সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটের একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসকের গাফিলতিতে এক যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। মঙ্গলবার দুপুরে ওই চিকিৎসক ও নার্সিংহামের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের করেছে মৃতের পরিবার। যদিও চিকিৎসক ও নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হবে। ইমরানের বাড়িতে স্ত্রী ও একবছরের শিশুকন্যা রয়েছে।
Advertisement
বছরখানেক আগে মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানার গোদাপাড়ার বছর তিরিশের ইমরান হোসেনের কিডনিতে স্টোন ধরা পড়ে। তখন থেকেই তিনি রামপুরহাট মেডিক্যালের ডাক্তার সাদ্দাকাস আলিকে তাঁর প্রাইভেট চেম্বারে দেখিয়ে আসছেন। ৩১ ডিসেম্বর তিনি ওই চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়েছিলেন।
ইমরানের পরিবারের দাবি, তখন চিকিৎসক তাঁকে অস্ত্রোপচার করার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের কথামতো শনিবার তিনি রামপুরহাটের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন। ইমরানের জামাইবাবু রহিম আলি বলেন, ওইদিন চিকিৎসককে নগদ ১০হাজার টাকা দিই ও স্বাস্থ্যসাথী কার্ড জমা করি। পরদিন সন্ধ্যা নাগাদ অস্ত্রোপচার শেষে যখন আমার শ্যালককে বেডে দেওয়া হয়, তখন ওর মূত্রনালী দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। অনবরত রক্তক্ষরণের জেরে রাত ৯টা থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সেসময় চিকিৎসক, নার্সিংহোমের জরুরি বিভাগে বারবার জানালেও রোগীর চিকিৎসা করা হয়নি। পরদিন সাদ্দাকাস আলিও রোগীর ঠিকমতো চিকিৎসা করেননি। যার জেরে সোমবার গভীর রাত থেকে ঘন ঘন বমি, খিচুনি ও মূত্রনালী থেকে রক্তক্ষরণ হতেই থাকে। ভোরের দিকে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে বলি, ডাক্তারকে ফোন করে ডাকুন। কিন্তু কেউ সহযোগিতা করেননি। অবশেষে সকালে দিকে শ্যালক মারা যায়।
মৃতের আত্মীয় রিপন শেখ বলেন, ইমরানের মৃত্যুর পর চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু কীভাবে সে মারা গেল, সেব্যাপারে তিনি কিছুই বলতে পারেননি। অথচ ডেথ সার্টিফিকেটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কথা লিখে চলে গিয়েছেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস দেহ ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যালের মর্গে পাঠিয়েছে। পরিবারের দাবি, চিকিৎসক ও নার্সিংহোমের গাফিলতির কারণেই এই মৃত্যু হয়েছে। পুলিস ঘটনার প্রকৃত তদন্ত করে অভিযুক্তদের শাস্তির ব্যবস্থা করুক। প্রয়োজনে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হবেন।
এবিষয়ে নার্সিংহোমের মালিক বাবর আলি বলেন, অস্ত্রোপচারের পর রোগী সুস্থই ছিল। হাঁটাচলা করছিল। এরপর হঠাৎ ঘুমের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। গাফিলতির অভিযোগ সঠিক নয়।
অভিযুক্ত চিকিৎসক বলেন, রোগী মারা গিয়েছেন। ওরা টাকাপয়সা চাইছিল। তাতে রাজি না হওয়ায় অভিযোগ করেছে। ওই রোগী সুস্থই ছিলেন। রাত ২টোর সময় ঘুমিয়েছিলেন। সকাল ৬টায় পরিবারের লোকজন ঘুম ভাঙানোর সময় দেখে, তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এখানে আমার গাফিলতি নেই।
ইমরানের পরিবারের দাবি, তখন চিকিৎসক তাঁকে অস্ত্রোপচার করার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের কথামতো শনিবার তিনি রামপুরহাটের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন। ইমরানের জামাইবাবু রহিম আলি বলেন, ওইদিন চিকিৎসককে নগদ ১০হাজার টাকা দিই ও স্বাস্থ্যসাথী কার্ড জমা করি। পরদিন সন্ধ্যা নাগাদ অস্ত্রোপচার শেষে যখন আমার শ্যালককে বেডে দেওয়া হয়, তখন ওর মূত্রনালী দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। অনবরত রক্তক্ষরণের জেরে রাত ৯টা থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সেসময় চিকিৎসক, নার্সিংহোমের জরুরি বিভাগে বারবার জানালেও রোগীর চিকিৎসা করা হয়নি। পরদিন সাদ্দাকাস আলিও রোগীর ঠিকমতো চিকিৎসা করেননি। যার জেরে সোমবার গভীর রাত থেকে ঘন ঘন বমি, খিচুনি ও মূত্রনালী থেকে রক্তক্ষরণ হতেই থাকে। ভোরের দিকে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে বলি, ডাক্তারকে ফোন করে ডাকুন। কিন্তু কেউ সহযোগিতা করেননি। অবশেষে সকালে দিকে শ্যালক মারা যায়।
মৃতের আত্মীয় রিপন শেখ বলেন, ইমরানের মৃত্যুর পর চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু কীভাবে সে মারা গেল, সেব্যাপারে তিনি কিছুই বলতে পারেননি। অথচ ডেথ সার্টিফিকেটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কথা লিখে চলে গিয়েছেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস দেহ ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যালের মর্গে পাঠিয়েছে। পরিবারের দাবি, চিকিৎসক ও নার্সিংহোমের গাফিলতির কারণেই এই মৃত্যু হয়েছে। পুলিস ঘটনার প্রকৃত তদন্ত করে অভিযুক্তদের শাস্তির ব্যবস্থা করুক। প্রয়োজনে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হবেন।
এবিষয়ে নার্সিংহোমের মালিক বাবর আলি বলেন, অস্ত্রোপচারের পর রোগী সুস্থই ছিল। হাঁটাচলা করছিল। এরপর হঠাৎ ঘুমের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। গাফিলতির অভিযোগ সঠিক নয়।
অভিযুক্ত চিকিৎসক বলেন, রোগী মারা গিয়েছেন। ওরা টাকাপয়সা চাইছিল। তাতে রাজি না হওয়ায় অভিযোগ করেছে। ওই রোগী সুস্থই ছিলেন। রাত ২টোর সময় ঘুমিয়েছিলেন। সকাল ৬টায় পরিবারের লোকজন ঘুম ভাঙানোর সময় দেখে, তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এখানে আমার গাফিলতি নেই।



