নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: রানাঘাটে জোড়া খুন কাণ্ডে শুক্রবার প্রথম সাক্ষ্যগ্রহণ হল। এদিন মামলাকারী তথা নিহত ব্যবসায়ী সুমন চক্রবর্তীর স্ত্রী দেবদত্তা মুখোপাধ্যায় রানাঘাট মহকুমা আদালতে সাক্ষ্যদান করেন। যদিও অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী তাঁকে জেরা করার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ফলে সাক্ষ্যদান হলেও জেরা প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়। মামলার বিচারপ্রক্রিয়া চলে রানাঘাট মহকুমা আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক সৌমেন গুপ্তর এজলাসে।
Advertisement
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৫ জুলাই রানাঘাটের আনুলিয়ায় একটি নির্মীয়মাণ বাড়ি থেকে ব্যবস্থায় সুমনবাবু ও তাঁর গাড়ির চালক রূপম দাসের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্ত দীপক স্বর্ণকারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিন দুপুর ১২টার পর তাকে আদালতের লকআপ থেকে এজলাসে নিয়ে আসা হয়। এরপর শুরু হয় মামলার সাক্ষ্যদান। অভিযোগকারী মহিলা বিচারককে জানান, স্বামীকে খুন করার ঘটনায় দীপক ছাড়াও একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে। শুধু তাই নয়, বিষয়টি তিনি অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছিলেন বলে মন্তব্য করেন। পাশাপাশি তিনি অভিযুক্তকে শনাক্ত করেন। এরপর অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী সুমন রায় দেবদত্তাদেবীকে জেরা শুরু করেন। কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিলেও মহিলা আদালতকে জানান, তিনি অসুস্থ বোধ করছেন। যা শুনে এদিনের মত প্রক্রিয়া স্থগিত রাখেন বিচারক।
বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী সুমন রায় বলেন, দ্রুতগতিতে বিচার প্রক্রিয়া অগ্রসর হচ্ছে। আমরা আশাবাদী অল্পদিনের মধ্যেই আমার মক্কেল নির্দোষ বলে প্রমাণিত হবেন।
মামলার সরকারি আইনজীবী দেবরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অভিযোগকারী আদালতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তাই আমরা বিচারকের কাছে আবেদন রাখি এদিন সাক্ষ্যদান ও জেরা পর্ব স্থগিত করার। সেই আবেদনে সম্মতি জানায় আদালত। মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যদান হবে ২৪ ফেব্রুয়ারি।
বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী সুমন রায় বলেন, দ্রুতগতিতে বিচার প্রক্রিয়া অগ্রসর হচ্ছে। আমরা আশাবাদী অল্পদিনের মধ্যেই আমার মক্কেল নির্দোষ বলে প্রমাণিত হবেন।
মামলার সরকারি আইনজীবী দেবরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অভিযোগকারী আদালতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তাই আমরা বিচারকের কাছে আবেদন রাখি এদিন সাক্ষ্যদান ও জেরা পর্ব স্থগিত করার। সেই আবেদনে সম্মতি জানায় আদালত। মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যদান হবে ২৪ ফেব্রুয়ারি।



