নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: কল্যাণীর রথতলায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা এখনও মানুষের মনে টাটকা। ওই ঘটনায় রানাঘাট পুলিস জেলার এসপি অফিস থেকে অল্প দূরত্বেই কীভাবে বেআইনি বাজির রমরমা কারবার চলছিল-তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এবার পুলিস বেআইনি বাজির খোঁজে জেলার বিভিন্ন এলাকায় হানা দিল। প্রচুর পরিমাণ বেআইনি বাজি উদ্ধারের পাশাপাশি তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
Advertisement
সূত্রের খবর, বেআইনি বাজির খোঁজে শুক্রবার রাতভর রানাঘাট পুলিস জেলার কয়েকটি দল অভিযান চালায়। সবমিলিয়ে, প্রায় ৪০টি জায়গায় ওই দলটি হানা দেয়। এর মধ্যে তিনটি জায়গা থেকে পুলিস বিপুল পরিমাণ বেআইনি বাজি উদ্ধার করতে পেরেছে।
কল্যাণী থানা এলাকার বিধানপল্লি থেকে প্রায় ৪০কেজি বেআইনি বাজি উদ্ধার হয়েছে। চাকদহ থানা এলাকার চাঁদুরিয়া মালোপাড়া থেকে সাড়ে নয় কেজি বেআইনি বাজি উদ্ধার হয়েছে। অভিযান চালানো হয়েছিল গাংনাপুর থানা এলাকাতেও। সেখানকার বিবেকানন্দপল্লি এলাকা থেকে পাঁচ কেজি বেআইনি বাজি উদ্ধার হয়েছে। তিন জায়গা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম উত্তম দাস, অভিজিৎ হালদার ও রাজু শীল। উত্তম কল্যাণীর রথতলা বিধানপল্লির বাসিন্দা। অভিজিৎ চাকদহের মালোপাড়ায় থাকে। রাজুর বাড়ি গাংনাপুরের বিবেকানন্দপল্লিতেই। ইতিমধ্যেই ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। আর কোথায় কোথায় বেআইনি বাজি মজুত রয়েছে, কারা কারা বাজির বেআইনি কারবার করছে-তাদের খোঁজে পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। -নিজস্ব চিত্র
কল্যাণী থানা এলাকার বিধানপল্লি থেকে প্রায় ৪০কেজি বেআইনি বাজি উদ্ধার হয়েছে। চাকদহ থানা এলাকার চাঁদুরিয়া মালোপাড়া থেকে সাড়ে নয় কেজি বেআইনি বাজি উদ্ধার হয়েছে। অভিযান চালানো হয়েছিল গাংনাপুর থানা এলাকাতেও। সেখানকার বিবেকানন্দপল্লি এলাকা থেকে পাঁচ কেজি বেআইনি বাজি উদ্ধার হয়েছে। তিন জায়গা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম উত্তম দাস, অভিজিৎ হালদার ও রাজু শীল। উত্তম কল্যাণীর রথতলা বিধানপল্লির বাসিন্দা। অভিজিৎ চাকদহের মালোপাড়ায় থাকে। রাজুর বাড়ি গাংনাপুরের বিবেকানন্দপল্লিতেই। ইতিমধ্যেই ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। আর কোথায় কোথায় বেআইনি বাজি মজুত রয়েছে, কারা কারা বাজির বেআইনি কারবার করছে-তাদের খোঁজে পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। -নিজস্ব চিত্র



