সংবাদদাতা, কাঁথি: শিবরাত্রিতে ওড়িশার চন্দনেশ্বর মন্দিরে যাওয়ার জন্য ভক্তদের ব্যাপক ভিড়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে ওড়িশার বর্ডার হয়ে দীঘা থেকে বাসে গাঁজা পাচারের জন্য নিয়ে আসছিল কারবারিরা। এই কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল মহিলাদেরও। সকলে সরকারি বাসে সাধারণ যাত্রী সেজে আসছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওসি অমিত দেবের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ২৫কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। দুই মহিলা সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে রামনগর থানার পুলিস।
Advertisement
মঙ্গলবার রাতে থানার অদূরে দীঘা-নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়কে এই অভিযান চলে। দীঘা-দুর্গাপুর রুটের এসবিএসটিসির একটি বাস থেকে গাঁজা সহ তাদের পাকড়াও করে পুলিস। ধৃতরা দু’টি ট্রলিব্যাগ ও একটি হাতব্যাগে গাঁজা নিয়ে যাচ্ছিল। ধৃতদের নাম পাপ্পু চৌধুরী, শকুন্তলা রাজবংশী ও লাচ্চো শর্মা। তিনজনেই বর্ধমানের বাসিন্দা। সকলে আন্তঃরাজ্য গাঁজা পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে জানতে পেরেছে পুলিস। ওড়িশা থেকে গাঁজা নিয়ে এসে এরাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পাচারের উদ্দেশ্য ছিল। বুধবার তিনজনকে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাদের একদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্তের স্বার্থে ধৃতদের বৃহস্পতিবার হেফাজতে নেবে পুলিস। ডিএসপি(ডিঅ্যান্ডটি) আবু নুর হোসেন বলেন, এদের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, দীঘায় ওড়িশা বর্ডার এলাকা গাঁজা পাচারের ‘করিডর’ হয়ে উঠছে। ওড়িশার বিভিন্ন এলাকা থেকে খুব সহজেই দীঘা হয়ে এরাজ্যে দেদার গাঁজা নিয়ে ঢুকছে কারবারিরা। কখনও সরকারি বা বেসরকারি বাসে যাত্রী সেজে, কখনও আবার প্রাইভেট গাড়িতে সিটের নীচে লুকিয়ে গাঁজা নিয়ে আসা হচ্ছে। তারপর সেই গাঁজা রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় পাচার হয়ে যাচ্ছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার ওড়িশা বর্ডার থেকে দীঘা হয়ে আসা গাঁজা সহ কারবারিরা বিভিন্ন থানার পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। তারপরও পাচারে দাঁড়ি পড়েনি। তবে এই ঘটনার পর ওড়িশা বর্ডার এলাকায় নাকা তল্লাশির জোরদার করার দাবি উঠেছে। ডিএসপি(ডিঅ্যান্ডটি) বলেন, নাকা তল্লাশি সবসময়ই চলে। আমরা তল্লাশি আরও জোরদার করছি।
উল্লেখ্য, দীঘায় ওড়িশা বর্ডার এলাকা গাঁজা পাচারের ‘করিডর’ হয়ে উঠছে। ওড়িশার বিভিন্ন এলাকা থেকে খুব সহজেই দীঘা হয়ে এরাজ্যে দেদার গাঁজা নিয়ে ঢুকছে কারবারিরা। কখনও সরকারি বা বেসরকারি বাসে যাত্রী সেজে, কখনও আবার প্রাইভেট গাড়িতে সিটের নীচে লুকিয়ে গাঁজা নিয়ে আসা হচ্ছে। তারপর সেই গাঁজা রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় পাচার হয়ে যাচ্ছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার ওড়িশা বর্ডার থেকে দীঘা হয়ে আসা গাঁজা সহ কারবারিরা বিভিন্ন থানার পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। তারপরও পাচারে দাঁড়ি পড়েনি। তবে এই ঘটনার পর ওড়িশা বর্ডার এলাকায় নাকা তল্লাশির জোরদার করার দাবি উঠেছে। ডিএসপি(ডিঅ্যান্ডটি) বলেন, নাকা তল্লাশি সবসময়ই চলে। আমরা তল্লাশি আরও জোরদার করছি।



