটি টাকা মঞ্জুর করে। আমরা দ্রুততার সঙ্গে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি। ঠিকাদারদের ওয়ার্ক অর্ডারও দেওয়া হয়। কিন্তু, কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। কারণ রান্নার গ্যাসের সংযোগ দেওয়ার জন্য দৈনিক শহরের কোনও না কোনও রাস্তা খনন করা হচ্ছে। একটি সংস্থা ওই কাজ করছে। তাদের বারবার ডেকে পাঠানো হলেও আলোচনায় বসছে না। দু-একদিনের মধ্যে ফের তাদের ডেকে পাঠানো হবে। চলতি সপ্তাহেই এর একটা হেস্তনেস্ত করা হবে। তাদের কাজ শেষ করতে কতদিন সময় লাগবে, সেই বিষয়টি জানতে চাওয়ার পাশাপাশি পুরসভাকে ক্ষতিপূরণ মিটিয়ে দেওয়ার জন্যও বলা হবে। শহরের উন্নয়ন কোনওভাবে যাতে ব্যাহত না হয় তা দেখা হচ্ছে। শীতকালের মধ্যে কাজ শেষ করারও উদ্যোগ নেওয়া হবে। 
ওই সংস্থার এক কর্মী বলেন, সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্যই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এরফলে গৃহস্থ অনেক সস্তায় গ্যাস পাবে। বাঁকুড়া শহরের বেশকিছু ওয়ার্ড অত্যন্ত ঘিঞ্জি। সেই কারণে কাজে কিছুটা দেরি হচ্ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে আমরা মনে করছি। আধিকারিকরা বিষয়টি নিয়ে পুর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন।
সম্পর্কিত সংবাদ