নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: প্রথমে পুনর্গণনার নির্দেশ দিলেও এবার সেই নির্দেশেই স্থগিতাদেশ দিল রানাঘাট মহকুমা আদালত। রানাঘাট-২ ব্লকের আইশমালি পঞ্চায়েতের একটি আসনে পুনর্গণনার নির্দেশ ও তার উপর স্থগিতাদেশ নিয়ে রাজনৈতিক তর্জা শুরু হয়েছে। ওই আসনের উপরই নির্ভর করছে, সেই পঞ্চায়েতের রাশ কার হাতে থাকবে। আইশমালি জেলার একমাত্র সিপিএম পরিচালিত পঞ্চায়েত।
Advertisement
রানাঘাট-২ এর বিডিও শুভজিৎ জানা বলেন, আদালতের নির্দেশ আমরা মানতে বাধ্য। আগে গণনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এখন স্থগিতাদেশ দিলে তাই মানতে হবে।
২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে রানাঘাট-২ ব্লকের ওই পঞ্চায়েতের দখল নেয় সিপিএম। একটি আসনে মাত্র পাঁচ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূলের নার্গিস বিশ্বাসকে পরাজিত করে জয়ী হন সিপিএম প্রার্থী রেখা খাতুন মণ্ডল। তাঁর ঝুলিতে আসে ৪৬৮টি ভোট। ফলপ্রকাশের পরই পুনর্গণনার আবেদন করে বিডিওর দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। কিন্তু সেই আবেদন নাকচ হয়ে যায়। এরপরেই ফের গণনা চেয়ে নার্গিস বিশ্বাস আদালতের দ্বারস্থ হন। মাত্র কয়েকদিন আগেই পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছিল রানাঘাট আদালত। ৭ মার্চ সেই গণনা হওয়ার কথা ছিল। পাল্টা সিপিএমের তরফে মামলা করা হলে বিচারক আগের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি বিচারক সুইটি যাদবের সেই রায়ের পর স্বস্তিতে সিপিএম। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ওই একটি আসনের উপরই নির্ভর করছে, পঞ্চায়েতের বোর্ড তৃণমূল না সিপিএম-কার দিকে যাবে। তাই ফের গণনা ঠেকাতে সচেষ্ট সিপিএম। সিপিএমের পঞ্চায়েত সদস্যা রেখা খাতুন মণ্ডল বলেন, আগের মামলায় আদালতের কাছে আমার বক্তব্য জানানোর সুযোগ ছিল না। পঞ্চায়েত ভোটের প্রায় দু›বছর পেরিয়েছে। ব্যালট পেপার কতটা সুরক্ষিত রয়েছে-তা নিয়ে আমাদের সংশয় আছে। তৃণমূলের তরফে নার্গিস বিশ্বাস বলেন, আইনি লড়াই চলবে। আমরা অনেক আগেই পুনর্গণনা চেয়েছিলাম। যেহেতু ফের গণনা হলে সিপিএম প্রার্থী হারবেন, তাই ভয়ে তিনি মামলা চালাতে চাইছেন। গণনা হলেই বিষয়টি জলের মতো স্পষ্ট হয়ে যাবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে আইশমালির ১২টি আসন দখল করেছিল সিপিএম। ১০টিতে তৃণমূল ও তিনটিতে বিজেপি জয়লাভ করে। বোর্ড গঠনের সময় বিজেপির দু’জন প্রার্থী তৃণমূলকে সমর্থন করেন। একজন সিপিএমকে সমর্থন করেন। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পঞ্চায়েতের কুরসি সিপিএমের কাছে যায়। কিন্তু ফের গণনায় একটি আসন তৃণমূল ছিনিয়ে নিলে বোর্ড শাসকদলের হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে জেলায় সিপিএমের দখলে থাকা একমাত্র পঞ্চায়েত হাতছাড়া হতে পারে। নিজস্ব চিত্র
২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে রানাঘাট-২ ব্লকের ওই পঞ্চায়েতের দখল নেয় সিপিএম। একটি আসনে মাত্র পাঁচ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূলের নার্গিস বিশ্বাসকে পরাজিত করে জয়ী হন সিপিএম প্রার্থী রেখা খাতুন মণ্ডল। তাঁর ঝুলিতে আসে ৪৬৮টি ভোট। ফলপ্রকাশের পরই পুনর্গণনার আবেদন করে বিডিওর দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। কিন্তু সেই আবেদন নাকচ হয়ে যায়। এরপরেই ফের গণনা চেয়ে নার্গিস বিশ্বাস আদালতের দ্বারস্থ হন। মাত্র কয়েকদিন আগেই পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছিল রানাঘাট আদালত। ৭ মার্চ সেই গণনা হওয়ার কথা ছিল। পাল্টা সিপিএমের তরফে মামলা করা হলে বিচারক আগের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি বিচারক সুইটি যাদবের সেই রায়ের পর স্বস্তিতে সিপিএম। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ওই একটি আসনের উপরই নির্ভর করছে, পঞ্চায়েতের বোর্ড তৃণমূল না সিপিএম-কার দিকে যাবে। তাই ফের গণনা ঠেকাতে সচেষ্ট সিপিএম। সিপিএমের পঞ্চায়েত সদস্যা রেখা খাতুন মণ্ডল বলেন, আগের মামলায় আদালতের কাছে আমার বক্তব্য জানানোর সুযোগ ছিল না। পঞ্চায়েত ভোটের প্রায় দু›বছর পেরিয়েছে। ব্যালট পেপার কতটা সুরক্ষিত রয়েছে-তা নিয়ে আমাদের সংশয় আছে। তৃণমূলের তরফে নার্গিস বিশ্বাস বলেন, আইনি লড়াই চলবে। আমরা অনেক আগেই পুনর্গণনা চেয়েছিলাম। যেহেতু ফের গণনা হলে সিপিএম প্রার্থী হারবেন, তাই ভয়ে তিনি মামলা চালাতে চাইছেন। গণনা হলেই বিষয়টি জলের মতো স্পষ্ট হয়ে যাবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে আইশমালির ১২টি আসন দখল করেছিল সিপিএম। ১০টিতে তৃণমূল ও তিনটিতে বিজেপি জয়লাভ করে। বোর্ড গঠনের সময় বিজেপির দু’জন প্রার্থী তৃণমূলকে সমর্থন করেন। একজন সিপিএমকে সমর্থন করেন। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পঞ্চায়েতের কুরসি সিপিএমের কাছে যায়। কিন্তু ফের গণনায় একটি আসন তৃণমূল ছিনিয়ে নিলে বোর্ড শাসকদলের হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে জেলায় সিপিএমের দখলে থাকা একমাত্র পঞ্চায়েত হাতছাড়া হতে পারে। নিজস্ব চিত্র



