সংবাদদাতা, রামপুরহাট: একটি ব্যাঙ্কের ম্যানেজার সহ কর্মীদের নিয়মিত হুমকি দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে আটক করল পুলিস। ধৃত যুবক ওই ব্যাঙ্কের গ্রাহকও নয়। তা সত্ত্বেও নানারকম অযৌক্তিক দাবি করত ব্যাঙ্কে এসে। কখনও মোবাইলে তোলা পাসবইয়ের ছবি দেখিয়ে ব্যালেন্স জানতে চাইত, কখনও আবার কোনও নথি ছাড়াই কৃষিঋণ দাবি করত। ব্যাঙ্কের কর্মীরা ‘না’ বললেই চলত টানা হুমকি। ওই যুবকের বিরুদ্ধে ব্যাঙ্কের ম্যানেজার স্থানীয় থানায় ডায়েরিও করেছিলেন, কিন্তু পুলিস গা করেনি।
Advertisement
গত শুক্রবারও ব্যাঙ্কে এসে একই আচরণ করতে থাকে ওই যুবক। এমনকী নিয়মবিরুদ্ধ ভাবে মোবাইলে ব্যাঙ্কের ভিতরের ভিডিও করতে থাকে। সেই সঙ্গে সবাইকে ব্যাঙ্কের বাইরে দেখে নেওয়ার হুমকি চলতে থাকে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অন্যান্য গ্রাহকরা। বেগতিক দেখে ম্যানেজার পুলিসকে ফোন করেন। অবশেষে পুলিস এসে ওই যুবককে হাতেনাতে ধরে। হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন কর্মীরা। ঘটনাটি পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাঙ্কের রামপুরহাটের আয়াস শাখার। পুলিস জানিয়েছে, ওই যুবককে আটক করা হয়েছে।
ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের বসইপাড়া গ্রামে বাসিন্দা ওই যুবক। সে ব্যাঙ্কের গ্রাহক নয়। আড়াই মাস আগে মোবাইলে একটি পাসবইয়ের প্রথম পাতার ছবি দেখিয়ে কত টাকা আছে জানতে চান। কর্মীরা বলে দেন, পাসবুক আনতে হবে। এভাবে বলা যাবে না। তখন সে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে নানারকমভাবে হুমকি দিয়ে চলে যান। কিছুদিন পর সে ব্যাঙ্কে এসে কৃষিঋণ দাবি করে। কিন্তু ঋণ চাইলেই তো হবে না, তার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা করতে হবে। সে সব না শুনে ঋণ না দিলে মারব, ধরব বলে হুমকি দিতে থাকে। অ্যাকাউন্টে সর্বনিম্ন ব্যালান্স না রাখলে টাকা কাটা হয়। কেন গ্রাহকদের টাকা এভাবে কাটা হবে বলে ব্যাঙ্কে ঢুকে হুমকি দিতে থাকে। কনফারেন্স কলে ওই যুবককে বোঝান ব্যাঙ্কের রিজিওনাল ম্যানেজার। কিন্তু কাজ হয়নি। উল্টে বাইরে বেরলে দেখে নেওয়ার কথা বলে। আতঙ্কে ৮ নভেম্বর ওই যুবকের নামে থানায় জিডি করেন ম্যানেজার জাভেদ আখতার। কিন্তু পুলিস কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। শুক্রবারও শাখা খোলার পরই ওই যুবক ভিতরে ঢুকে স্ত্রীর নামে ঋণ দেওয়ার দাবি করার পাশাপাশি মোবাইলে ভিডিও করতে থাকে এবং কর্মীদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন কর্মী থেকে অন্যান্য গ্রাহকরা। অবশেষে খবর পেয়ে পুলিস এসে ওই যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ম্যানেজার বলেন, ওই যুবকের আচরণে ভয় ও অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি করেছিল। এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে ব্যাঙ্ক, কর্মী ও গ্রাহকদের নিরাপত্তার অভাব দেখা দিয়েছিল। ব্যাঙ্কের ভিতরে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছিল। আমরা চাই পুলিস তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিক। পুলিস জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে অনুমান ওই যুবক কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন।
ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের বসইপাড়া গ্রামে বাসিন্দা ওই যুবক। সে ব্যাঙ্কের গ্রাহক নয়। আড়াই মাস আগে মোবাইলে একটি পাসবইয়ের প্রথম পাতার ছবি দেখিয়ে কত টাকা আছে জানতে চান। কর্মীরা বলে দেন, পাসবুক আনতে হবে। এভাবে বলা যাবে না। তখন সে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে নানারকমভাবে হুমকি দিয়ে চলে যান। কিছুদিন পর সে ব্যাঙ্কে এসে কৃষিঋণ দাবি করে। কিন্তু ঋণ চাইলেই তো হবে না, তার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা করতে হবে। সে সব না শুনে ঋণ না দিলে মারব, ধরব বলে হুমকি দিতে থাকে। অ্যাকাউন্টে সর্বনিম্ন ব্যালান্স না রাখলে টাকা কাটা হয়। কেন গ্রাহকদের টাকা এভাবে কাটা হবে বলে ব্যাঙ্কে ঢুকে হুমকি দিতে থাকে। কনফারেন্স কলে ওই যুবককে বোঝান ব্যাঙ্কের রিজিওনাল ম্যানেজার। কিন্তু কাজ হয়নি। উল্টে বাইরে বেরলে দেখে নেওয়ার কথা বলে। আতঙ্কে ৮ নভেম্বর ওই যুবকের নামে থানায় জিডি করেন ম্যানেজার জাভেদ আখতার। কিন্তু পুলিস কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। শুক্রবারও শাখা খোলার পরই ওই যুবক ভিতরে ঢুকে স্ত্রীর নামে ঋণ দেওয়ার দাবি করার পাশাপাশি মোবাইলে ভিডিও করতে থাকে এবং কর্মীদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন কর্মী থেকে অন্যান্য গ্রাহকরা। অবশেষে খবর পেয়ে পুলিস এসে ওই যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ম্যানেজার বলেন, ওই যুবকের আচরণে ভয় ও অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি করেছিল। এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে ব্যাঙ্ক, কর্মী ও গ্রাহকদের নিরাপত্তার অভাব দেখা দিয়েছিল। ব্যাঙ্কের ভিতরে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছিল। আমরা চাই পুলিস তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিক। পুলিস জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে অনুমান ওই যুবক কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন।



