সংবাদদাতা, রামপুরহাট: নতুন বছরের শুরুতেই রামপুরহাট স্বাস্থ্যজেলার আটটি ব্লকের ২৫টি পঞ্চায়েতকে টিবিমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করতে চলেছে প্রশাসন। আগামী ২৪ মার্চ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবসে জেলাশাসক বিধান রায় ওই পঞ্চায়েতগুলি টিবি-মুক্ত তকমা ও শংসাপত্র তুলে দেবেন। স্বাস্থ্যজেলার ডেপুটি সিএমওএইচ-১ অমিতাভ সাহা বলেন, এবার নিক্ষয় মিত্র প্রকল্পে জেলাশাসকের কাছ থেকে ২৬ লক্ষ ৫০হাজার টাকা আমরা পেয়েছি। সেটা আমাদের খুব সাহায্য করেছে। প্রতিটি পঞ্চায়েত এলাকার যেসব রোগী বাকি ছিলেন তাঁদের আমরা এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত করতে পেরেছি। তাতেই আমরা ২৫টি পঞ্চায়েতকে টাগের্ট করেছি। যাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে টিবিমুক্ত পঞ্চায়েত হিসেবে ঘোষণা করা হবে।
Advertisement
২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বকে টিবি-মুক্ত করার ডাক দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৫ সালের মধ্যেই দেশকে টিবিমুক্ত করতে চায়। সেই লক্ষ্যে নিক্ষয় মিত্র নামে একটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। নিক্ষয় মিত্র অভিযানের অধীনে পর্যাপ্ত পুষ্টির জন্য রোগীদের ‘নিউট্রিশন কিট’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যক্ষ্মা রোগীদের কমপক্ষে এক বছর এবং সর্বোচ্চ তিন বছরের জন্য দত্তক নেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। যাতে তাদের খাদ্য, পুষ্টি, জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা যায়। যেকেউ স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুমতি সাপেক্ষে যক্ষ্মা রোগীকে দত্তক নিতে পারবেন। ‘টিবি-মুক্ত বাংলা’ কর্মসূচির অধীনে ‘টিবি-মুক্ত পঞ্চায়েত’ গড়ার লক্ষ্যে এগনোর মূল উদ্দেশ্য, গ্রামের একেবারে তৃণমূল স্তরে যক্ষ্মা নিয়ে সচেতনতা তৈরি এবং রোগকে চিহ্নিত ও নির্মূল করা।



