সংবাদদাতা, রামপুরহাট: বাজারে শীতকালীন সব্জি আসতে শুরু করেছে। এই সময় শাকসব্জির দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে। কিন্তু এবছর বাজারে এসে সব্জির দাম শুনে রীতিমতো মাথায় হাত পড়েছে সাধারণ মানুষের। তাই প্রয়োজনের তুলনায় কম বাজার করে বাসায় ফিরছেন অনেকে। দাম কমার কোনও লক্ষণই নেই, উল্টে বেড়ে চলেছে।
Advertisement
ক্রেতারা বলছেন, সব্জি সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষগুলো বিপাকে পড়েছেন। তাই তাঁদের দাবি, সরকার যাতে নিয়মিত বাজার তদারকি করে।
সোমবার বাজারে গিয়ে দেখা গেল, শীতের সব্জিতে ছয়লাপ। কিন্তু দাম? এদিনও আলুর দাম ছিল কেজি প্রতি ৩২ টাকা। পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৭০ টাকা। টমেটো কিছুটা কমে হয়েছে ৬০ টাকা কেজি। পটল, পেঁপে, মুলো, ঢেঁড়শ ৪০ টাকা কেজি। বেগুন ৬০ টাকা কেজি। গতবছর শীতের শুরুতে ফুল ও বাঁধাকপি ১৫-২০ টাকা পিস বিক্রি হয়েছিল। এখন ফুলকপি ৩৫-৪০ টাকা পিস। কেজি প্রতি বাঁধাকপির দাম ৬০ টাকা। রসুনের দাম কিছুটা কমলেও এখনও মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে। এদিন ৩০০ টাকা কেজি দরে রসুন বিকিয়েছে। একইভাবে আদা সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে। বাঙালির এই সময় প্রায় প্রতি পদে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আগে সব্জি কেনার পর কিছুটা ধনেপাতা ‘ফাউ’ হিসাবে মিলত। সেই ধনেপাতা এখন ২০০ টাকা কেজি। ঝিঙে, শসা হাফ সেঞ্চুরি করেছে। কুমড়োর প্রতি কেজির দাম পাঁচ টাকা বেড়ে হয়েছে ৩০ টাকা। সব মিলিয়ে কাঁচা আনাজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে নিম্ন থেকে মধ্যবিত্তদের।
রামপুরহাটের এক সব্জি বিক্রেতা বলেন, অতিবৃষ্টিতে সব্জি চাষের ক্ষতি হয়েছে। তাতে জোগানোর তুলনায় চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বেশি। আর এক বিক্রেতা জানান, পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।
সকালে বাজারে কেনাকাটা করতে আসা দিগন্ত দাশগুপ্ত বলেন, এখন বাজার মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে। সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছে। আগে যেটা এক কেজি কিনতাম, সেটা এখন ৫০০ গ্রাম নিচ্ছি। উপায় তো নেই।
আরেক ক্রেতা মনসুর আলি বলেন, কয়েকমাস ধরে সব্জির দাম আগুন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কয়েকদিন বাজারে নজরদারি চালাচ্ছিলেন প্রশাসনের লোকজন। এখন আর সেটা দেখছি না। প্রশাসন হস্তক্ষেপ না করলে ব্যবসায়ীদের বেপরোয়া দাম বাড়ানোয় লাগাম টানা যাবে না।
যদিও রামপুরহাট মহকুমা শাসক সৌরভ পাণ্ডে বলেন, ফের বাজারগুলিতে নিয়মিত অভিযান শুরু করব। কোথাও দাম বেশি নেওয়া হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার বাজারে গিয়ে দেখা গেল, শীতের সব্জিতে ছয়লাপ। কিন্তু দাম? এদিনও আলুর দাম ছিল কেজি প্রতি ৩২ টাকা। পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৭০ টাকা। টমেটো কিছুটা কমে হয়েছে ৬০ টাকা কেজি। পটল, পেঁপে, মুলো, ঢেঁড়শ ৪০ টাকা কেজি। বেগুন ৬০ টাকা কেজি। গতবছর শীতের শুরুতে ফুল ও বাঁধাকপি ১৫-২০ টাকা পিস বিক্রি হয়েছিল। এখন ফুলকপি ৩৫-৪০ টাকা পিস। কেজি প্রতি বাঁধাকপির দাম ৬০ টাকা। রসুনের দাম কিছুটা কমলেও এখনও মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে। এদিন ৩০০ টাকা কেজি দরে রসুন বিকিয়েছে। একইভাবে আদা সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে। বাঙালির এই সময় প্রায় প্রতি পদে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আগে সব্জি কেনার পর কিছুটা ধনেপাতা ‘ফাউ’ হিসাবে মিলত। সেই ধনেপাতা এখন ২০০ টাকা কেজি। ঝিঙে, শসা হাফ সেঞ্চুরি করেছে। কুমড়োর প্রতি কেজির দাম পাঁচ টাকা বেড়ে হয়েছে ৩০ টাকা। সব মিলিয়ে কাঁচা আনাজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে নিম্ন থেকে মধ্যবিত্তদের।
রামপুরহাটের এক সব্জি বিক্রেতা বলেন, অতিবৃষ্টিতে সব্জি চাষের ক্ষতি হয়েছে। তাতে জোগানোর তুলনায় চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বেশি। আর এক বিক্রেতা জানান, পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।
সকালে বাজারে কেনাকাটা করতে আসা দিগন্ত দাশগুপ্ত বলেন, এখন বাজার মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে। সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছে। আগে যেটা এক কেজি কিনতাম, সেটা এখন ৫০০ গ্রাম নিচ্ছি। উপায় তো নেই।
আরেক ক্রেতা মনসুর আলি বলেন, কয়েকমাস ধরে সব্জির দাম আগুন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কয়েকদিন বাজারে নজরদারি চালাচ্ছিলেন প্রশাসনের লোকজন। এখন আর সেটা দেখছি না। প্রশাসন হস্তক্ষেপ না করলে ব্যবসায়ীদের বেপরোয়া দাম বাড়ানোয় লাগাম টানা যাবে না।
যদিও রামপুরহাট মহকুমা শাসক সৌরভ পাণ্ডে বলেন, ফের বাজারগুলিতে নিয়মিত অভিযান শুরু করব। কোথাও দাম বেশি নেওয়া হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



