সংবাদদাতা, রামপুরহাট: সকাল থেকেই পেটে ব্যথা ও বমি ভাব। একটি বছর যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য নির্দিষ্ট সময়ে অসুস্থতা নিয়ে সেন্টারে পৌঁছেও গিয়েছিলেন রামপুরহাটের এক উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী । কিন্তু পরীক্ষার শুরুতেই আচমকা শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তিনি বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানান। এরপরই স্কুলের পক্ষ থেকে পুলিসকে সঙ্গে দিয়ে তাঁকে রামপুরহাট মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁর আবেদন মতো তড়িঘড়ি হাসপাতালের বেডেই পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই পরীক্ষার্থীর নাম টিনা মণ্ডল। বাড়ি রামপুরহাট শহরের সীতারাম রাইস মিল পাড়ায়। তিনি রামপুরহাট গালর্স হাইস্কুলের ছাত্রী। তাঁর সিট পড়েছে রামপুরহাট জিতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবনে। এদিন সেন্টারে এসে পরীক্ষার শুরুতেই অসুস্থতা বোধ করেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে ওই পরিক্ষার্থীকে রামপুরহাট মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হলে ভর্তি করে নেওয়া হয়। অবশেষে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে হাসপাতালের বেডে বসেই ইংরেজি পরীক্ষা দিলেন টিনা। সেন্টার ইনচার্জ মল্লিকা হালদার বলেন, জিতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবন থেকে খবর পাওয়ামাত্রই ওই পরীক্ষার্থীকে রামপুরহাট মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানেই তাঁর পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। টিনা বলেন, সকাল থেকেই বমি ভাব আর পেটে ব্যথা হচ্ছিল। ওই অবস্থায় সেন্টারে পরীক্ষা দিতে আসি। কিন্তু ব্যথা অসহ্য অবস্থায় পৌঁছলে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানাই। তাঁরাই হাপাতালে ভর্তি করে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করে। নইলে আমরা একটা বছর নষ্ট হয়ে যেত।



