নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: একদিন নয়, পরপর দু’দিন। দিনে দুপুরে জনবহুল শহরের রাস্তা থেকে সোনার গয়না হাপিস করল দুষ্কৃতীরা! এরমধ্যে একটি পরিকল্পিত কেপমারি। তাও আবার পুলিসের পরিচয় দিয়ে। অন্যটি ছিনতাই। দু’টি ঘটনাতেই রানাঘাট থানায় দায়ের হয়েছে লিখিত অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে রানাঘাট থানার পুলিস। শুধু তাই নয়, রাতের পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে দিনের নজরদারিও। যদিও দু’টি ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের কেউ এখনও গ্রেপ্তার হয়নি।
Advertisement
ঠিক কী ঘটেছিল? স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম ঘটনাটি কেপমারির। রবিবার জনবহুল শহরের প্রাণকেন্দ্র কামারপাড়া এলাকায় ঘটে ঘটনাটি। রানাঘাট পুরসভার এক ঠিকাদার, নাম নিরঞ্জন সাহা রিকশয় চড়ে যাচ্ছিলেন ইলেকট্রিক অফিসের দিকেই। হঠাৎ একটি বাইকে দুই অজ্ঞাত পরিচয় যুবক এসে পথ আটকায়। নিজেদের পুলিস পরিচয় দিয়ে নিরঞ্জনবাবুকে বলে, তারা পুলিসের লোক। সামনেই ছিনতাই হচ্ছে। তাই নিরঞ্জনবাবু যত সোনার অলঙ্কার পরে রয়েছেন তা বিপজ্জনক। এরপর ওই দুষ্কৃতীরাই নিরঞ্জনবাবুর হাতে একটি কাগজ পেতে দিয়ে বলেন, হাতের সমস্ত আংটি বা অন্যান্য সোনার গয়না খুলে ওই কাগজের উপর রেখে পকেটে ভরে নিতে। পুলিস পরিচয় দেওয়ায় তাদের কথায় ভরসাও করেন ওই প্রৌঢ়। সঙ্গে সঙ্গে তিনি কাগজে সমস্ত আংটি ও অন্যান্য গয়না খুলে ভরে নেন। এরপর একটি রুমালে সেই কাগজের মোড়া ভরে পকেটে রাখতে বলে দুই আগন্তুক। এরই মাঝে সুযোগ সন্ধানী দুষ্কৃতীরা বদলে নেয় গয়নার মোড়কটি। পরে গন্তব্যে পৌঁছে রুমাল খুলে ওই প্রৌঢ় দেখেন, আসল সোনার গয়না হাওয়া। তার বদলে ভিতরে রয়েছে কয়েকটি সিটি গোল্ডের গয়না। এরপরই তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন রানাঘাট থানায়।
দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার। রানাঘাট পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এক কিশোরী তার বান্ধবীর সঙ্গে হেঁটে চৌরঙ্গী মোড় দিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় একটি বাইকে দুই যুবক এসে আচমকা কোর্টপাড়ার বাসিন্দা ওই কিশোরীর গলা থেকে সোনার হার ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়। এই ঘটনাতেও রানাঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে রানাঘাট শহরে। রাতের অন্ধকার নয়, প্রকাশ্য দিবালোকে জনবহুল শহরের রাস্তায় নিরাপত্তার এই বেহাল অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শহরবাসী। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের এক কর্তা বলেন, আমরা দু’টি ঘটনাতেই অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শুরু হয়েছে। দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। আশা করছি দ্রুত দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।
দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার। রানাঘাট পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এক কিশোরী তার বান্ধবীর সঙ্গে হেঁটে চৌরঙ্গী মোড় দিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় একটি বাইকে দুই যুবক এসে আচমকা কোর্টপাড়ার বাসিন্দা ওই কিশোরীর গলা থেকে সোনার হার ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়। এই ঘটনাতেও রানাঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে রানাঘাট শহরে। রাতের অন্ধকার নয়, প্রকাশ্য দিবালোকে জনবহুল শহরের রাস্তায় নিরাপত্তার এই বেহাল অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শহরবাসী। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের এক কর্তা বলেন, আমরা দু’টি ঘটনাতেই অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শুরু হয়েছে। দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। আশা করছি দ্রুত দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।



