সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটে গেরুয়া শিবিরে ফের ভাঙন ধরাল তৃণমূল। শুক্রবার দুপুরে রামপুরহাটের কাষ্ঠগড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের হস্তিকাঁদা গ্রামের বিজেপি নেতা দলবল নিয়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন। ওই গ্রামে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন এলাকার বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দলবদল বিধানসভা নির্বাচনের আগে গেরুয়া শিবিরের কাছে বড় ধাক্কা বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
Advertisement
ত্রিস্তর পঞ্চায়েতে কাষ্ঠগড়া গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করে বিজেপি। ১৩ আসন বিশিষ্ট এই পঞ্চায়েতে বিজেপির ৭টি আসসে জিতেছিল। তৃণমূল ও বাম কংগ্রেস জোট প্রার্থী পেয়েছিল ৩টি করে আসন। একইভাবে এই অঞ্চলের ৩টি পঞ্চায়েত সমিতির আসনের মধ্যে ২টি পায় বিজেপি, একটি তৃণমূল। জেলা পরিষদের আসনে ভোটের ক্ষেত্রে প্রায় ৩০০ ভোটে পিছিয়ে আছে শাসকদল। প্রধান হন বিজেপির মহিলা মোর্চার ব্লক সভানেত্রী পিঙ্কি মণ্ডল। কিন্তু কয়েকমাস যেতে না যেতেই বিজেপির প্রতি মোহভঙ্গ হয় তাঁদের। প্রধান সহ তিন সদস্যা অনুগামীদের নিয়ে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন।
এবার গেরুয়া শিবিরের ঘাঁটি বলে পরিচিত হস্তিকাঁদা গ্রামে ভাঙন ধরাল জোড়াফুল শিবির। পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই গ্রামের দু’টি আসনেই জয় লাভ করেছিল বিজেপি। তার মধ্যে এক সদস্যা অনেক আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এদিন বিজেপির মেম্বারের এলাকার দলের নেতা সুশান্ত ঘোষ, রহিতোষ মণ্ডল, আশুতোষ মণ্ডল, কৈলাস মণ্ডল দলবল নিয়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন। সুশান্তবাবু নিজেকে ওই বুথের বিজেপির সভাপতি হিসাবে দাবি করেছেন। সুশান্তবাবু জানান, এলাকায় বিজেপির সদস্য রয়েছেন। অথচ গ্রামের কোনও উন্নয়ন হচ্ছিল না। রাজনীতিতে এসেছি মানুষের কাজ করার জন্য। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে সামিল হতেই তৃণমূলে যোগ দিলাম। আশিসবাবু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে এবং বিজেপির সাংগঠনিক অবস্থার কথা চিন্ত করেই এদিন ১৮০জন তৃণমূলে যোগ দিলেন। এছাড়াও এদিন ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে কয়েকজন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। সকলের নামের তালিকা রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এই দলবদলের ফলে ওই গ্রামে তৃণমূলের শক্তি আরও বাড়ল।
যদিও বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, দিন কয়েক আগেই সুশান্ত ঘোষকে বুথ সভাপতির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে অন্য একজনকে সেই পদে বসানো হয়েছে। সরকারি বাড়ি সহ অন্যান্য সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাঁদের দলে টেনেছে তৃণমূল।
এবার গেরুয়া শিবিরের ঘাঁটি বলে পরিচিত হস্তিকাঁদা গ্রামে ভাঙন ধরাল জোড়াফুল শিবির। পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই গ্রামের দু’টি আসনেই জয় লাভ করেছিল বিজেপি। তার মধ্যে এক সদস্যা অনেক আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এদিন বিজেপির মেম্বারের এলাকার দলের নেতা সুশান্ত ঘোষ, রহিতোষ মণ্ডল, আশুতোষ মণ্ডল, কৈলাস মণ্ডল দলবল নিয়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন। সুশান্তবাবু নিজেকে ওই বুথের বিজেপির সভাপতি হিসাবে দাবি করেছেন। সুশান্তবাবু জানান, এলাকায় বিজেপির সদস্য রয়েছেন। অথচ গ্রামের কোনও উন্নয়ন হচ্ছিল না। রাজনীতিতে এসেছি মানুষের কাজ করার জন্য। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে সামিল হতেই তৃণমূলে যোগ দিলাম। আশিসবাবু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে এবং বিজেপির সাংগঠনিক অবস্থার কথা চিন্ত করেই এদিন ১৮০জন তৃণমূলে যোগ দিলেন। এছাড়াও এদিন ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে কয়েকজন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। সকলের নামের তালিকা রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এই দলবদলের ফলে ওই গ্রামে তৃণমূলের শক্তি আরও বাড়ল।
যদিও বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, দিন কয়েক আগেই সুশান্ত ঘোষকে বুথ সভাপতির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে অন্য একজনকে সেই পদে বসানো হয়েছে। সরকারি বাড়ি সহ অন্যান্য সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাঁদের দলে টেনেছে তৃণমূল।



