Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রামপুরহাটে জাতীয় সড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ

রামপুরহাটে জাতীয় সড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: একদিকে মহকুমা শহর রামপুরহাট। অন্যদিকে, রাজ্যের অন্যতম তীর্থক্ষেত্র তারাপীঠ। প্রধান এই দুই এলাকার মাঝখান দিয়ে চলে গিয়েছে রানিগঞ্জ-মোড়গ্রাম ১৪নম্বর জাতীয় সড়ক। এমন গুরুত্বপূর্ণ ও দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় সড়কের দু’ধারে আটবছর আগে পথবাতি বসানো হয়। কিন্তু বছর দুয়েকেরও বেশি সময় ধরে সন্ধ্যা নামলেই জাতীয় সড়ক অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে। দুর্ভোগে পড়ছেন পথচলতি মানুষজন। মাঝে-মধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটছে। কিন্তু পথবাতিগুলি সারিয়ে তোলার নাম নেই রামপুরহাট পুরসভার। 
Advertisement
শহর লাগোয়া জাতীয় সড়ক হওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। বিশেষ করে রাতের দিকে ভয়ঙ্কর অবস্থা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ২০১৭ সালে অন্ধকার জাতীয় সড়ক আলোকিত করতে তৎকালীন পরিবহণ মন্ত্রী রামপুরহাট পুরসভাকে কয়েক লক্ষ টাকা বরাদ্দ করে। সেই অর্থে জাতীয় সড়কের মনসুবা মোড় থেকে মেডিক্যাল কলেজ পেরিয়ে বাধা বাটাইল ঩মোড় পর্যন্ত সড়কের দু’ধারে এলইডি বাতিস্তম্ভ বসানো হয়। কিন্তু তারপর পুরসভার সেভাবে নজরদারি ছিল না। ফলস্বরূপ বছর দু’য়েক ধরে কোথাও বাতিস্তম্ভ দুমড়ে ফুটপাতে পড়ে রয়েছে। কোথাও আবার পথবাতির অভিমুখ ঘুরে গিয়েছে। আবার বেশিরভাগ বাতিস্তম্ভ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকলেও আলো জ্বলে না। সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকার গ্রাস করছে জাতীয় সড়ককে। ফলে জাতীয় সড়ক পেরিয়ে তারাপীঠে যাওয়ার সময় যেমন সমস্যায় পড়ছেন পর্যটকরা, তেমনই নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন অনেকে। পথবাতি না থাকায় গাড়ি চালক এবং আরোহীদের চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে। এই রাস্তা ধরে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে প্রচুর পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করে। আলোর অভাবে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটছে। ফলে সড়কের এই অংশ আবার ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ