সংবাদদাতা, ডোমকল: লড়াই তো দূর, মনোনয়নপত্রই সংগ্রহ করলেন না বিরোধীরা। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রানিনগরের বেণীপুর-তেজসিংহপুর সমবায় সমিতির নির্বাচনে তৃণমূল জয়ী হল।
Advertisement
১৯৬৫ সালে ওই সমবায় সমিতি স্থাপিত হয়। সেখানে ভোটারসংখ্যা ৪২৬ । নয় সদস্যের পরিচালকমণ্ডলী থাকে। ২১ ডিসেম্বর ওই পরিচালকমণ্ডলীর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। সেজন্য শুক্রবার থেকে শনিবার বিকেল ৩টে অবধি মনোনয়নপত্র সংগ্রহের দিন ছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তৃণমূলের ন’জন প্রার্থী ছাড়া কেউ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেনি। ফলে ২০১৯সালের মতো এবারও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূল কংগ্রেস ওই সমবায় সমিতির প্রতিটি আসনেই জয়লাভ করল। এদিন রানিনগরের বিধায়ক আবদুল সৌমিক হোসেন তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি বলেন, এই ভোটের ফল প্রমাণ করল, বিরোধী বলে কিছুই নেই। সব জায়গাতেই বিরোধীরা শূন্য।
রানিনগর-২ ব্লক কংগ্রেস সভানেত্রী মমতাজ বেগম হীরা বলেন, কারও সঙ্গে আলোচনায় না বসেই নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ওই নির্বাচনের জন্য কোনও প্রথম শ্রেণির সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়নি। আসলে ওরা লুকিয়ে ভোট করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জামাল হোসেন বলেন, সব জায়গাতেই লাঠি ও পুলিসের ভয় দেখিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হচ্ছে না। এখানে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতেও দেওয়া হয়নি। ওই সমবায় সমিতির ম্যানেজার বজলুর রহমান বলেন, আমরা খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলাম। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ন’জন ছাড়া আর কেউ আবেদনপত্র সংগ্রহ করেনি।
রানিনগর-২ ব্লক কংগ্রেস সভানেত্রী মমতাজ বেগম হীরা বলেন, কারও সঙ্গে আলোচনায় না বসেই নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ওই নির্বাচনের জন্য কোনও প্রথম শ্রেণির সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়নি। আসলে ওরা লুকিয়ে ভোট করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জামাল হোসেন বলেন, সব জায়গাতেই লাঠি ও পুলিসের ভয় দেখিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হচ্ছে না। এখানে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতেও দেওয়া হয়নি। ওই সমবায় সমিতির ম্যানেজার বজলুর রহমান বলেন, আমরা খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলাম। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ন’জন ছাড়া আর কেউ আবেদনপত্র সংগ্রহ করেনি।



