সংবাদদাতা, রামপুরহাট: তিন মাসেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চালু হল ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান। গত মাসের মাঝখানে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিকে নির্দিষ্ট একটি সংস্থার তৈরি রিঙ্গার ল্যাকটেট সহ মোট ১৪ ধরনের ওষুধ ও স্যালাইনের ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছিল স্বাস্থ্যভবন। ফলে রোগীর পরিবারদের বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছিল জীবনদায়ী ওষুধ। তার উপরে দীর্ঘদিন ন্যায্য মূল্যের দোকানের ঝাঁপ বন্ধ থাকায় বিশেষ করে রাতের দিকে ওষুধ জোগাড় করা কষ্টদায়ক হয়ে উঠেছিল পরিজনদের কাছে। কারণ, রাতের দিকে মেডিক্যালের বাইরে ওষুধের দোকানগুলি বন্ধ থাকে। রোগীদের সুবিধার্থে বেসরকারি ওষুধেব দোকানের নম্বর বিলি করতে হয়েছে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষকে। অবশেষে ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানটি খোলায় হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন রোগীর পরিজনরা। আগে ওষুধের দামের উপর ৫৩ শতাংশ ছাড় দেওয়া হতো। এবার সেই ছাড়ের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৮৫ শতাংশ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান। এখান থেকে কম দামে ওষুধ কিনতে পারতেন সাধারণ মানুষ। এতে সব থেকে বেশি উপকৃত হচ্ছেন গরিব, মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। কিন্তু এর মধ্যেও রোগীদের অনেককে বাইরে থেকে ওষুধ কিনে আনতে হয়। চিকিৎসকদের একাংশ যে ওষুধ লিখছেন, তা ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানে মিলছে না। এমন অভিযোগ দীর্ঘদিন থেকেই তুলে আসছিলেন রোগীর আত্মীয় পরিজনরা। এসবের মধ্যে তিন মাসের অধিক সময় ধরে বন্ধ ছিল ন্যায্য মূল্যের দোকানটি।
Advertisement
মেডিক্যালের এমএসভিপি পলাশ দাস বলেন, ন্যায্য মূল্যের দোকানটি বন্ধ থাকায় রোগীদের পরিবারের সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। সেটি চালু এবং বেশি ছাড় দেওয়ায় অনেকটাই সুবিধা হল।



