নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: রানিগঞ্জ থানার মঙ্গলপুর শিল্পতালুকে রডের গোডাউনে এক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সত্যদেব পতি(৪২)। তাঁর বাড়ি পুরুলিয়া জেলার হুড়া থানা এলাকায়। মঙ্গলবার সকালে রডের গোডাউনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের অভিযোগ, তাঁদের নিরাপত্তার কোনও ব্যবস্থা করে না কর্তৃপক্ষ। ঝুঁকি নিয়েই শ্রমিকরা উপর থেকে রডের বান্ডিল ক্রেনের সাহায্যে নামানোর কাজ চলছিল। সেই সময়েই দুর্ঘটনাবশত সত্যদেব উপর থেকে ছিটকে পড়েন। অভিযোগ, দুঘর্টনার পরও দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স করে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা পর্যন্ত করেনি কর্তৃপক্ষ। অনেক পরে রানিগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শ্রমিককে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
Advertisement
দ্বিতীয় দফায় শ্রমিক বিক্ষোভ শুরু হয় হাসপাতালের সামনে। সেখানে শ্রমিকরা অভিযোগ করতে থাকেন, মালিকপক্ষ শ্রমিকদের প্রতি চরম বঞ্চনা করছে। কয়েকশো শ্রমিক কাজ করলেও এখনও পিএফ, ইএসআই সুবিধা দেওয়া হয়নি। কোনওরকম সেফটি সামগ্রী তাঁদের দেওয়া হয় না, যাতে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। স্থানীয়রা এমনও অভিযোগ করেন, মালিক পক্ষ এখানে এক নাবালক শ্রমিককে চোরের অপবাদ দিয়ে কাজ থেকে বের করার পর সে আত্মহত্যাও করে।
গোডাউনের শ্রমিক জয়ন্ত বাউরি বলেন, শ্রমিক নিরাপত্তার জন্য কোনও ব্যবস্থা করা হয় না। আমরা প্রাণ হাতে নিয়ে কাজ করি। এদিনের ঘটনা এই কারণেই ঘটেছে। স্থানীয় কাউন্সিলার তথা আইএনটিটিইউসির শহর সভাপতি রণজিৎ সিং ওরফে জ্যোতি বলেন, এই গোডাউনের এক শ্রমিককে চোর অপবাদ দেওয়ায় সে আত্মহত্যা করেছিল। এখানে সেফটির কোনও ব্যবস্থা নেই। বাইরে থেকে পরিদর্শনে এলে সেদিন সবকিছু সাজিয়ে দেখানো হয়। এভাবে শ্রমিক বঞ্চনা মেনে নেওয়া হবে না।
গোডাউন মালিক উমেশ ডোকানিয়া বলেন, সব রকমে সেফটি সরঞ্জাম শ্রমিকদের দেওয়া হয়েছে। এর আগে কখনও এখানে এধরনের ঘটনা ঘটেনি। এই ধরনের ঘটনা ঘটারও কথা নয়। শ্রমিকদের পিএফ, ইএসআই চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি। মৃত শ্রমিকের পরিবারের পাশে থাকব।
গোডাউনের শ্রমিক জয়ন্ত বাউরি বলেন, শ্রমিক নিরাপত্তার জন্য কোনও ব্যবস্থা করা হয় না। আমরা প্রাণ হাতে নিয়ে কাজ করি। এদিনের ঘটনা এই কারণেই ঘটেছে। স্থানীয় কাউন্সিলার তথা আইএনটিটিইউসির শহর সভাপতি রণজিৎ সিং ওরফে জ্যোতি বলেন, এই গোডাউনের এক শ্রমিককে চোর অপবাদ দেওয়ায় সে আত্মহত্যা করেছিল। এখানে সেফটির কোনও ব্যবস্থা নেই। বাইরে থেকে পরিদর্শনে এলে সেদিন সবকিছু সাজিয়ে দেখানো হয়। এভাবে শ্রমিক বঞ্চনা মেনে নেওয়া হবে না।
গোডাউন মালিক উমেশ ডোকানিয়া বলেন, সব রকমে সেফটি সরঞ্জাম শ্রমিকদের দেওয়া হয়েছে। এর আগে কখনও এখানে এধরনের ঘটনা ঘটেনি। এই ধরনের ঘটনা ঘটারও কথা নয়। শ্রমিকদের পিএফ, ইএসআই চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি। মৃত শ্রমিকের পরিবারের পাশে থাকব।



