সংবাদদাতা, বহরমপুর: বধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির চারজনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের হল। পুলিস জানিয়েছে, মৃতার নাম মলিনা বিবি(৩২)। বাড়ি রানিনগর থানার বালিদিয়ার এলাকায়। তাঁর বাপের বাড়ির সদস্যদের অভিযোগ, মলিনাকে বেধড়ক মারধরের পর শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। পরে বাথরুমে দেহ ঝুলিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা প্রমাণের চেষ্টা করা হয়েছে। রানিনগর থানার পুলিস তদন্তে নেমে মৃতার স্বামী মোস্তাকিম শেখকে গ্রেপ্তার করেছে। এদিন ধৃতকে বহরমপুর জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
১৪বছর আগে মোস্তাকিমের সঙ্গে মলিনার বিয়ে হয়। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের দু’বছর পার হতে না হতেই মলিনার উপর শারীরিক নির্যাতন শুরু হয়। কখনও অতিরিক্ত পণের দাবিতে, কখনও কাজ না করার অজুহাতে তাঁকে মারধর করা হতো। একবার মেরে ওই বধূর বুকের পাঁজর, আরেকবার হাত ভেঙে দেওয়া হয়। আরও অভিযোগ, বছরখানেক আগে মলিনাকে জলে ডুবিয়ে মারার চেষ্টা হয়েছিল। কোনওরকমে ওই বধূ প্রাণে বেঁচেছিলেন। থানায় লিখিত অভিযোগ হয়েছিল। কিন্তু, পরে সালিশি করে ফের তাঁকে শ্বশুরবাড়ি পাঠানো হয়।
মৃতার দাদা গোলাম মোস্তফা বলেন, শুক্রবার রাতে বোনকে পিটিয়ে ও পরে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। পরে বাথরুমে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। আমরা এক পড়শির মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছই। সেখানে গিয়ে দেখি, বোনের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তড়িঘড়ি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত বলে জানিয়ে দেন। শনিবার রানিনগর থানার মলিনার স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি সহ চারজনের নামে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়। এরপরই পুলিস মোস্তাকিমকে গ্রেপ্তার করে।
মৃতার দাদা গোলাম মোস্তফা বলেন, শুক্রবার রাতে বোনকে পিটিয়ে ও পরে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। পরে বাথরুমে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। আমরা এক পড়শির মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছই। সেখানে গিয়ে দেখি, বোনের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তড়িঘড়ি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত বলে জানিয়ে দেন। শনিবার রানিনগর থানার মলিনার স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি সহ চারজনের নামে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়। এরপরই পুলিস মোস্তাকিমকে গ্রেপ্তার করে।



