সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মূল্যবান লাল চন্দন গাছ বাঁচাতে এবার রামপুরহাটের হস্তিকাঁদা জঙ্গলে বাড়তি নিরাপত্তায় জোর দিল বনদপ্তর। বনরক্ষা কমিটিকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি দিনরাত টহলদারি শুরু হয়েছে। অমূল্য সম্পদ ‘লাল সোনা’ বাঁচানোই এখন চ্যালেঞ্জ বনদপ্তরের কাছে। কিন্তু তারপরও চোরাগোপ্তা পাচার হতে পারে বলে অনুমান এলাকার মানুষের। দপ্তরের এক কর্মী জানান, চোরাচালানকারীদের মোকাবিলা করার জন্য পর্যাপ্ত কর্মী নেই বনদপ্তরের। সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগাচ্ছে বাস্তবের ‘পুষ্পা’রা। বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানায় নদীতীর ও জঙ্গলে চলছে পুষ্পারাজ। সাফ হয়ে যাচ্ছে বন। প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সক্রিয় চোরাচালানকারীরা। ফলে উজাড় হয়েছে নদীতীর। ক্রমশ ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে জঙ্গল।
Advertisement
স্থানীয়রা বলেন, একের পর এক অবৈধ কাঠমিল গড়ে ওঠায় বৃক্ষ নিধনের হার ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব কাঠমিলের অবস্থান সীমানা এলাকায় হওয়ায় দিন ও রাতে সেখানে অবৈধ কাঠ চেরাই করা হচ্ছে। অবৈধ কাঠমিলের কারণে স্থানীয় প্রকৃতি ও পরিবেশ বিনষ্টের পাশাপাশি চোরকারবারীদের তৎপরতায় নদীপাড় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এলাকাবাসীরা বলেন, শাল, সেগুন, মেহগনির মতো দামি গাছ কেটে ট্রাক্টর ও যন্ত্রচালিত ভ্যানে করে আনা হয় কাঠমিলে। এরপর সেখানে চেরাইয়ের পর রাতের অন্ধকারে পাচার হয়ে যাচ্ছে। সিন্ডিকেট গড়ে পাচারের কাজ চলছে। খবর পেয়ে মাঝেমধ্যে বনদপ্তরের লোক এসে গাছের কাটা অংশগুলি উদ্ধার করে নিয়ে যান। এর বেশি তদন্ত হয় না। তবে এবার চোরচালানকারীদের নজরে পড়েছে লাল সোনা। দক্ষিণ ভারতে যাকে ‘লাল রক্ত’ বলা হয়। পূর্ণাঙ্গ লাল চন্দনের গাছ কেটে পাচার চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গত রবিবার গভীর রাতে হস্তিকাঁদা জঙ্গল থেকে বহু পুরনো লাল চন্দনের দু’টি গাছ কেটে পাচার চলছিল। পুলিস অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। পরের দিন খবর পেয়ে কিছুটা দূরের শালতোড়া গ্রাম থেকে আরও একটি চন্দন গাছের কাটা অংশ উদ্ধার করে বনদপ্তর। ঘটনাস্থল থেকে পুলিস একটি ট্রাক্টর, বাইক ও চারচাকা গাড়ি সহ চালকদের গ্রেপ্তার করে। চারদিন পেরিয়ে গেলেও বাস্তবের পুষ্পাদের ধরতে পারেনি পুলিস।
এদিকে এই জঙ্গলে এখনও বহু পূর্ণাঙ্গ লাল চন্দনের গাছ রয়েছে। চুরি রুখতে এতদিন বনদপ্তর এগুলিকে মুর্গা গাছ বলে এসেছে। কিন্তু এই চুরি কাণ্ডের বিষয়টি সামনে আসার পর তৎপর হয়েছে বনদপ্তর। রেঞ্জার সঞ্জীবকুমার সাহা বলেন, হস্তিকাঁদা জঙ্গলের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। সেই সঙ্গে বনরক্ষা কমিটিকে সজাগ থাকতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, কর্মীর সংখ্যা কম। তাই জেলার বিভিন্ন বিট অফিসের কর্মীদের এনে দিনরাত টহলদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদিও স্থানীয়রা বলছেন, সর্ষের মধ্যেই ভূত রয়েছে। নাহলে এভাবে মূল্যবান গাছ চুরি সম্ভব নয়।
এদিকে পুলিস সূত্রের খবর, ধৃতদের জেরা করে একজনের নাম পাওয়া গিয়েছে। লাল চন্দন গাছ কেটে পাচারের মূল পান্ডা সে। সেই ব্যক্তি রামপুরহাটের ঝাড়খণ্ড সীমানায় কাঠমিলের আড়ালে লাল সোনার কারবার করে ফুলেফেঁপে উঠেছে। তার সঙ্গে আন্তঃরাজ্য লাল সোনা কারবারিদের যোগ থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিস। সেই সঙ্গে বনদপ্তরের স্থানীয় এক কর্মীর ভূমিকাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী অফিসার।
এদিকে এই জঙ্গলে এখনও বহু পূর্ণাঙ্গ লাল চন্দনের গাছ রয়েছে। চুরি রুখতে এতদিন বনদপ্তর এগুলিকে মুর্গা গাছ বলে এসেছে। কিন্তু এই চুরি কাণ্ডের বিষয়টি সামনে আসার পর তৎপর হয়েছে বনদপ্তর। রেঞ্জার সঞ্জীবকুমার সাহা বলেন, হস্তিকাঁদা জঙ্গলের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। সেই সঙ্গে বনরক্ষা কমিটিকে সজাগ থাকতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, কর্মীর সংখ্যা কম। তাই জেলার বিভিন্ন বিট অফিসের কর্মীদের এনে দিনরাত টহলদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদিও স্থানীয়রা বলছেন, সর্ষের মধ্যেই ভূত রয়েছে। নাহলে এভাবে মূল্যবান গাছ চুরি সম্ভব নয়।
এদিকে পুলিস সূত্রের খবর, ধৃতদের জেরা করে একজনের নাম পাওয়া গিয়েছে। লাল চন্দন গাছ কেটে পাচারের মূল পান্ডা সে। সেই ব্যক্তি রামপুরহাটের ঝাড়খণ্ড সীমানায় কাঠমিলের আড়ালে লাল সোনার কারবার করে ফুলেফেঁপে উঠেছে। তার সঙ্গে আন্তঃরাজ্য লাল সোনা কারবারিদের যোগ থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিস। সেই সঙ্গে বনদপ্তরের স্থানীয় এক কর্মীর ভূমিকাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী অফিসার।



